ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি সংক্রান্ত এই সমস্যাগুলো যে আমাদের দেশের কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিচ্ছিন্ন একটি সমস্যা তা কিন্তু না। এটি আমাদের জাতীয় রাজনীতির নৈতিক পতনের একটি অভিশপ্ত ফলাফল । উচ্চ শিক্ষাঙ্গনের সাম্প্রতিক দূরাবস্থা আমাদের নৈতিকতাবিবর্জিত হুকুমপালনের রাজনীতি, দূর্ণীতিগ্রস্থ সমাজব্যবস্থা, তরুণ প্রজন্মের হতাশা ও বুদ্ধিজীবীদের অধঃপতনকেই নির্দেশ করে। এসব ব্যাপারে পরেরবার আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে। তার আগে জানিয়ে দেই, এই পাপিষ্ট জ্ঞানী, পঁচে যাওয়া রাজনীতিবিদ আর মুনাফাভোগী সুবিধাবাদীদেরকে বিদায় করে দিয়ে সমাজে নতুন করে জাগরণ সৃষ্টির জন্য একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন দরকার।
যদি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দিয়েই এই পরিবর্তন সূচীত করা যায় তাহলে তা হবে সর্বোত্তম পন্থা। আর সেজন্য শিক্ষার্থীদেরকে পূর্ণ মানসিক বিকাশে সহযোগিতা করতে হবে প্রশাসনের, এবং অবশ্যই সরকারকেও ভূমিকা রাখতে হবে- মনের ভিতর গোপন করে রাখা কোন কূটচাল ছাড়াই। আর এজন্য ছাত্রসংসদগুলোকে কার্যকর করার বিপরীতে বিকল্প কোন রাস্তাই আর সামনে খোলা নেই।
ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করেন, আমলারা বেশী বোঝেন ব্যক্তিগত হিসাব। কিন্তু শিক্ষা জীবন থেকেই নির্বাচনের পরিচ্ছন্ন রাজণীতিতে অভ্যস্ত হওয়া মেধাবীরা যদি জাতীয় রাজণীতিতে আসেন তাহলে জাতি নিঃশ্বাস ফেলার জায়গা পাবে কোথাও, নচেত এই জাতির সামনে আরো কঠিন দিন আসছে।
এজন্য আমার প্রস্তাব, ডাকসুর জন্য প্রচারণা মূলক শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে গুড়িয়ে দেয়ার চেষ্ঠা না করে বরং জাতির বৃহত্তর স্বার্থে যতদ্রত সম্ভব সব শিক্ষাপ্রতিষ্টানে ছাত্রসংসদ চালু করে ভবিষ্যতের জন্য নেতৃত্ব তৈরী করা। উদাহরণটা আমি ডাকসু দিয়েই দিচ্ছি, কেউ কিছূ মনে করবেন না।তবে এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলো- ছাত্রসংসদ যারা চাচ্ছে তাদের একনিষ্ঠ সততার ব্যাপারটা। ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সততা, দেশপ্রেম ও সিস্টেম বদলের আকুতির নিবেদনে ঘাটতি থাকে তাহলে ব্যর্থ হবে তারাও। এরাও যদি গলিত লেজুরবৃত্তির রাজনীতির মতোই অন্য কারো উদ্দেশ্য পূরণে মগ্ণ থাকে তাহলে এদেরকেও ইতিহাসের কাছে মীরজাফর হয়েই থাকতে হবে।
প্রথমেই যে ব্যাপারটা সবার কাছে পরিস্কার করা প্রয়োজন সেটা হল, ডাকসু কি এবং এটা কেন দরকার? ইংরেজীতে ducsu মানে হলো- Dhaka university central student’s union অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। ছাত্র শব্দটি এখানে ছেলে-মেয়ে সব শিক্ষার্থীকেই বহন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরেই আপনি এই সংগঠনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেলেন। এটা আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার। আর আপনার মতো হাজার হাজার শিক্ষার্থীর সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানসিক নেতৃত্বের বিকাশে আপনাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য একটি অলাভজনক ও সেবাদানমূলক প্রতিষ্ঠান হলো ডাকসু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এটার নাম ডাকসু, চট্টগ্রামে চাকসু, রাজশাহীতে রাকসু- এভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন নামে এই সংগঠনটি বিদ্যমান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভেদে এই নামের আদ্যক্ষরে কিছুটা পরিবর্তন থাকলেও সর্বক্ষেত্রেই এর উদ্দেশ্য মহৎ। এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো- পরিচ্ছন্ন সংগঠন চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনোবিকাশকে পরিনত করে তোলা ও জাতীয় নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো। এছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্বন্বয়ে যৌথভাবে শিক্ষা প্রতিস্টানকে গতিশীল করে পরিচালিত করা।
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহন কেন গুরুত্বপূর্ণ সেটার ব্যাখ্যাও দিচ্ছি- বাঙ্গালির মুক্তির ইতিহাসের সবগুলো বাঁকে (১৯৫২, ৬২, ৬৬, ৬৯, ৭০, ৭১, ৮৯, ২০০৭) শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ন। জাতির ইতিহাসের প্রতিটি সময়ের বুকে তারুণ্যের বিজয় ছাঁপ এঁকেছে আমাদের তরুণ তরুণীরা।
আর তাদেরকে সেই স্বীকৃতি দেয়ার জন্যই সংবিধানে আইন করে ১৮ বছর বয়সের তারুণ্যকে জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে মতামত দেয়ার মতো দায়িত্বপূর্ণ অধিকার দিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং এই শিক্ষা প্রতিস্ঠানেই আপনার ব্যক্তিত্ব্যের সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেত্বৃত্বের বিকাশ ঘটার কথা। অতীতে তো তাই হয়েছে। নাইলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তারুণ্য এতো অবদান রাখল কিভাবে! কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হলো- এখন আপনি আপনার এই শিক্ষা প্রতিস্ঠানেই আপনার সেই গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চা করতে পারছেন না। ’ছাত্র সংসদ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আছে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই!, কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সমস্যা ও পরিকল্পনা নিয়ে সুচিন্তিত মতামত দেয়ার ক্ষমতা রাখে। আর তারা যদি সেই চিন্তা প্রকাশ ও বাস্তবায়নের সুযোগ পায়, তাহলে চাটুকারদের বড় বড় আস্ফালন বায়ু মাধ্যমে মিলিয়ে যাবে। সন্দেহ নেই, বাঙালি জাতির মতো বলিস্ঠ ইতিহাস সমৃদ্ধ জাতির জন্য এটি ‘কলংকময় কুঁড়ি’ বছরের এক বিষাক্ত সময়চক্র ।
বিশ বছরেরও বেশী সময় ধরে ডাকসু নির্বাচন না হওয়ার পিছনে বারবার যেসব বিষয়কে কারণ হিসেবে দাখিল করা হয়েছে সেগুলো হলো- শিক্ষাঙ্গণের পরিবেশ অস্থিশীল হওয়ার আশংকা, নির্বাচনের ব্যাপারে দেশের প্রধান দুটি রাজণৈতিক দলের ‘ছাত্র সংগঠন দুটোর’ ঐকমতে না পৌঁছানো। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও চাটুকার রাজণীতিবিদরা বারবার মিডিয়ার সামনে এই মুখস্ত বুলি উগড়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের মনে এক অযৌক্তিক বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। এখন অনেকেই এই গণতান্ত্রিক পাটাতন ‘ডাকসু’ বা ছাত্রসংসদ সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণা পোষণ করেন।
আমাদের অনেকেই মনে করেন যে- ছাত্র রাজণীতি মানেই ছাত্রদল-ছাত্রলীগ-শিবিরের মতো তাদের মূল সংগঠনের তাবেদারি করা, বছরের পর বছর ধরে ‘জ্বী হুজুর- জ্বী হুজুর’ সালাম জপ করা, নেতাদের পায়ের ধুলা মাথায় নিতে নিতে মাথার বুদ্ধিগুলোকে শুকিয়ে কটকটি বানিয়ে ফেলা, বই ফেলে দিয়ে চাপাতি-পিস্তল নিয়ে রাস্তায় মহড়া দেয়া, এরকম আরো অনেক কটূদৃশ্যই চোখের সামনে ভেসে ওঠে- ছাত্ররাজনীতির কথা মনে হলে। কিন্তু এই নোংরামিগুলোর নাম কিন্তু ছাত্র রাজনীতি না। এরা কখনো শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকারের কথা বলে না। কিন্তু ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলে। কিন্তু প্রশাসন বলেই যাচ্ছে- ডাকসু হলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ অস্থিতিশীল হয়ে যাবে। এটা কি তবে ‘রূপকথার জুজুর ভয় দেখিয়ে’ অধিকার বঞ্চিত করার একটি পরিকল্পিত ষঢ়যন্ত্র না?
এবার একটু গভীরভাবে ভেবে দেখুন তো ব্যাপারটা- ছাত্র সংসদ বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে প্রশাসনের এসব ভূয়া বুলি আওড়ানো আসলে একধরণের ধাপ্পাবাজি ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের মুখে কুলুপ এঁটে-আমাদের বিকাশকে থামিয়ে দেয়ার জন্য নির্বাচন বিরোধী এসব প্রোপাগান্ডা একটি ‘প্রশাসনিক ষঢ়যন্ত্র বৈ আর কিছু না।
কোন ছাত্র সংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা কি এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে! নাকি রাজণৈতিক দলগুলোর লেজুর ধরে ঝুলে থাকা সংগঠনগুলোর মনোনীত ব্যক্তিরা এসব করছে! আবারো ভেবে দেখুন, কারণ-ব্যাপারটি খুব গুরুত্বপূর্ন।
ছাত্ররাজনীতির নামে বিশ বছর ধরে এরা যে অপকর্মগুলো করে আসছে সেটাই আমাদের মনে ছাত্ররাজনীতি সম্পর্কে একটা নেতিবাচক ধারণা ঢুকিয়ে দিয়েছে। আসল কথা হলো, ছাত্রসংগঠন নির্বাচনের সাথে এইসব ‘লেজের আগা’ সংগঠনগুলোর মতের মিল হওয়া কিংবা না হওয়াতে কিছুই আসে যায় না। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সাথে এসব সংগঠনের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নাই। কারণ সাধারণ শিক্ষার্থীরাই ঠিক করবে কে তাদের প্রতিনিধি হবে অথবা হবে না। সুতরাং অধিকাংশ শিক্ষার্থী যদি ম্যান্ডেট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন চায় তাহলে প্রশাসন তা দিতে বাধ্য। লেজধরাদের চলমান বিকৃত রাজনীতি আর আমাদের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংসদ যে সম্পূর্ণ আলাদা-তা এখন নিশ্চই আপনার কাছেও পরিস্কার হয়ে গেছে।
এবার দেখুন আমাদের বর্তমান অবস্থাটা কি- আমরা ত্রিশ হাজারের বেশী শিক্ষার্থী অধ্যয়ণ করি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে। অথচ আমাদের মতামত প্রতিফলনের কোন জায়গা নেই এখানে। বিশ বছরের বেশী ধরে আমাদেরকে অন্ধ, বোবা আর পঙ্গু বানানো হচ্ছে। আমরা শুধু দেখেই যাই কিন্তু কিছই বলতে পারি না। কারণ, আমাদের বলার জায়গাটা অচল করে রাখা হয়েছে। আমরা অনেকে আবার জানিই না যে- আমাদেরও বলার অধিকার আছে!
আমাদের বসবাসের জায়গা নাই, রাজণৈতিক দলগুলোর পোষ্য ক্যাডার বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ আমরা প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভূগি। সিট দখলের জন্য গভীর রাতে আমাদেরকে পিটিয়ে রক্তাত্ত করে হল থেকে বের করে দেয়া হয়। আর প্রশাসন তখন কালো চশমা পরে সবকিছু দেখেও না দেখার ভান করে থাকে। আমাদের মেয়েরা যৌণ হয়রানির শিকার হয়, কিন্তু নিপীড়ক লম্পট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয়া হয় না। এভাবে একের পর এক অঘটন ঘটতে ঘটতে ‘অঘটন’ গুলোই এখন খুব সাধারণ ঘটনা হয়ে গেছে প্রশাসনের জন্য।
আমাদের বেতন বাড়ানো হয় একদিনের নোটিশে। আমরা নোটিশবোর্ডে নোটিশ দেখে জানতে পারি আমাদের বেতন বেড়েছে, পরীক্ষার ফি দ্বিগুন করা হয়েছে, ক্লাস করার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকার পর জানতে পারি শিক্ষক মহোদয় ক্লাস বাতিল করেছেন, ক্লাসরুমে আমরা আমাদের শিক্ষকদের সাথে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করি, পরীক্ষার খাতায় পাস-ফেলের হুমকি আর জরিমানার ভয় দেখিয়ে আমাদেরকে বাধ্য গবাদিপশুর মতো গোয়ালের ভিতর ভরানোর চেষ্ঠা করা হয়। আমাদের প্রতিটা সেমিস্টার শুরু হয় ক্লাসরুমে শিক্ষকদের হুংকার শুনে শুনে।
এসব আমরা আর সইতেও পারি না, আবার কারো কাছে বলতেও পারি না। আমরা এখন কোন কিছুই মনে নেই না, শুধু মেনে নেই- আসলে ভুল বলা হলো, মেনেও নেই না- মেনে নিতে বাধ্য হই, আমাদেরকে বাধ্য করা হয় সার্টিফিকেটের ভয় দেখিয়ে। কারণ, আমাদের কথা বলার মতো কোন জায়গা নাই। অতি সুকৌশলে ‘আমাদের অধিকারকে’ আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এখন প্রভূ-দাস সম্পর্কে পরিণত হয়েছে। এখন শিক্ষাকে বিকলাঙ্গ করা হয়েছে, আমাদেরকে এখন শুধুমাত্র হুকুম পালন করা শেখানো হচ্ছে। আমাদেরকে দেয়া হচ্ছে দাসত্বের শিক্ষা। আর আমরাও ছুটছি একজন অভিজাত কেরানী কিংবা জ্ঞানপাপী শিক্ষক হওয়ার জন্যই। সমাজকে আরোর দিকে টেনে নিয়ে যাওয়ার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলছি আমরা।
কিন্তু আমরাতো কেরানী বা দাস হওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি নাই। আমরা সমাজকে নেতৃত্ব দিতে চাই, জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই। এখন আমরা আমাদের অধিকারের কথা বলতে চাই। আমাদের চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপারে মতামত দিতে চাই, বিকশিত ব্যক্তিত্ব্যের মানুষ হিসেব নিজেদেরকে গড়ে তুলতে চাই। আমরা নিজেদের ভোটে প্রতিনিধি নির্বাচন করতে চাই। আমরা চাই-আমাদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠগুলো থেকেই আমাদের জাতীয় নেতৃত্ব গড়ে উঠুক। সবধরণের সহ-শিক্ষা ও সমাজসেবা মূলক কাজে আমাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করে আমরা মানুষের মতো মানুষ হতে চাই। আর এজন্যই আমরা এখন ‘ডাকসু’ সহ সব ধরণের ছাত্রসংসদকে সচল দেখতে চাই।
প্রশাসন ও সরকার যদি সৎ থাকে এবং সমাজের আরেক অদৃশ্য নেতা ‘গণমাধ্যম’ সঠিক ভূমিকা পালন করতে পারে তাহলে সুযোগ্য নেতৃত্বে ছাত্রসংসদগুলোর আর্বিভাবই এখন পারে শিক্ষাঙ্গণগুলোকে সোনার মানুষ তৈরীর কারখানায় পরিণত করতে। তারুণ্যের নেতৃত্বই পারে শিক্ষাকে মুখথুবড়ে পড়া অচলাবস্থা থেকে আবার আলোর পথে নিয়ে যেতে, শিক্ষার্থীদেরকে আবার স্বপ্নমুখী করে তুলতে।
১ম-
২য়-



আপনার এই পোস্টে আগের পোস্টের লিংকগুলো যোগ করে দিন।
ধন্যবাদ, সুপরামর্শ দেয়ার জন্য। করে দিব ।