ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সংযম, আত্মশুদ্ধি এবং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত করার উদ্দেশ্যে পবিত্র রমজান মাসের প্রবর্তন। রমজান মাসের প্রকৃত মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ব্লগারস ফোরাম দুঃস্থ অথবা এতিম অথবা কোন দুঃস্থদের নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানকে একদিন ইফতার প্রদান করার ইচ্ছে প্রকাশ করে মতামত আহবান করা হয়েছিল। সম্মানিত ব্লগার এবং ব্লগারস ফোরাম এর উপদেষ্টাবৃন্দ ও সকল সদস্যবৃন্দদের মতামত এর প্রতি সন্মান প্রদর্শনপুর্বক জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১০ই আগষ্ট,২০১২ইং তারিখ ব্লগারস ফোরাম দুঃস্থদের জন্য ইফতার আয়োজন এর দিন ধার্য্য করা হয়েছে।
এই আয়োজনে ব্লগারস ফোরাম এর পক্ষ থেকে দুঃস্থদের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করেছে। উল্লেখ্য যে দুঃস্থদের ইফতারের ব্যয়ভার ফোরাম বহন করবে। একই সাথে আমরা ব্লগারগন উপস্থিত থেকে দুঃস্থদের সাথে ইফতার করে পবিত্র রমজানের ভাব গাম্ভীর্য উপলব্ধি করবো।
ব্লগারস ফোরাম ইফতার আয়োজনে আপনার অংশগ্রহন এই পোষ্টে নিশ্চিত করুন । আয়োজনের চূড়ান্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সম্মানিত ব্লগারবৃন্দের কাছে থেকে ‘উপস্থিতির নিশ্চয়তা’ আশা করছে আপনাদের প্রিয় ব্লগারস ফোরাম। এই আয়োজনে রমজানের ভাব গাম্ভীর্য রক্ষা করে দুঃস্থদের সাথে নিয়ে আমরা নিজেরা ইফতার করবো।
উপস্থিত ব্লগারদের জন্য এই আয়োজনে জনপ্রতি চাঁদা : ২২৫ টাকা।
ইফতার আয়োজনের সময়সুচীঃ
তারিখাঃ ১০ই আগষ্ট ২০১২ইং
সময় : বিকেল ৫ ঘটিকা
স্থানঃ দি এন্টারস রেস্টুরেন্ট
বাংলাদেশ সামরিক যাদুঘর কমপ্লেক্স,
বিজয় সরনি মোড়
বিজয়সরণি, ঢাকা

ব্লগারস ফোরাম এগিয়ে চলেছে সবার ঐকান্তিক ভালোবাসায়। সব মহতী কাজে সবসময় আপ্রাণ চেষ্টায় নিবেদিত ব্লগারস ফোরাম।
সঙ্গে থাকুন। সবাই ভালো থাকুন।
শুভ ব্লগিং।
ধন্যবাদান্তে,
জামান আরশাদ
সভাপতি
বিঃ দ্রঃ- একই সাথে জানানো যাচ্ছে যে, পবিত্র রমজান মাসে দুঃস্থদের সহায়তা করার জন্য কোন সম্মানিত ব্লগার আর্থিক অথবা অন্য কোনভাবে সহযোগিতা করার ইচ্ছে প্রকাশ করলে, ব্লগারস ফোরাম শ্রদ্ধাবনতচিত্তে সে প্রয়াসকে স্বাগত জানাবে।
প্রয়োজনবোধে যোগাযোগ করুনঃ
এ বি এম শিবলী
সাধারণ সম্পাদক
মোবাঃ ০১৭৩৭৫১০৮১৫
![]()



১০ ই জুলাই না আগস্ট ?
কনফিউজড হয়ে গেলাম
১০ই আগষ্ট হবে। ঠিক করা হয়েছে।
তানিম ভাই দেখা হচ্ছে তাহলে।
১০ ই আগস্ট
উপস্থিত থাকবো ইনশাল্লাহ।
উপস্থিত থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করলাম।
আমি অবশ্যই উপস্থিত থাকব তবে আমার চাঁদাটা শুনেছি ইজি রেসিপি দিবেন এবং তিনিও উপস্থিত থাকবেন।
এখন আপনারা শোনা কথা বিশ্বাস করবেন কি না দয়া করে জানাবেন। বিশ্বাস না করলেও আমি ঠিক উপস্থিত থাকব কারন ঐ জায়গার পাশে দিয়েই আমি প্রতিদিন অফিস থেকে বাড়ি ফিরি।
কে দিবেন এটা আপনাদের বিষয়। কারণ ইজি রেসিপি এখনো এখানে এই কথাটি জানানি। এখন আপনার যদি গোপন কথা প্রকাশ্যে বলে দেন তাহলে আর আমরা কি করতে পারি। দুজনকেই পাচ্চি সাথে এটাই বড় কথা।
আমি ইনশাল্লাহ উপস্থিত থাকব। সাথে কে আসবে না আসবে সে তার নিজ দায়িত্বে আসবে তবে সে তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আসবে না ফেলে আসবে তা আপা আপনিই বলে দেন!
একি! ভাইয়া ভাবী কি আজকাল………
সাহাদত ভাই, এই আপনাগো পাইয়া হেতে জানি কেন হইয়া গেছে! আই বুঝতাম হারিয়ের না!
তয় এইডা বুঝি মোল্লার দৌড় মজিদ তামাইত। আইতাম কালে দেখবেন এক সাথে লগ ধইরচে।
উপস্থিত থাকবো ইনশাআল্লাহ
আপনিতো থাকবেন উপস্থিত বুঝলাম কিন্তু আপনার ডাক্তারনী কি আসবে না। সাথে আনাটাই উচিৎ হবে বলে আমি মনে করি।
দেখা যাক আপা, সম্ভাবনা ৯৯%
ওই ১% ইনশাল্লাহ ফিলাপ হয়ে যাবে।
তাহলে আমাদের এই অনুষ্ঠানের এজেন্ডাঃ
১। দুস্থদের জন্য ইফতার বিতরণ।
২। সবাই মিলে ইফতার করা।
৩। এক চোখ দিয়ে শিবলী ভাই এর অর্ধাঙ্গিনী কে দেখা। আর এক চোখ দিয়ে সেদিন দেখব যেদিন নিমন্ত্রণ পাব।
এক চোখ কি বেঁধে রাখবেন নাকি??

আজ আমাদের স্কুল বন্ধুদের ইফতারে যাচ্ছি। আমিই আয়োজন করে থাকি। আমাদের স্কুল বন্ধুদের এই আয়োজন এখন একটা ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বছরে একদিন বিশাল আড্ডা।
সাথে আছি, আমাদের চেষ্টা চলবেই।
আপনারা কোথায় করবেন ইফতারী। ঠিকানাটা লিখে ফেলুন ঝটপট
এত আশা করিয়েন না বইনডি! সাহাদত ভাই কোন কালেই ঠিকানা কইবে না!

হা হা হা…।। কমলাপুরের কাছে একটা মিনি চাইনিজ হোটেলে ছিল সেটা।
খাবার ভাল লাগে নাই…।
সরি, কমেন্টের রিপ্লাই সময় মত দিতে পারি নাই। নীল ভাই, আমার স্কুল বন্ধুদের দেখুন। আড্ডা ছাড়া কিছু বুঝে না!

সাহাদত ভাই আপনাকে দেখলে এবং আপনার কথাবার্তা শুনে দারুণ হিংসে হয়। আপনি কি আনন্দ করে স্কুলের বন্ধুদের নিয়ে ঢাকা শহরে আড্ডা দিচ্ছেন।
আর আমি? কে কোথায় হারিয়ে গেছে কিছুই জানি না। শুধু কলেজের এক বন্ধু আর স্কুলের দুই বন্ধু এরাই ঢাকায় আছে। তাদের সাথে অবশ্য নিয়মিত আলাপ হয় কিন্তু এমন স্বপ্নিল আড্ডা আর হয়ে উঠে না।
এক জায়গায় অনেকদিন ধরে থাকার ফলাফল এটা। আর মোবাইল আমাদের এই সাহায্য করে দিচ্ছে। মগ বাজার দিলু রোড়ে আমার এমন আরো অনেক বন্ধু আছে। আমি বরাবরি আড্ডার উপর ছিলাম! এখনো আছি…
আমাদের আড্ডা চলবেই।
হলো না, এই মহতী আয়োজনের সাথে থাকা হলো না! নাতি-নাতনির সাথে ঢাকা ছাড়তে হচ্ছে আগের দিনই, মানে ৯ আগস্ট সকালে – অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করা হয়ে গেছে। কাজেই থাকবার আর উপায় নেই।
দাদার দাদাকে দেখার ইচ্ছে আপাতত বৃথা তাহলে
?
স্যড নিউজ…। এত তাড়াতাড়ী বাড়ী চলে যাচ্ছেন।
বারি যাইতাছেন নাকি পলাইতাছেন ভাইসাব? নাতি আমাগো এক দিন হইব মনে রাইখেন! সেই সময় দেখা যাইবে কিডা
কার হুদা ভাই আর নীল ভাই!
ঈদে চান্দে আমার বাড়ী যেতে ইচ্ছা হয়। বাবার কবর যোয়ারত, পুকুরের সাঁতারের কথা মনে হলে আর টিকতে পারি না!
গাড়ী ভাড়া যা বেড়েছে!
খুব ভাল লাগল খবরটি জেনে
ভাল লাগছে বুঝলাম ভাল কথা কিন্তু আপনে কি আসতে চান? মানে অনুষ্ঠানে যোগদান করতে আগ্রহী?

যদি তাই হয় তাহলে আমার কাছে গুলিস্তান-গাবতলী BRTC এর একটা টিকেট আছে পাঠাইয়া দেই? সেদিন নিছিলাম কিন্তু বেজায় ভীড় বলে উঠতে পারিনি শ পরে টিকেট খানা পকেটে নিয়ে একটা CNG নিয়ে গিয়েছিলাম!!
এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। দুঃস্থদের জন্য এই সাহায্যের প্রয়াস যেন সর্বদা চলতে থাকে।
উপস্থিত নিশ্চিত করলাম পরিবার সহ।
আশা করা যাচ্ছে । বউ বাচ্ছা সহ।
বউটাতো আপনার জানি এই বাচ্চাটা আবার কার??
আমি উপস্থিত থাকবার আশা পোষণ করি। মহান আল্লাহ যেনো সহায় হন।
ঐশীও সাথে থাকবে।
আঙ্কেল দেখা হচ্ছে তাহলে আপনাদের সাথে ইফতার আয়োজনে
আল্লাহ চাহেন তো দেখা হবে আঙ্কেল। ভালো থাকুন এই দুয়া করি।
আল্লাহ যদি সহায় হয়, উপস্হিত থাকবার আশা করছি,,,,,,,,,,,,,,
আশা আবার কি! আপনি আসছেন অবশ্যই
যে বিষয় গুলাতে এখন প্রস্তুতি নেয়া দারকার:
1,দুস্তদের কালেকশন কিভাবে করা হবে?
2, দুস্তদের অনুমানিক সংখ্যা কত হবে?
3,আমাদের কাউকে কোন কিছু তৈরী করে নিতে হবে কিনা? আমি চাইছি 2 কেজি ছোলা রান্না করে নিয়ে যেতে।
পরের গুলা মনে পড়লে বলবো।
এরশাদ ভাই কোন কিছু আপনাকে আনতে হবে না। কারণ ওই রেষ্টুরেন্টের খাবারের মান অনেক ভাল এবং হাইজেনিক। বউ আর বাচ্চাকে নিয়ে আসুন শুধু।
আর দুস্থদের কি করবে ফোরামের যে এই দায়িত্বে আছেন উনি ভাল বলতে পারবেন।
এই রেস্টুরেন্ট এর খুঁজ আমিই দিয়েছিলাম দেশবাসীকে প্রথম, কারণ আফিস ফাঁকি দিয়ে কয়েকবার ঐখানে খেয়েছিলাম রেস্টুরেন্টটা যখন প্রথম শুরু করে। দুস্তদের নিয়ে আমি বেশ চিন্তায় আছি ঐ খানে ঐ জায়গায় দুস্তদের পাওয়া যাবে কিনা।
ও তাইতো এই রেস্টুরেন্টের খোজ আপনি দিয়েছিলেন তারপরেও মনে হচ্চে একটু হাইজেনিক নিয়ে টেনশিত আছেন। আরে ভাই এতো হাইজেনিক হইলে কি হয়। মাঝে মাঝে একটু আনহাইজেনিক থাকলে ক্ষতি কি। কেন ২১শে ফেবুয়ারীতে যে সবাই মিলে রাস্তার বুট মাখানো খেয়েছিলাম আল্লাহর রহমতে সবাই সুস্থ ছিলাম।

কষ্ট করে খাবার দাবার নিয়ে আইসেন না। বেশী খাওয়াইতে মন চাইলে আপনার বাসায় সবাইরে দাওয়াত দেন গিয়ে খেয়ে আসবো।
শুভ হোক আয়োজন।
ইনশাআল্লাহ উপস্থিত থাকবো। দেখা হবে সবার সাথে।
ওয়াও…।।
সাহাদাত ভাই আমিও সহমত আপনার সাথে
আয়োজন সফল হোক । শুভকামনা সবার জন্য
এই মহতি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসবো ইনশাল্লাহ। আমার সংগে একজন অতিথি যোগ দেবার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। আয়োজন সফল হবে আশা করি। শুভ কামনা রইলো।
ইনশাল্লাহ দেখা হচ্ছে আয়োজনে আপনাদের সাথে
সুস্থ থাকলে আমি ও যোগ দেয়ার আশায় রইলাম…………………