গত কয়েকদিনে বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে বেশ কিছু সাফল্য এসেছে। আর এই সফলতা এসেছে ধারাবাহিক ভাবে।
ফুটবল, হকি এবং ক্রিকেটের এই ধারাবাহিক সাফল্য আমাদের আশান্বিতই করে তুলছে। সম্প্রতি, নেপালে অনুষ্ঠিত এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের ফুটবলারদের চমৎকার পারফরম্যান্স দেখা গেছে।
সীমিত সুযোগ সুবিধা
খেলাধুলা
|
|
| ১৩৬ শব্দ ৪টি ছবি
হরবোলা | মার্চ ১০, ২০১৩ | ১৯:৫০
মোহাম্মদ আশরাফুল এবং মুশফিকুর রহিমকে আন্তরিক অভিনন্দন। আগামীকাল দুজনের ডবল সেঞ্চুরীর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেট পাগল সমর্থকরা।
আজ আশরাফুল এবং মুশিফক জুটি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬১ (দুইজনই অপরাজিত আছেন) রান সংগ্রহের রেকর্ড গড়েছেন।
খেলাধুলা, দেশ
|
|
| ১৫৮ শব্দ ১টি ছবি
অবশেষে আমরা ঢাকায় বাংলার রাজকীয় বাঘের গর্জন শুনতে পেলাম।
খুলনায় ২-০ তে এগিয়ে থেকে ঢাকায় শুরু। কিন্তু ঢাকায় এসে সেটা হয়ে গেল ২-২!!! ৫ম ম্যাচ অর্থাৎ সিরিজ নিরধারনী শেষ ম্যাচ জয় করে বাংলাদেশ সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল।
ঢাকাবাসী আসলে অনেক অতিথি পরায়ন! খুলনাবাসী ওয়েস্টইন্ডিজ
খেলাধুলা
|
|
| ৬১ শব্দ ১টি ছবি
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সহযোগী সদস্যে পরিণত হয়। পরবর্তীতে রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। চার ম্যাচের দু’টিতে তারা হেরে যায় এবং দু’টিতে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। গাজী আশরাফ
খেলাধুলা
|
|
| ৫৫৪ শব্দ ৭টি ছবি
মোট ম্যাচ: ৭৩ টি
জয়: ৩ টেস্টে
ড্র: ৭ টেস্টে
পরাজয়: ৬৩ টেস্টে
১ম টেস্ট: ভারতের সাথে ২০০০ সালের নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে।
১ম অধিনায়ক: নাঈমুর রহমান দূর্জয়
১ম শতরানকারী: আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ১৪৫ রান (২০০০ সালের নভেম্বরে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে ১ম
খেলাধুলা
|
|
| ৮০০ শব্দ
১৯৯২ সাল। বার্সেলোনা অলিম্পিক। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ৪০০ মিটার দৌড়ের সেমি ফাইনাল। প্রতিযোগীরা সবাই স্টার্টিং পয়েন্টে গিয়ে তৈরী হচ্ছে। হঠাৎ করে পিস্তলের গুলির আওয়াজ শোনা গেলো- দৌড় শুরু হলো। প্রতিযোগীরা যখন দূরত্বের মাঝপথে, একজন প্রতিযোগী হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির জন্য ট্র্যাকে বসে পরলেন। রেডক্রসের
১৯৬৪ সালের ১০ই অক্টোবর। টোকিও জাতীয় স্টেডিয়াম। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই টোকিও অলিম্পিকের মশাল প্রজ্জ্বলন করা হবে। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে মূল ক্যালড্রনে মশাল কে জ্বালাবেন। হঠাৎই দেখা গেলো ১৯ বছরের এক বালক মশাল হাতে ক্যালড্রনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পুরো টোকিও স্টেডিয়াম আনন্দে উদ্বেল
১৯৩৬ সালের বার্লিন অলিম্পিক। জার্মানিতে তখন হিটলারের শাসনকাল। জার্মান রক্তকে বিশুদ্ধ আর্য রক্ত মনে করা হিটলার অলিম্পিককেই বেছে নিলেন জার্মান জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনের জায়গা হিসেবে। গঠন করা হলো চারশ সদস্যের জার্মান অলিম্পিক দল। এই চারশ জনেরই একজন ছিলেন লুজ লং। লম্বা, ব্লন্ড চুল আর
বার্লিন অলিম্পিকের ম্যারাথন দৌড়ের বিজয়ীরা
অলিম্পিকের ইতিহাসে উপরের ছবিটি একটি আইকনিক ছবি। ছবিটি ১৯৩৬ সালের ৯ আগস্ট বার্লিন অলিম্পিকে তোলা হয়। এখানে দেখা যাচ্ছে, অলিম্পিক ম্যারাথন দৌড়ের পর তিনজন এথলেট বিজয় স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আছেন। ছবিতে একদম পিছনে আছেন রৌপ্য বিজয়ী ব্রিটিশ
চার বছর পর অনুষ্ঠিত হয় অলিম্পিকের মেলা।
ইউ কে তে হবে এবার অলিম্পিকের খেলা।
বিশ্বের সব ক্রিড়া মোদিরা বাড়িয়ে আছে গলা।
ঊৎসব আর উদ্দীপনায় কাটবে কিছু বেলা।
টিকেট কিনার আগাম বুকিং শুরু হয়েছে।
হোটেল গুলো পাল্লা দিয়ে সাজতে লেগেছে।
অলিম্পিকে দারুন মজা হই হুল্লোড় কত।
বিশ্বের সব খেলোয়াড়রা খেলবে শত শত।
অনেক
কার্লো এয়ারোল্ডি। ইতালির মিলান শহরের নাগরিক। সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী। বয়স ২৭ বছর। সময়টা ১৮৯৬ সাল। খুব ভালো দৌড়াতে জানেন তিনি। দৌড়াতে ভালোবাসেন তিনি। বেশি ভালোবাসেন দূরপাল্লার দৌড়গুলো দৌড়াতে। মিলানে বেশ নাম ডাকও হয়ে গেছে তাঁর। আগের বছর কি মনে করে যেনো তিনি মিলান থেকে