সেতুবন্ধন-এর ব্লগ
১৬ এপ্রিল ২০১৩ থেকে ভিজিটর

মনোভূবনে অন্ধ কোনে
আলোর মশাল জ্বালব,
এই আলোতে সবার তরে
আন্ধকার দূর করব।
মনোআঙ্গিনায় পুষ্পোদ্যান
সবার তরে গড়ব,
স্নিগ্ধ সুবাস জমিয়ে রেখে
দিতে তোমায় খুঁজব।
রচব আমি সযতনে
ভালোবাসার কাব্য,
কথার মালা গাথব যাহা
সবার তরে শ্রাব্য।
তোমায় আমি কথা দিলেম
হবো না কভু পর,
প্রতিহিংসার অনলে জ্বলে
ভাঙব না তোমার
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৪৭ শব্দ ১টি ছবি
দুটি মনের আলোকবর্তিকা একই বিন্দুতে
কিসের টানে, কেন হল সম্মিলিত?
সুখানুভূতির পেলবতায় মাখামাখি হয়ে
কেন যে হতে চেয়েছিল পুলকিত!
কবিতা
|
|
| ১৫৩ শব্দ
মনের কোনে দুখের ছায়া জেগে উঠেছে ওই,
সেদিন থেকে মা দেখি না,বল না মা কই?
ফুল পাখি আর খুকা-খুকুরা কত সুন্দর হাসে,
সবার সাথে মায়ের আদরে সুখ-বিলাসে ভাসে।
মা বলে ডাকি যখন নানুর চোখে অশ্রু তখন,
কবিতা
|
|
| ৯৫ শব্দ ১টি ছবি
দশ বছরে পা রাখল মারিয়া। আজ তার জন্ম দিন। মা “এমি, তিনি সোনালী চুলের ছোট্ট শিশু মারিয়া’কে পৃথিবীর আলো দেখিয়ে একবার শুধু তার দিকে তাকালেন। মুহূর্তেই নিথর নিস্তব্ধ হয়ে তার মাথাটা এলিয়ে পড়ল বিছানায়। এই
গল্প
|
|
| ১৪৮ শব্দ ১টি ছবি
হতভাগা একটি দেশের কথা
শুনিতে কী তুই চাস!
যাকে জন্ম দিতে মার্তৃভূমির
রচিত হল ইতিহাস।
হাতছানি দিয়ে ডেকেছিলো জাতির
একটি নিটুল স্বপ্নের আশা;
তাতে মিশে মাখামাখি হয়েছিলো
নিপীড়িত জনতার ভালোবাসা।
অধিকারের কথা বলতে গিয়ে
সম্ভ্রম হারালো কত বোন;
জাতীকে মুক্ত করতে গিয়ে সেদিন
ডেলে দিতে হল
কবিতা
|
|
| ১১০ শব্দ
জঠর জ্বালা নিবারণে গিয়েছিলো ওঁরা-
এক মৃত্যুর উপত্যকায়;
বাঁচার হাহাকারে ভারি হয়ে এলো আকাশ-বাতাস
যখন কান পেতে শোনা হয় ওদের বাঁচার মর্মস্পর্শী আর্তনাদ;
অজান্তেই অশ্রুসিক্ত হয়ে উঠে চোখের কোণ।
মানুষ মানুষের জন্য; এ এক অনন্য নিদর্শন
ইচ্ছে হয় বুকের সমস্ত রক্ত ঢেলে দিয়ে হলেও
জীবন
|
|
| ১৪২ শব্দ
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। তবুও বলব- দেশে আর যেন এমনটি দ্বিতীয়বার না ঘটে।
আর এই দুর্দিনে আমাদের ভ্রাতৃত্ববোধ আশা জাগায় মনে-
আমরা করব জয় , আমরা করব জয় ,
আমরা করব জয় নিশ্চয় |
আহা বুকের গভীর, আছে প্রত্যয়
আমরা
জীবন
|
|
| ৭৪৬ শব্দ ১টি ছবি
এইচ এম শরীফ উল্লাহ
সবুজ আঁচলে ঘোমটা জড়ানো,
মায়াবী গাঁ’র কথা;
শুনিবে যদি এসো হে বন্ধু,
থাকি মোরা সেথা।
ছোট্ট এক সবুজ গাঁয়ে,
আমার বসবাস;
কুলকুল রবে নদী চলে,
তারই এক পাশ।
পাল উড়িয়ে চলে নৌকা,
জলে ভাসে হাস;
মাছ ধরেই জেলে
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ১৪৮ শব্দ ৩টি ছবি
কালের নীরব পদচারণায় দিবারাত্রি যেন দু’টো ভাই-বোন;
এক একটা কদম ফেলে আমাদের নিয়ে যাচ্ছে কোন এক সুদূর
অজানায়। এই পরিক্রমায় হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনারা
যেন আমাদের চির সাথি। ওদের ছাড়া জীবনের যেন পূর্ণতা নেই।
আর, আর একটি অমোঘ সত্য যেন আমাদের জন্য অবশ্যম্ভাবী
প্রতীক্ষমাণ। যার সাক্ষাতের জন্য ইচ্ছায় বা
জীবন
|
|
| ৫৪ শব্দ
হৃদয়ের ঘুমন্ত ভালোবাসা জাগরিত করে;
এসো হে নবীন এসো হে প্রবীন একই মঞ্চ ‘পরে।
সব জড়তা আর দৈন্যতা ঝেড়ে ফেলে;
প্রকৃত ভালোবাসার প্রশান্ত আগুনে জ্বলে।
হিংসার অভিশপ্ত দাবানল নগ্ন পায়ে দলে;
ফুলের ভালোবাসার ডালি দাও তুলে।
মার্তৃভূমির বেদনাতুর লাল-সবুজের বুকে,
দেশকে
কবিতা
|
|
| ৫৮ শব্দ ১টি ছবি
নব সাজে এলোরে বৈশাখ
সুখের বাঁশি বাজে নতুন সনে;
অহিংস-রঙে সাজিল এ-মন
আনন্দ-ঢেউ বহে সবার প্রাণে।
পান্তা ভাত আর ইলিশ ভাজা
পহেলা বৈশাখের ভোর বেলা;
বাংলা প্রথায় তারুণ্যের জোয়ার
আনন্দঘন সময়, জমে মেলা।
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ৮১ শব্দ ১টি ছবি
এইচ এম শরীফ উল্লাহ
অনুদিত
********************
একদিন এক দরিদ্র বালক তার স্কুলে যাতায়াতের খরচ উপার্জন করার উদ্দেশ্যে বাড়ি বাড়ি ঘুরে পণ্যদ্রব্য বিক্তি করছিল। এতে সে মাত্র দশ সেন্ট উপার্জন করল।এবং সে খুব ক্ষুধা অনুভব করল।
গল্প
|
|
| ৪০১ শব্দ ১টি ছবি
উৎসর্গঃ বিশ্বের ঐ সকল কন্যা সন্তানদের প্রতি, যাদের জন্ম হবার খবরে তাদের মা-বাবার মুখমন্ডল কালো হয়ে গিয়েছিল।
ধরার বুকে রাত নেমেছে
আঁধারে ঘর কালো;
খুকি আমার জনম নিল
ঘর করিল আলো।
পাড়া পড়শি ভিড় করেছে
সবাই হাসি খুশি;
ছড়া ও পদ্য
|
|
| ১২১ শব্দ ২টি ছবি
সুদূর নীল আকাশ চোখের জল ফেলে
বুঝিয়ে দিলো তার মন আজ ভালো নেই;
তাই ঝরঝর বৃষ্টি’ ফোটায় ভিজিয়ে দিল
পৃথিবীর সবুজ আঁচল। আকাশের অশ্রুজলে
শূণ্য বায়ু হিম হয়ে দূর পাহাড়ে এসে
কবিতা
|
|
| ১৩৯ শব্দ ১টি ছবি
মনকলি! তুমি এক জ্বলন্ত নীহারিকা
তুমি ঝলমলে ভাবের প্রতিমূর্তি
মনোআকাশে তোমার উতকলিকা কে রুখিবে বলো!
তোমার রুদ্র কণ্ঠ কে আছে রোধবার!
তুমি ঝড়, তুমি ঝঞ্ঝা, তুমি অনির্বাণ দীপালোক
তুমি হতে পার চেতনায় অগ্নিকুণ্ড, তুমি তমোঘ্ন
তুমি সদা
কবিতা
|
|
| ৬৮ শব্দ ১টি ছবি