এই নরকখানায় আমাকে বেশিদিন থাকতে হয় নি যদিও। তবে বাবাকে অনেকদিন থাকতে হয়েছে। বুবুর বিয়ের পর বাবা সবচেয়ে বেশি একা হয়ে গেলেন।
আমি শহরে থাকি, স্কুলের বন্ধুবান্ধবদের সাথে কোনো না কোনোভাবে সময় কেটেই যায়। নিঃসঙ্গ অবস্থায় পড়ে সময় কাটানোর জন্য বাবা সারাদিন হুক্কা টানতেন আর
উপন্যাস
|
|
| ১০৯১ শব্দ
(গতকালের পর)
আমার মা যদি ইচ্ছা করতেন সারা জীবন পা থেকে জুতা খোলবেন না, পারতেন। চাকর বাকর রেখে রাজরানীর মতন হুকুম চালিয়ে জীবন কাটাতে চাইলেও পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন নি। দুই চারজন কাজের লোক যে আমাদের বাড়িতে ছিল না তা নয়। তাদের সাথে
উপন্যাস
|
|
| ৯৯৫ শব্দ
সেই রাতের স্মৃতি আমি (সবুজ) কখনো ভুলতে পারব না। সাড়ে সাত বছর বয়সের ছেলেমেয়েরা অন্যের ভালোবাসার রসদ ভোগ করতে পারলেও নিজ প্রেম ডানা অন্যের প্রতি বাড়িয়ে দিতে পারে না। তাই তো সে সময় ভালোবাসার ভাষা আমি জানতাম না। বুবুর বয়স তখন তের চৌদ্দ
উপন্যাস
|
|
| ৬২৫ শব্দ
(উপন্যাস মিনুর নীল স্বপ্ন হতে)
গত পরশু মোবাইল কিনেছি। চিকিত্সক এম এ রহমান সাহেব যেসব নিয়মাবলী পালন করতে বলেছেন, তার জন্যে মোবাইল ফোন বা এ্যালার্ম সিস্টেম টেবিল ঘড়ি আত্যাবশ্যক ছিল। মায়ের নির্দেশ ছিল বলে ঘড়ির দিকে না গিয়ে মুঠো ফোন কিনলাম। নতুন ফোন থেকে
উপন্যাস
|
|
| ১৪৬৫ শব্দ
উপন্যাস মিনুর নীল স্বপ্ন হতে-
ঈষত্ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ । আকাশের গা ঘেঁষে ক্লান্তিহীন ছুটে চলছে এক ফালি চাঁদ । চলতি পথে সেই চাঁদ কখনো কখনো পৃথিবীর বুক জুড়ে আবছা আধার ঢেলে নিজেকে লুকিয়ে ফেলছে জমাট বাধা মেঘের আড়ালে, আবার কখনো সেই মেঘ ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে
উপন্যাস
|
|
| ৬৪৩ শব্দ
সালামালাইকুম ।
ওয়ালাইকুম সালাম ।
মায়াডারে লইয়া বড় বিপদে আছি স্যার । গেরাম থাইক্যা ভাইয়ের খোঁজে আইছিলাম । বাসা খোঁইজা পাই নাই । বাচ্চা মাইয়াডারে লইয়া সারাডা রাইত রাস্তায় বইসা আছিলাম । টেহা পয়সা যা আছিল সবি শেষ । বেলা দুপর অইয়া গেল পেটে দানাপানি কিচ্ছু
উপন্যাস
|
|
| ৫৫৮ শব্দ
নেটে মূলত কিছু কারনে আমি আসি। তার মধ্যে একটি কারন হচ্ছে ইবুক ডাউনলোড করার জন্য। যেহেতু স্টুডেন্ট মানুষ এবং এতো এতো বই কেনার টাকাও আমার কাছে নেই তাই ইবুকই ভরসা :D
বই পড়ার অভ্যাস ছোট বেলা থেকেই (পাঠ্যবই বাদে) । আগে যখন বাসায় নেট, কম্পিউটার
কবিরনি | মার্চ ২৪, ২০১৩ | ২২:২৫
1
বহরমপুর। ভারত। 1971।
রেজা এসেছে। আয়েশা বেগম শুনে নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারে নি। আয়েশা বেগমার এই এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী। সবাই সম্মানের চোখে দেখে শুধু বিত্তের কারনে না তাদের বিদ্যা অনুরাগের কথাও ভেবে। আয়েশা বেগম নিজেও বিএ পাশ। পত্রিকায় লেখালেখি করেন। দুচারটা গল্পের গুনে
উপন্যাস
|
|
| ৪৮৭৫ শব্দ
(৭ম অংশের পর-শেষ পর্ব)
অপূর্বের বাবা আজকাল খুব একটা কাজে-কর্মে যায় না। ছেলে মাস শেষে মাইনে পেয়ে পুরো মাসের বাজার করে দেয়। বাড়তি হাত খরচটা পর্যন্ত জোগান দেয়। এটাইতো বড় প্রাপ্তি। তার কষ্টের দিনগুলো আজ ঐ রোদেলা দুপুরে, কোন না কোন এক আবাদি জমির
(৬ষ্ঠ অংশের পর)
‘৩ রা জুন, রোজ শুক্রবার, ২০১১ইং।’
অনন্যার বাবাও মেয়ের বিয়ের দাওয়াত প্রচার করতে লাগল। কারণ হাতে একদম সময় নেই। সংগত কারণেই বিয়েটা অনাকাঙ্খিতভাবে এতটা আর্জেন্ট আয়োজন করতে হলো। তার খুব ইচ্ছে ছিল তার একমাত্র মেয়ের বিয়ে খুব ঘটা করে মাসব্যাপি আলোকসজ্জায়
(৫ম অংশের পর)
রুমে প্রবেশ করে অনন্যা সবগুলো শপিং ব্যাগ খুলে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখল। এমন সময় অনন্যার হবু শ্বাশুড়ী, মানে চাচীমা এসে-
‘কি-রে মা, অনন্যা?
‘তোমাকে আজ খুশি খুশি লাগছে যে!’
‘তোমার জন্য ঐ যে ঐ লাল টুকটুকে শাড়িটা এনেছি।’
‘কি, পছন্দ হয়েছে?’
অনন্যা-‘হ্যা চাচীমা,
(চতুর্থ অংশের পর)
- ‘এখন বলুন-এই যে নারীরা শুধুমাত্র কামনার মোহে, পরকীয়া প্রেমের টানে, যেভাবে স্বামী-সন্তানকে হত্যা করছে, তাতে কি তাদের পুরুষরুপী দানব বলা চলে না?’
- ‘হ্যা, অপূর্ব। কেন বলা যাবে না? অবশ্যই নারীরা আজ দানব। তুই
(তৃতীয় অংশের পর)
তারপর গলা ছেড়ে এক টুকরো কাশ দিয়ে-
- ‘বাবা, একটি গুড নিউজ ছিল, শুনবেন?’
অপূর্বের বাবা-
‘ঐ সব গুড-ফুড বাদ দিয়ে বাংলায় বল।’
‘ঠিক আছে শুনুন তাহলে’
-আজকের পত্রিকায় চমৎকার সংবাদ পড়লাম। সংবাদটি হচ্ছে- ঐ যে বেশ কয় মাস যাবৎ সরকার আড়িয়ল
(দ্বিতীয় অংশের পর)
ঘড়ির কাটায় প্রায় ৩০০ টা ছুই ছুই। অনন্যার বাবা মেহমানদের রিসিভ করে আনার জন্য ঘর থেকে বের হচ্ছে। বের হওয়ার সময় অনন্যাকে কোমল সুরে ডাকছে।
- ‘মা অনন্যাকইগো মা অনন্যা। আর একটু চন্দ্রানন দেখা। আমি একটু মেহমানদের রিসিভ করতে বঙ্গবন্ধু এয়ারপোর্টে যাচ্ছি।’
- ‘বাবা, তুমি কি