
সকল সম্মানিত ব্লগার এবং ব্লগারস ফোরাম এর উপদেষ্টাবৃন্দ ও সকল সদস্যবৃন্দ। সবাইকে পবিত্র রমজান মাসের শুভেচ্ছা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সংযম, আত্মশুদ্ধি এবং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত করার উদ্দেশ্যে পবিত্র রমজান মাসের প্রবর্তন। রমজান মাসের প্রকৃত মর্মবাণী হৃদয়ে ধারণ করে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ব্লগারস ফোরাম দুঃস্থ অথবা এতিম অথবা কোন দুঃস্থদের নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানকে একদিন ইফতার প্রদান করার ইচ্ছে প্রকাশ করছে। এই মহতী উদ্যোগ কিভাবে সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়, তা নিয়ে ব্লগারস ফোরাম সকলের কাছে মতামত আহবান করছে। এরকম কোণ প্রতিষ্ঠান অথবা দুঃস্থ অথবা এতিমদের কোন সংবাদ অথবা যোগাযোগের নম্বর আপনারা চাইলে দিতে পারেন এই পোষ্ট এ আপনাদের জানা মতে।
এছাড়াও ব্লগারস ফোরাম তার সম্মানিত উপদেষ্টা, কার্যকরী কমিটি এবং সাধারণ সদস্যদের নিয়ে একটি ইফতার পার্টি এর আয়োজন করবে। সে ব্যাপারেও কারও কোণ উপদেশ অথবা মতামত থাকলে, এই পোষ্ট এ তা ব্যক্ত করলে ব্লগারস ফোরাম এর আগামী কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে বলে বিশ্বাস করি আমরা।
ব্লগারস ফোরাম এগিয়ে চলেছে সবার ঐকান্তিক ভালোবাসায়। সব মহতী কাজে সবসময় আপ্রাণ চেষ্টায় নিবেদিত ব্লগারস ফোরাম।
সঙ্গে থাকুন। সবাই ভালো থাকুন।
শুভ ব্লগিং।
ধন্যবাদান্তে,
এ বি এম শিবলী,
সাধারণ সম্পাদক,
ব্লগারস ফোরাম



সার্বিক সফলতা কামনা করি। পাশে আছি, আপাতত এ কথাটা জানিয়ে গেলাম।
ধন্যবাদ। আপনার কোণ পরামর্শ থাকলে জানাবেন আশা করি আমরা।
গতবার আমরা এতিমদের সাথে করেছিলাম এবার দু:স্থদের সাথে করা যেতে পারে। আর ব্লগারদের সবার সাথে ইফতার সুন্দর একটি পরিবেশ সম্পন্ন রেষ্টুরেন্ট এ করা যেতে পারে।
আপনার প্রস্তাবনার জন্য ধন্যবাদ।
বিষণ্নময়ীর প্রস্তাবের সাথে একমত। এ উদ্যোগের সাথে আছি এবং সাফল্য কামনা করছি।
ধন্যবাদ।
অবশ্যই আয়োজন সফল হোক বরাবরের মতন এই শুভ কামনা। এ ব্যাপারে সবার মতামত চেয়েছে ব্লগারস ফোরাম। যা বেশ আশাব্যঞ্জক অবশ্যই। ধন্যবাদ ।
দুঃস্থ অথবা এমন কোণ প্রতিষ্ঠান যারা দুঃস্থদের নিয়ে কাজ করছে। তাদের সাথে ইফতার আয়োজন করলে মনে হয় ভালো হয়।
আর ব্লগারগনের সাথে ইফতার আয়োজন, সবাই যা বলে আমিও তাই বলি।
সাথেই আছি।
ধন্যবাদ ।
আন্তরিক ভাবে প্রার্থনা করি
আয়োজনের সফলতার জন্য।
সকলের মতামতই আমার মতামত। স্থান তারিখ টা জানার পর উপস্থিতি নিশ্চিত করবো।
তবে হ্যাঁ একটা প্রস্তাব রাখছি – সকলের আগ্রহ থাকলে ইফতারের আগে
আমরা প্রার্থনায় নিমগ্ন হতে পারি
এটি অত্যান্ত উপভোগ্য!
সুন্দর প্রস্তাব। এ ব্যাপারে আপনার প্রস্তুতির সহায়তার জন্য ফোরামের পক্ষ থেকে কোণ প্রস্তুতির দরকার আছে কি?
ধন্যবাদ।
আমি প্রবাসে থাকি তাই একান্ত ইচ্ছা থাকলেও আপনাদের কোন আয়োজনে অংশ গ্রহন করতে পারছি না তাই খুব খারাপ লাগছে।আমি এই ব্লগে একজন নতুন ব্লগার কিন্তু অল্প সময়েই এই ব্লগ ও ব্লগারদের অনেক আপন করে নিয়েছি।হৃদয়ের গভীরে স্থান করে দিয়েছি। আমি আপনাদের আয়োজনের সফলতা কামনা করছি।
প্রবাসে থাকলেও আপনি আমাদের সাথে সবসময়ই আছেন জেনে ব্লগারস ফোরাম আনন্দিত।
ধন্যবাদ
সাথে আছি। এবারের ইফতারের সময় বলতে গেলে পুরাই ফ্রি আছি। যেখানে বলেন সেখানেই যেতে পারব…
আপনার কোণ প্রস্তাবনা থাকলে প্রকাশ করলে ভালো হয়। কোন নতুন পরিকল্পনা অথবা কিভাবে করলে ভালো হয়।
ধন্যবাদ
আমি সাথেই আছি। আপনারা যা বলবেন, আমি তা করব এবং শুনব।
একটি সুন্দর আয়োজন হউক,,,,,,,,,,,,সাফল্য কামনায় সাথে আছি
ধন্যবাদ
ব্লগার এবং ব্লগারস ফোরাম পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে এগিয়ে যান। এ মাস, মহিমান্বিত মাস ও বড়ই কল্যাণময়। কাজেই ফোরাম সদাই সামনে এগুবে এটাই আমার অন্তরের একান্ত চাওয়া এবং পাওয়া। আর দেরি নয়, যাঁরা সামনে আছেন তাঁরা সামনে এগিয়ে চলুন। ঘোষণার অপেক্ষায় রইলাম। আল্লাহ যেনো সহায় হন এই দুয়া করি।
ড. দাউদ-
তবে হ্যাঁ একটা প্রস্তাব রাখছি – সকলের আগ্রহ থাকলে ইফতারের আগে
আমরা প্রার্থনায় নিমগ্ন হতে পারি
এটি অত্যান্ত উপভোগ্য!
এটা অবশ্য করণীয়।
বিষন্নময়ী-
তোমার প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করি।
সকলের প্রতি সালাম রইলো।
আপনার মন্ত্যব্য ব্লগারস ফোরামকে আরও প্রানবন্ত করে সবসময়।আলোচ্য ব্যাপারে সুর্নিদিষ্ট প্রস্তাব অথবা ঘোষনা আসবে খুব শিগ্রী সবার মতামত জানানোর পর তা পর্যালোচনা করে।
ধন্যবাদ।
একই দিনে আমরা ইফতার করতে পারি।
দুস্তরা রোজা কম রাখে। তাই রোজাদার দুস্ত খুঁজে নিতে হবে। এরশাদ ভাই এই দায়িত্ব আপনি নিলে ভালো হয়। আমিও সহযোগিতা করবো।
1।দোকান থেকে আনহাইজিনিক কোন কিছু কিনে দুস্তদের খাওয়ানোর চেয়ে মনে হয় টাকা দেয়াই শ্রেয়।অথবা ছোলাটা আমি তৈরী করে দিতে পারবো।
এতিম খানা গুলা অনেক প্রতিষ্টানের ইফতারি এবং সাহায্য পায় কিন্তু পথ শিশু, দুস্তরা এ সব কিছু পায় না।তাই দুস্তদেরকে দিতে পারলে ভালো হয়, কিন্তু দুস্তদের ঠিকানা জানা নেই।
2,দুস্তদের ইফতারী(টাকা অথবা ইফতার বিতরণ) এবং আমাদের ইফতারী একই দিনে করলে ভালো হবে।
আপনার সুন্দর প্রস্তাবনা দুটির জন্য ধন্যবাদ। হ্যা আনহাইজিনিক কোণ কিছু খাওয়ানো হবে না এ ব্যাপারে আশ্বস্থ করতে পারি আমরা সবাই অবশ্যই।
ধন্যবাদ
এরশাদ ভাই আমিও ভেবেছিলাম আমাদের আর দুস্থদের ইফতারী একই দিনে করার কিন্তু পরে মনে হলো এতো জনকে সেখানে নিয়ে আসা এবং তাদের আগের ঠিকানায় রেখে আসাটা কষ্টকর হয়ে যাবে। তবে একই দিনে একই সাথে সবাই মিলে এমন একজায়গায় ইফতারী করা যেতে পারে যা হাইজানিকও হবে এবং সবাই এক সাথেই খাওয়া হবে।
এখন সময় এবং এ্যারেন্জমেন্টের বিষয়ে ফোরামের উপর ছেড়ে দিয়েছি কারণ ব্যবস্থা তাদের করতে হবে এবং তা যেনো সুন্দর এবং ভালভাবে হয় তার জন্য সার্বিক সহযোগীতা থাকবে আমাদের।
দুস্তরা রোজা কম রাখে। তাই রোজাদার দুস্ত খুঁজে নিতে হবে।
এরশাদ ভাই ওরা তো খেতেই পায় না রোজা আর রাখবে কি করে। তবে এই রোজাদার খুজে বের করা কষ্টকর। তার চেয়ে কি এই ভাল নয় তারা একবেলা ভাল করে খেলো সেটা রোজার উসিলায়ই হোক না কেনো। এটা আমার নিজস্ব মতামত। তবে যদি আমরা রোজাদারদের ইফতার করাতে পারি সেটা বেশী ভাল হয়।
আমার মনে হয় সময় এবং জায়গা নির্ধারণ করা উচিৎ। ফোরামের সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় আছি।
একটি প্রস্তাবঃ সামরিক যাদু ঘরের পাশে যে রেস্টুরেন্টে এর আগে সভা হয়েছিল ওখানে বেশ খোলা জায়গা আছে। দুস্থদের সাথে সবাই একত্রে ওখানে ইফতার করা যেতে পারে। সহমত
আমিও ওই জায়গার পক্ষে। জায়গাটা খোলামেলা এবং অনেককে নিয়ে বসার উপযোগী। এখন শুধু খরচ বুঝে জায়গা নির্বাচন করতে হবে।
খুব ভালো আয়োজন। আল্লাহ রহমতে এ আয়োজন সফল হোক এই কামনা সতত। আর একজন ব্লগার হিসাবে যদি কিছু করার থাকে তা করার ঐকান্তিক ইচ্ছা রইল।
শুভকামনা আবারও।
ধন্যবাদ। আপনার ঐকান্তিক ইচ্ছে প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে ব্লগারস ফোরাম।
selection kivabe hobe thik hoyeche?
সবার মতামত নেয়ার পর সিদ্ধান্ত আসবে। তবে আপনাকে মিস করবো আমরা। গতবার তো আপনি ছিলেন বাংলাদেশে, ফোরাম এর আয়োজনের সাথেই।
ধন্যবাদ।
একমত পোষণ করলাম।
ধন্যবাদ .
আয়োজনের সাফল্য কামনা করছি। শুঅকামনা ব্লগারস ফোরাম।
আপনার কোণ প্রস্তাবনা থাকলে আশা করি জানাবেন। ধন্যবাদ
ভাল উদ্যোগ। সফলতা কামনা করছি। আর জানিয়ে রাখি যে, সাথেই আছি।
ধন্যবাদ ।
সর্বান্তকরণে সফলতা কামনা করি।
একটি প্রস্তাবঃ সামরিক যাদু ঘরের পাশে যে রেস্টুরেন্টে এর আগে সভা হয়েছিল ওখানে বেশ খোলা জায়গা আছে। দুস্থদের সাথে সবাই একত্রে ওখানে ইফতার করা যেতে পারে।
ভাবী জায়গাটা নি:সন্দেহে ভাল তবে ওখানে খরচাটা অনেক বেশী হবে বোধ হয় ।দেখা যাক ফোরামের কি স্বিদ্ধান্ত হয়।
দুজনকেই ধন্যবাদ প্রস্তাবনার জন্য।
আ,শ,ম,এরশাদ এবং ইজি রেসিপির সাথে আমিও একাত্মতা ঘোষনা করে কমিটির নিকট বিবেচনার সুপারিশ জানালাম।
ধন্যবাদ..
যাই হোক না কেন দুইটা ইফতারি একদিনে হইলেই ভাল হয়।
ধন্যবাদ ।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকেও
সফলতা কামনা করি।
ধন্যবাদ। সাথেই আছেন সবসময়, এই কামনা।
আগামী সপ্তাহের দিকে একটা ডেট ফিক্সড করে ফেলুন।
উদরাজী ভাই আপতত ১০তারিখ প্রাথমিক ভাবে ঠিক করা হচ্ছে। এখনো শিউর নই।
আপা, একটা নেক কথা বলি। বিশেষ করে উদরাজি ভাই যখন আছে তখন আর না বলে পারলাম না। কথাটা হলঃ খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে বিলম্ব সহ্য করা অনুচিত। তাছাড়া রোজার শেষের দিকে সবাই ক্লান্ত শ্রান্ত থাকে আর অনেকেরই পারিবারিক বা সামাজিক কিছু দায়িত্ব এসে যায় (এটাও একটা সামাজিক/পারিবারিক অনুষ্ঠান) বলে আমার মনে হয় ১০ ই আগস্ট ফাইনাল করে ফেলুন।
ক) কত জন হতে পারে তা কি অনুমান করা হয়েছে?
খ) মেনু কি হবে ঠিক করেছেন?
গ) সব মিলিয়ে মোটামুটি ১০০ জনে হবে?
গত রাতে আমরা একটু ভেবেছিঃ
১। পিয়াজু
২। ছোলা (আ,শ,ম,এরশাদ : ২৯-০৭-২০১২ | ১৪:৪৩ অথবা ছোলাটা আমি তৈরী করে দিতে পারবো।)
৩। বেগুনি
৪। আলুর চপ
৫। হালিম (ইজি রেসিপি নিয়ে আসবেন। তিনি আপন এবং স্বহস্তে বানাবেন, পরিবেশনে সমস্যা মনে হলে ইজি রেসিপি আলুর চপ ওরফে নার্গিস আনতে পারেন)
৬। মুড়ি
৭। খেজুর
৮। জিলাপি (আমার জন্য প্রয়োজন নেই)
৯। আপেল
১০। কলা
১১। পানি
১২। আমন্ত্রিত দুস্থদের জন্য একটা করে আইসক্রিম
১৩। হালিম পরিবেশনের জন্য ডিসপোজেবল পেয়ালা এবং চামচ। (আমি জানিনা এখানে পাওয়া যায় কি না)
পিঁয়াজু, চপ আর বেগুনিও যদি এমন করে কেউ আনতে পারে তাহলে আমাদের খরচ অনেক সাশ্রয়ী হবে এবং সে ক্ষেত্রে আমরা চন্দ্রিমা উদ্যানে (ঢাকার অনেক জায়গা আমার অচেনা) বসেও সেরে ফেলতে পারি।
কেউ যদি ইচ্ছা করেন তাহলে এর চেয়ে বেশি কিছু প্রস্তাব করতে পারেন কিন্তু যদি কেউ কমাবার কথা বলেন তাহলে হুলস্থুল কান্ড হয়ে যাবে আগেই বলে দিলাম।
নীল দা আপনার প্রস্তবনা ভাল। তবে এখানে অনেক কথা বলা যায়। ইফতারের আয়োজন সব সময়ই আলাদা হয়। আমাদের দুটো উদ্দেশ্য এক দুস্থদের সাথে ইফতার আর সবাই মিলে আবার দেখা সাক্ষাত। এই জন্যই এমন একটি জায়গা বেছে নেয়া যেখানে ইফতারের পরেও কিছুটা সময় সব ব্লগারদের হালকা আলাপচারিতা। কিন্তু যখন আপনি ওপেন জায়গা বা রমনায় যাবেন ওখানে সন্ধা নামার সাথে সাথে অন্ধকার ঘিড়ে ফেলে যা আমরা দেখেছি ১লা বৈশাখে। ইফতারের পরে বেশী ক্ষন বসা যাবে না। আর ওই জায়গায় নির্দিস্ট দুস্থদের মাঝে খাবার দেয়া খুবই টাফ। কারণ ওটা ওপেন স্পেস আর আপনি কয়জনকে দিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারবেন। এতে করে গ্যাঞ্জাম লাগার চান্স অনেক বেশী। আর আপনারা আমরা সবাই যাবো একটু সুন্দর মুহুর্ত কাটাতে আপনি আমি বা এরশাদ ভাই কেনো রান্না বান্না করে নিয়ে যাবো এটা শুধু কষ্টকর নয় সময়ও নষ্ট করবে। সারা মাসতো বাসায় এই ইফতারটাই করেন ভাবীর হাতের টা আপনি আমার হাতের টা জামান বা এরশাদ ভাবীর টা এরশাদ ভাই তো একই খাবার ই তো খাচ্ছেন সেদিন ও। তারচেয়ে একদিন অন্যের রান্না খাই। আর রিলেক্সভাবে সবাই থাকি। আর খরচ একদিন না হয় একটু বেশী করলাম সবাই। এখন দেখা যাক ফোরামের অন্যরা কি বলেন।
তবে ১০তারিখের পক্ষে আমরা সবাই। কারণ এর পরে ছুটি শুরু হয়ে যাবে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই সুন্দর একটা জায়গায় সবাই মিলে ইফতার করবো।
ঠিক কথা। খোলা জায়গার এই সমস্যার কথা আমদের কারো মাথায় আসেনি কেন বুঝতে পারছি না। এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দেয়া হল। আর একটা কথাও ঠিক সবাই এক দিন রিল্যাক্স করে ইফতার করা এটাও ভাল কথা। হোক একটু বেশি খরচ! মন্দ না। ইফতার করেই তো আর চলে আসা যাবে না! একটু আড্ডা ইত্যাদি না হলে স্মরনীয় হবেই বা কি করে?
ঠিক আছে।
এবার নেক্সট অপিনিয়ন প্লিজ!!!!
নীল দা নেক্সট সব কিছু দুই একদিনে পোষ্ট আকারে চলে আসবে। তবে ভাল কোথাও করার ইচ্ছা আছে আমাদের সবার। বাকীটা ফোরামের লোকজন জানে।
এক্টু অন্য রকম ইফতার হলে কেমন হয়?
আছরের নামাজের পর রোজা নামজ যাকাত নিয়ে আলোচনা
তারপর প্রার্থনা
খেজুর আর পানি দিয়ে ইফতার
তারপর মাগরিবের নামাজ
নামাজের পর রাতের খাবার (হতে পারে বিরিয়ানী, অথবা সাদা ভাত)ও সামান্য ফল।
করেই দেখুন
একবার করলে পরের বার থেকে আর ভিন্ন প্রদ্ধতি ভালো লাগবেনা
আসলে ইফতারের নামে গুরুপাক খাবার কিংবা ভুরিভোঁজ না করাই ভালো
সংযমের মাস
সংযম শিক্ষাই জরুরী
আমার সাথে এক মত হতে হবে এমন না
এটি শুধু প্রস্তাব
দাউদ ভাই সারাদিন রোজা রেখে এতোটা সময় বাইরে দিতে রাজি নই। কারণ নামাজ কাজা হয়ে যাবে । আর রোজার পরেই এতো ভারী খাবার খেতে কষ্টই হয়। আর শুধু তো আমরা নই আমাদের সাথে দুস্থরাও থাকবে। সবার কথা ভেবে ইফতারটার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকি এটাই কি ভাল হয় না।
এই খানে স্বজনপ্রীতি করতে পারলাম না। আমি বিন্নি আপাকে সমর্থন করিলাম। যাহা বলিয়াছি সত্য বলিয়াছি, কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক।
বাহ ইফতারের মিলন মেলা নিয়ে বেশ গরম আলোচনায় ঢুকে পড়লাম দেখি!!!!
যেহেতু আমি থাকি দেশের বাইরে তাই আর এই আলোচনায় না থাকি, তবে জায়গা নির্বাচনে যদি আপনারা যদি সবাই লন্ডন চলে আসতেন তবে আমিও একসাথে একটু ইফতার করতে পারতুম হু <img src="” alt=”" />
আপনি সবার জন্য এয়ার টিকেট পাঠিয়ে দিলে আমরা সবাই না হয় লন্ডনে চলে আসতাম ইফতারও করা হতো সাথে অলিম্পিক গেমস ও দেখা হতো।
ও দিদি, আমিও তাই কতি চাচ্ছিলাম। যাক ভাল হইয়েছে আপনিই আগে কইয়ে দিলেন। তয় একটা কতা না কই পারছি না, সেটা অচ্ছে ইস্ট লন্ডনে এই যেমন হোয়াইট চ্যেপেল, স্টপনি গ্রিন, মাইলএন্ড থেকে পপলার পর্যন্ত হলি কিন্তু আমি নেই!
নীল ভাই আমরা সবাই জানি আপনি ওই সব এলাকায় থাইকা আসচেন তাই নতুন কইরা আর নাই বা কইলেন
। তয় আমরাতো কুনখানেই যাই নাই তাই নাদিয়া যেখানে কইবো হেই খানেই আমরা যাইতাম চাই।