পরিবেশ ও প্রকৃতি বিভাগের সব লেখা
সুপ্রভাত! ঢাকা (শীতকাল)
সূর্যোদয়ে তুমি
সূর্যাস্তেও তুমি
ও আমার বাংলাদেশ,
প্রিয় জন্মভূমি।
সুপ্রভাত! মিলনছড়ি (শীতকাল)
জলসিঁড়ি নদীতীরে
তোর খুশির কাঁপন যেন বাজে
ও কাশবনে ফুলে ফুলে
তোর মধুর বাসর বুঝি সাজে
তোর একতারা হায় করে বাউল আমায়
সুরে সুরে।
শুভ
পৃথিবী আমাদের যে অন্ন দিয়ে থাকে সেটা শুধু পেট ভরাবার নয়; সেটাতে আমাদের চোখ জুড়োয়, আমাদের মন ভোলে। আকাশ থেকে আকাশে সূর্যকিণের যে স্বর্ণরাগ, দিগন্ত থেকে দিগন্তে যে প্রকৃতির শোভা – সেই রূপ দেখে মানুষ কেবল ভোজনের কথাই ভাবে না; সে উৎসবের আয়োজন করে,
আলোকচিত্র, পরিবেশ ও প্রকৃতি
|
|
| ১৫২ শব্দ ৭টি ছবি
জৈষ্ঠ্যর রোদ আর বর্ষার বৃষ্টিতে ছাতা একটি অপরিহার্য বস্তু । এ সয়মটা যেন কেমন, এই রোদ এই বৃষ্টি। হুটহাট করে বৃষ্টি নেমে আসে। কখনো মাথার উপরে কড়া রোদ। বর্ষার বৃষ্টিতে প্রতিনিয়ত আমাদের ঘরের বাইরে বের হতে হচ্ছে। কখন অফিসের উদ্দ্যেশ্যে আবার কখনোবা বাচ্চাকে নিয়ে
এই মাত্র কয়েকদিন আগেও মৃত্তিকা ছিল তুষারাবৃত। চোখের পলকে উবে গেল কোথায় সেই বরফ। এখন চারিপাশে কেবলই সবুজের সমাহার। এ দৃশ্য দেখে কে বলবে যে বছরের আট মাসই মাটি থাকে শুভ্র-শীতল বরফের নীচে। এ কারণে মাটি হয় প্রচন্ড উর্বর। রোপনকৃত বীজ থেকে ফলন হয়
আশ্চর্য সুন্দর এক জলপ্রপাত, যার নাম ‘নাফাখুম’। রেমাক্রি খালের পানি প্রবাহ এই নাফাখুমে এসে বাঁক খেয়ে হঠাৎ করেই নেমে গেছে প্রায় ২৫-৩০ ফুটপ্রকৃতির খেয়ালে সৃষ্টি হয়েছে চমৎকার এক জলপ্রপাত! সূর্যের আলোয় যেখানে নিত্য খেলা করে বর্ণিল রংধনু! ভরা বর্ষায় রেমাক্রি খালের জলপ্রবাহ নিতান্ত কম
নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র। যার নামের সাথে কর্মের পরিপূর্ণ মিল। বান্দরবন জেলার নীলগিরি পর্বতচূড়ায় এই পর্যটন কেন্দ্রের অবস্থান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত নীলগিরি পর্বতচূড়াটি সমতল ভূমি থেকে ২২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচু হওয়ার কারনে সর্বদা মেঘের দলকে এখানে ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়।
আলোকচিত্র, পরিবেশ ও প্রকৃতি
|
|
| ২৮২ শব্দ ২৯টি ছবি
নৈসর্গিক প্রকৃতির আঁচলে মোড়ানো, অপরূপ লাবণ্যময় প্রকৃতির সৌন্দর্য যারা উপলদ্ধি করতে চান; তাদের জন্য বান্দরবনের এই জায়গাটির বিকল্প কোন জায়গা বাংলার ভূমিতে আছে বলে আমার মনে হয় না। প্রকৃতির কি অপরূপ মায়াখেলা! যাদের প্রকৃতি প্রেমী মন কখনো দেখেনি, তাদের পক্ষে অনুমান করা ও সম্ভবপর
আলোকচিত্র, পরিবেশ ও প্রকৃতি
|
|
| ১০০ শব্দ ১৩টি ছবি
বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ
খুঁজিতে যাই না আর : অন্ধকারে জেগে উঠে ডুমুরের গাছে
চেয়ে দেখি ছাতার মতন বড়ো পাতাটির নিচে বসে আছে
ভোরের দোয়েলপাখি — চারিদিকে চেয়ে দেখি পল্লবের স্তূপ
জাম — বট — কাঠালের — হিজলের — অশখের করে আছে চুপ;
ফণীমনসার ঝোপে
দেশ, পরিবেশ ও প্রকৃতি, ভ্রমণ
|
|
| ১৯৮ শব্দ ৯টি ছবি
প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট হিমশীতল শৈলপ্রপাত ঝর্নাটিতে সর্বদা পানি বহমান থাকে। শৈলপ্রপাত-এ স্থানীয় অধিবাসীদের হাতের তৈরি বিভিন্ন ধরনের দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া যায়। বছরের যে কোন সময় ঐ ঝর্নার প্রাকৃতিক রূপ-সৌন্দর্য ও উপভোগ করা যায়।
যাতায়াতঃ
বান্দরবন থেকে রুমা সড়কে ৮ কিমি দূরত্তে শৈলপ্রপাত-এর অবস্থান। চান্দের
পরিবেশ ও প্রকৃতি, ভ্রমণ
|
|
| ৭১ শব্দ ১৪টি ছবি
বান্দরবন শহরের পাশেই অবস্থিত সবচেয়ে উচু পাহাড়ের নাম নীলাচল। দূর হতে দেখতে পাহাড়টি আকাশের নীলের সাথে মিশেছে বলে মনে হওয়াতে এর নামকরন হয়েছে নীলাচল। এই পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ১ হাজার ফুটের মতো। শহর থেকে প্রায় ৪ কিমি অদূরে টাইগার পাড়া এলাকায় এ পাহাড়টির
পরিবেশ ও প্রকৃতি, ভ্রমণ
|
|
| ১৬৪ শব্দ ১২টি ছবি
বান্দরবন শহরের প্রবেশদ্বারে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পার্শ্বেই অবস্থিত বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের আকর্ষনীয় পর্যটন স্পট মেঘলা। নাম মেঘলা হলেও মেঘের সাথে মেঘলা পর্যটন স্পটের কোন সর্ম্পক নেই। এ যেন ভুমিতেই বিছানো হয়েছে সুন্দরের গালিচা। বান্দরবান জেলা শহরে প্রবেশের ৫ কি:মি: আগে মেঘলা পর্যটন এলাকাটি অবস্থিত। এটি
পরিবেশ ও প্রকৃতি, ভ্রমণ
|
|
| ১৫২ শব্দ ১৪টি ছবি
হাম হাম কিংবা হামহাম বা চিতা ঝর্ণা, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝরণা। জলপ্রপাতটি ২০১০ খ্রিস্টাব্দের শেষাংশে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মার সাথে দুর্গম জঙ্গলে ঘোরা একদল পর্যটক আবিষ্কার করেন। দুর্গম গভীর
পরিবেশ ও প্রকৃতি, ভ্রমণ
|
|
| ৩০২ শব্দ ৩০টি ছবি
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ স্থানীয় ভাবে জাজিরা বলে পরিচিত। এক সময় এই দ্বীপটি ছিল একটি বিশ্রামাগারের মত। বিভিন্ন দেশের বনিকরা বিশেষ করে আরব বনিকরা পন্য নিয়ে যখন সওদা করতে যেতো তখন তারা এই দ্বীপে বিশ্রাম নিত। তখন থেকেই এই দ্বীপের নাম হয় জাজিরা। তবে পরবর্তীতে
সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত ছোট্ট একটি এলাকা। ছেড়াদ্বীপ নাম হিসেবে যার পরিচিতি। সেন্ট মার্টিন থেকে ছেড়াদ্বীপ যেতে স্পিডবোট দিয়ে আনুমানিক ১০ এবং ট্রলার দিয়ে ২০ মিনিটের মতো সময় লাগে।ভাটার সময় হেঁটেও ছেড়াদ্বীপে যেতে পারেন তবে রাস্তা পরিচিত না থাকলে হেটে না যাওয়াই ভালো।
এই দ্বীপে