মস্তিস্কে নিদারুন ইকো-সিস্টেমের হরমোন ক্ষরণ,এর
পর…
হয় তো বা রাস্তায় যে সাত কন্যার
মা ,যিনি রোদে বসে তেলে- মরা মাছ কুটে বিক্রি করেন,বলবে না এটা অবসাদ!
কারন ওরা জানে পৃথিবীতে তিন ভাগ জলের আগ্রাসন, বাকি ডাস্টবিনে পলিথিনে মোড়কে পড়ে থাকে এক ভাগ স্থল!
ত্বরনে চলা পতনশীল বস্তুর
কবিতা
|
|
| ৯৯ শব্দ
আমার থেকে কেন তুই নিয়ে নিলি সজনীকে?
আর যন্ত্রণা না দিয়ে তুই নিয়ে নে আমাকে।
তোর তো কোনো ক্ষতি করেনি আমার প্রিয়া,
প্রিয়া বিনা এই হৃদয় যে পাষান কায়া।
ও বলতো আমি নাকি ওর নয়নের কাজল,
আমায় এক মুহূর্ত না দেখলে ও যে হত
কবিতা
|
|
| ১৮৬ শব্দ
হারানো পথের ঠিকানা খুঁজি আমি,
সেই পথ যে পথে কোন
ক্যালেন্ডারের লাল কাল অক্ষরগুলো
ছোবল মারেনা কাল গোখরোর মত।
যা দেখি তাই লাগে ভাল
কৌতূহলে হারাই নিজেকে,অজানার মাঝে।
প্রতিটা ক্ষন যেন প্রতিটা বছর হয়ে
তৈরি হয় নতুন ক্যালেন্ডারের পাতা।
আজ একি
কবিতা, স্মৃতিকথা
|
|
| ১০৩ শব্দ ১টি ছবি
১
ভুলিতে পারিনা তাহারে,
কী ভালাবাসা আহারে,
চোখে তার কি মায়ারে,
ঝর্ণা সম কি হাসিরে,
ভুলিতে পারিনা আহারে।
২
সখি কাছে এসোনা,
কেন সখা, এতদিন তো কাছেই ছিলাম।
সখি যতদিন কাছে ছিলে,
বিমোহিত ছিলাম তোমার রুপে।
বুঝিনি নারীর কাছে আরো কিছু পাওয়ার থাকে।
বুঝেছি
কবিতা
|
|
| ১২২ শব্দ
পৃথিবীতে তোমায় মাগো,
প্রথম যে-দিন দেখি-
চোখে দেখা সব কিছুতেই,
মাগো তোমায় খুঁজি।
আমার মনে অবাক করা,
ভালো লাগা ছিল-
তোমার আদর, পরশে মা-
প্রান জুড়িয়ে গেলো।।
বুঝতে তখন হয় নি মাগো-
একটু খানি-ও দেরি-
তুমি মাগো জগত দেখানো,
আমার মা জননী।
প্রথম যে-দিন তুলে দিলে-
কবিতা
|
|
| ১৫৮ শব্দ
যে যায় করুক তুচ্ছ আমায়,
আমি তো আগের মতোয় থাকবো ।
হৃদয় দিয়ে বাসবো ভালো,
প্রান খুলেই হাসব ।
তাদের সাথে মিশবো আমি, বলবো কথা,
যারা আমায় ভাবে আগাছা আর তৃন-লতা ।
তাদের জন্য-ই দেব প্রান, সইবো শত অপমান ।
সুতা ছাড়া ঘুড়ি যেমন উড়েনা আকাশে,
বন্ধু ছাড়া বন্ধন হয় না
কবিতা
|
|
| ৪৬ শব্দ
মোহগ্রস্ত না হয়ে আমি বিরহ তুলে নিলাম বুকে
রক্তের ভেতর টগবগে ঘোড়া, লোভ লালসা ভুলে
আমি রাত ভর পুড়ে মরলাম তীর্থের কাক হয়ে,
কামোন্মত্ত চোখে দেখিনি তোমাকে
চিত্তে মমতার বাসনা, দেখেছি বিনম্র শ্রদ্ধা ভরে;
আমি তোমায় আগলে নিয়েছি
পৃথিবীর সমস্ত জঞ্জাল থেকে অনেক-অনেক দূরে।
এক পলক দৃষ্টিতে-
আমি
ইচ্ছে করে পাখি হয়ে স্নিগ্ধ বাতাসে ভর করে
উড়ে যাই দূর থেকে আরো দূরে,
যেখানে নগ্ন সংকীর্ণতা নেই
হিংসে হানাহানি অসহায়ত্ব ও নির্মমতা নেই
ধর্মের নামে অধর্মতা নেই |
ভূপৃষ্ঠের সকল ভৌগলিক সীমারেখা ভেঙ্গে দিতে ইচ্ছে করে
সকল দেশের সীমান্ত রক্ষীদের ছুটিতে পাঠাতে ইচ্ছে
কবিতা
|
|
| ১২৭ শব্দ
সূর্য তাপে নুহ্য হও তুমি
চন্দ্র জোছনায় হও পুলকিত
একই দিনকে তুমি ভাগ করে
বল দিবা-নিশি, কর দ্বিখন্ডিত
আলোর মশাল জ্বালাও নিশীথে
নতুন আলোর সন্ধানে
প্রভাত বিদায়ে জেগে ওঠো
চাঁদ জোছনার স্পন্দনে
আলোকিত পুষ্পরাগ, অযাচিত ঘোর
মেঘের পরে সূর্য উঁকি, আঁধার তরায় ভোর
২৩/০৫/১৩
কবিতা
|
|
| ৪১ শব্দ
সময়ের সাথে সাথে থমকে যেত যদি পৃথিবী,
সেই থমকে যাওয়া সময় হাতড়িয়ে একা,
ডুবুরির মত গভীর নীলসমুদ্র হতে
খুঁজে নিতাম ঝিনুকের দামি মুক্তো ।
আমার ছোঁয়ায় সেই মুক্তোর গায়ে
লিখা হত পৃথীবির শ্রেষ্ঠ বাসনার গান;
যে বাসনায় আদম থেকে জীয়ন্ত আমি
কবিতা
|
|
| ৬১ শব্দ ১টি ছবি
সবাইকে নজরুল জন্ম জয়ন্তীর শুভেচ্ছা
এ জগতের যত জীবন্ত ফুলেল বয়
তোমায় দিলাম ‘হে বিদ্রোহ’সূর্যময়-
তুমি অগ্নিবীণা তুমি নব্য জোয়ার
নীল সবুজ ধানসিঁড়ি- তরী ভাসাও
তুমি বিনা বাজাও-সাম্য প্রেমের ঝড়।
গায় হে জওয়ান গায়-দীনতা মৃঢ়তার
বিজয়ের গান-যে একতারার
কবিতা
|
|
| ৮৪ শব্দ ১টি ছবি
সাম্য ও মানবতার কবি নজরুল,
সুরকার গীতিকার তুমি নজরুল।
মানবপ্রেমী মানবতাবাদী নজরুল
বাংলার বাঙ্গালী নিত্য বিদ্রোহী নজরুল।
পরাধীনতার গ্লানী মুছিতে, অসি হাতে সৈনিক
স্বাধীনতাকামী বৃটিশ বিদ্রোহী মসি দৈনিক।
তুমি মহাবীর, চির উন্নত, তব শির
দুই হাতে অসি মসি সদা জাগ্রত বীর।
অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নায়ক গায়ক
তব লেখনী প্রেরণা সঞ্চারক সহায়ক।
রনাঙ্গনে অপ্রতিরুদ্ধ অগ্রণী
কবিতা, ব্যক্তিত্ব
|
|
| ১১১ শব্দ
নতুন কমলা রঙের পোশাক ছিল তাহার পরনে;
আর আমরা ছিলাম ঘোড়ার গাড়ির ভিতের
প্রচণ্ড ঝড়ের বানের কারণে ।
ঘোড়াটি যদিও গিয়েছিল থেমে
আমরা বসে ছিলাম সুস্থির উষ্ণ ফ্রেমে।
আমার সুতীক্ষ্ণ বেদনাতে তারপর থেমে গেল বর্ষণ;
আমাদের ঢেকে রাখা কাচের জানালা গেল খুলে,
চঞ্চল চমকে সে
কবিতা
|
|
| ৬৩ শব্দ
চলিয়াছি পথের দিশায়,
কোন পথ চলিয়াছে তোমার পথে?
যে পথে যাই কেবলি তোমার ঘ্রাণ পাই।
যখনি ভাবিয়াছে মন মিলিয়াছে পথ
নামিয়াছে রাত্রি সেখানেই সাথে জোছনা নির্বাক,
ভুলাইয়া দিয়াছে সব।
আশায় বাঁধিয়াছি বুক
তোমার পথেই যে আমার সুখ।
ক্লান্ত পথে চলিয়াছি কত রাত্রি শেষে,
আসিয়াছে
কবিতা
|
|
| ১১১ শব্দ ১টি ছবি
পাপ গুলো আজ বড় তাড়া করে
কোন দিন কখন করেছি মনে পড়ে না
ছোট খাটো অনেক করেছি তাই মনে হয়
অতিবৃষ্টি আর খড়া প্রতিটি এলাকার পাপ মোচনের পালা।
যখন একাকি বিছানায় আকাশ পানে নয়ন
ঠিক তখন মনে পড়ে পেছনের হাজারও কর্ম
কখনও ভাল কখনও মন্দ…আবার কখনও মনের দুষ্টুমি
মন্দের কথায় চোখে
কবিতা
|
|
| ৮২ শব্দ