
পূর্ব ঘোষণা অনুসারে ২০জুন সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালকের কক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শব্দতরীর তৃতীয় বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন হয়ে গেলো। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লগারস ফোরামের সভাপতি সহ ফোরামের আরো কয়েকজন সম্মানিত ব্লগার।
অনুষ্ঠানটি মূখ্যত অনেক আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। আপনারা অবগত আছেন অমর একুশে গ্রন্থমেলা চলাকালীন সময়ে শব্দনীড় ব্লগ থেকে বইমেলা প্রাঙ্গণে আলাদা ভাবে ব্লগ প্রাঙ্গণ তৈরীর দাবী উঠেছিল। সে সময়ই ব্লগারদের একমাত্র সংগঠন ‘ব্লগারস ফোরাম’ এই দাবীর প্রতি তার অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছিল। ফোরামের সভায় নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয় যে মেলা পরবর্তী সময়ে ব্লগ প্রাঙ্গণের দাবী বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ ভাবে উত্থাপন করা হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে গতকালের বৈঠকে ব্লগারস ফোরাম সভাপতি সাক্ষরিত একটি দাবী নামা বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক বরাবর পেশ করা হয়। আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে মহাপরিচালক মহোদয় বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
বৈঠকে সবচেয়ে ভালোলাগার মত যে বিষয়টি ছিল তা হলো- ব্লগ, ব্লগার, ব্লগারস ফোরাম এবং শব্দতরী সম্পর্কে মহাপরিচালক মহোদয়ের সচেতনতা। মূলধারার সাহিত্য তথা প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য মাধ্যমের সাথে ব্লগ এবং অন্তর্জাল লেখিয়েদের সম্পৃক্ততার যে প্রয়াস থেকে আমাদের সাহিত্যপত্র শব্দতরী প্রকাশিত হয় সে সম্পর্কে বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষের জানাশোনা আমাদের ভীষনভাবে উৎসাহিত করেছে।
অনুষ্ঠানে এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ব্লগারস ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত ছয়টি বইও মহাপরিচালক মহোদয়কে উপহার দেয়া হয়। তিনি শব্দতরীর এবং ফোরাম প্রকাশিত বই এর প্রচ্ছদ, ছাপা এবং গুনগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই সাথে ফোরামের এ ধরনের সব প্রচেষ্টাকে সাধ্যানুযায়ী পৃষ্ঠপোষকতা করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।



শব্দতরীর লাগলো পালে হাওয়া
শব্দতরীর জন্য এ গান গাওয়া
শব্দতরীর শব্দটুকু নিয়ে
শব্দতরী চলুক উজান বেয়ে
ধন্যবাদ
এই অনুষ্ঠান ও যোগসূত্র অনেক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে। শব্দতরীর সকল কলাকূশলীদের অভিনন্দন জানাই।
ফোরাম এবং শব্দতরীর সাথে থাকুন।
শব্দনীড় হোক আপনার নীড়
ধন্যবাদ ফোরামকে সুন্দর উদ্যোগের জন্য। দ্বিতীয় সংথ্যা নেটে/ব্লগে কবে নাগাদ পাবো? ২০১৩ এর বই মেলাতে কি শব্দনীড় ব্লগারদের লেখা থেকে বই প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয়া হবে? যদি হয় তাহলে তা কিভাবে নির্বাচিত হবে। উক্ত ব্লগ থেকে বাছাই করে, না কি আলাদা ভাবে লেখা আহ্ববান করা হবে।
জ্বি, ২০১৩ এর বই মেলাতে শব্দনীড় ব্লগারদের লেখা থেকে বই প্রকাশ করার পরিকল্পনা আছে। যথাসময়ে এ ব্যাপারে অবগত করা হবে আশা করি।
ধন্যবাদ
একটি উটকো ঝামেলার কারনে এই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে যেতে পারি নি।
ফোরামের উত্তোরত্তোর সফলতা কমনা করি।
শব্দতরীর এই সংখ্যাটি এখনো পাই নি। শ্রীঘ্রই জোগার করে নিব।
শুভ কামনা সব সময়।
“শব্দতরী” এর মোড়ক উন্মোচন এর অনুষ্ঠান বড় পরিসরে করার ইচ্ছে ছিল ব্লগারস ফোরাম কতৃক। কিন্তু মাননীয় মহাপরিচালক এর বিদেশ এ গমন এর শিডিউল হঠাৎ হয়ে যাওয়ার কারনে মহাপরিচালক কতৃক দেয় নতুন করে নির্ধারিত সময়ে উনার দপ্তরেই অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সে সময় অমর একুশে গ্রন্থমেলায় “ব্লগ প্রাঙ্গন” এর দাবী সম্বলিত নিয়ম মাফিক গঠনমুলকভাবে ফোরাম কতৃক একটি আবেদন পত্র বাংলা একাডেমি বরাবর পেশ করা হয় মহাপরিচালক মহোদয় এর হাতে। উনি বেশ গুরুত্ব সহকারে সার্বিক বিষয়গুলো ফোরাম এর সাথে বেশ গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করেন।
অনেক আশাব্যাঞ্জক সংবাদ অবশ্যই ব্লগারস ফোরাম, শব্দতরী, শব্দনীড় এর জন্য বাংলা একাডেমির মাননীয় মহাপরিচালক মহোদয় এর সাথে সাক্ষাত।
ধন্যবাদ ব্লগারস ফোরাম
আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ সংশ্লিষ্ট সবাইকে । এগিয়ে যাক ফোরাম আপন গতিতে
সাথে থাকুন
আমার মত ক্ষুদ্র অনুল্লেখযোগ্য মানুষের/ব্লগারের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা রইল শব্দতরীর জন্য এবং শব্দতরীর সাফল্য কামনা করছি।
ব্লগার্স ফওরামের উদ্যোগটি নি:সন্দেহে প্রশংসনীয়।
ফোরামের সাথে থাকুন সর্বদা
জয়তু শব্দতরী,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

জয়তু
চমৎকার…। এত কম সময়ের নোটিশে বের হওয়া মুস্কিল।।
সাফল্য কামনা করছি। সাথে আছি…
দুঃখিত যে দ্রুত সব ঘটে গিয়েছিল।
ব্যাপার না, শব্দনীড় এগিয়ে চলুক। আমরা সাথে আছি।
ব্লগারদের লেখা সাহিত্যের মূলধারায় প্রবাহিত হতে শুরু করেছে যার একটি খরস্রোত শব্দতরী এবং বইমেলায় ব্লগারাস ফোরাম প্রকাশিত গ্রন্থ সমূহ ।
ব্লগারস ফোরাম ও শব্দতরীর জন্য শুভ কামনা সব সময়।
আমার একটা আপত্তির কথা জানাই এখানে, যেহেতু ফোরাম প্রকাশনার সঙ্গে জড়িত, সে হিসেবে প্রায় অর্ধ বৎসর সমাগত, কিন্তু ব্লগারস ফোরাম কোনো উদ্যোগ নেন নাই তাদের প্রকাশনা সমূহর প্রতি আলোকপাত করার কাজে। এমন কি কোনো পর্যালোচনাও আমরা পাইনাই এ পর্যন্ত- যা ফোরামের দায়ীত্ব বলে মনে করেছিলাম।
জুলিয়ান ভাই,
আমি আপনার সাথে একমত। এটা হওয়া উচিত ছিলো। আমি নিজে বি এর রিভিয় করতে পারি না বিধায় নিজে করিনি কিন্তু যারা পারেন তারা এগিয়ে এলে ভালো হয়। আপনিও তার মধ্যে একজন।
ফোরাম এর আগামী মিটিং এ আমি এ নিয়ে কথা বলবো।
আর আগামী বই মেলায় ফোরাম কাদের বই প্রকাশ করবে তার একটা পরিকল্পনা এখন থেকেই ঠিক করা উচিত বলে আমি মনে করি। ধন্যবাদ।
পোষ্ট দেখে খুশী হয়েছিলাম কিন্তু পোষ্টে ঢুকে ততোটাই মন খারাপ হলো। একজন এতো বড় মানুষকে দিয়ে মোড়ক উন্মোচন আর ছবির এই অবস্থা। মনে হচ্ছে সভাপতি আর ডিজি সাহেবের মিটিং হচ্ছে।
তার উপরে পোষ্টটি দেরীতে দেয়া এটাও বেশ খারাপ লেগেছে। পোষ্টটি সেদিন রাতেই দেয়া যেতো। কিন্তু পোষ্টদাতার বেশ আলসতা আছে বুঝা যাচ্ছে।
উন্মোচন অনুষ্ঠানে কারা কারা ছিলেন নাম উল্লেখ নেই এটা কি ঠিক হলো, আর সবার সাথে ডিজির কোন ছবি নাই। এই ধরনের অনুষ্ঠানে সবাই যেতে পারেন না কিন্তু ছবি দেখে তারা সেই না যেতে পারার দু:খটা ভুলে যান এটা পোষ্টদাতার মনে রাখলে ভাল হতো।
পোষ্টে আরো ছবি দিন, যারা যেতে পারেননি তাদের কথা বিবেচনা করে।
জোরালো সহমত।
দল ভারী হবে আমি জানি।

- শব্দতরীর মোড়ক উন্মোচন হয়েছে
- ব্লগ প্রাঙ্গণের দাবী আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হয়েছে
- আমাদের কাজে বাংলা একাডেমীর সমর্থন পাওয়া গিয়েছে
- উপরন্তু অনেক প্রশংসা জুটেছে ফোরামের কপালে
মিনিট দশেক ডিজি সাহেবের সাথে আলাপে অনেক কিছুই হয়েছে।
ফোরাম আসলে লোক দেখানোর নিমিত্তে কোন কাজ করে না। তাই ফোরামের কোন অনুষ্ঠানে ছবি না উঠলে ফোরাম সেটাকে এমন কোন ধর্তব্য বিষয় বলে গন্য করেনা। বরং ফোরাম জানে নিজের চেষ্টায় জমকালো এবং ঘটা করে যে কোন আয়োজন করার ক্ষমতা তার আছে, যেখানে মূর্হুমূর্হু ছবি উঠা কোন ব্যাপারই নয়। তথাপিও ফোরাম এবং ফোরামিস্টরা সব সময় বিষয় এবং লক্ষ্য সুনির্দৃষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ কাজ করতে আগ্রহী।
ব্লগারস ফোরামের সভাপতি তার পদাধিকার বলে এমনকি এককভাবেও মহাপরিচালকের সাথে সাক্ষাত করতে পারেন। আর যেখানে বর্ণনা করা আছে অন্য ব্লগারদের উপস্থিতির কথা সেখানে এটাকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক আখ্যা দেবার কোন কারণ ফোরাম দেখছে না। উপরন্ত অন্য যে তিনজন ব্লগার উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে ছবিতে অনুপস্থিতি জনিত কোন হতাশা কাজ করছে না বলে আমার বিশ্বাস।
উক্ত অনুষ্ঠানটি ছিল সময়াভাবে খুবই সংক্ষিপ্ত কিন্তু অসম্ভব তাৎপর্যময়। ফোরামের জন্মলগ্ন থেকে আজ অবধি যত অনুষ্ঠান এসেছে এটি তাদের অন্যতম। কারণ আমাদের বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের ক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠানটি অথরিটি হিসেবে বিবেচিত সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান আমাদের সাথে সাক্ষাত করেছেন এবং অকপটে আমাদের কাজের প্রশংসা করেছেন। সংক্ষিপ্ত সাক্ষতটির গুরুত্ব এর ভেতরেই নিহিত আছে। খুব বেশি আলোচনা হয়নি সেদিন যা দিয়ে দীর্ঘ পোস্ট রচনা করা সম্ভব হবে।
তবে একথা ফোরাম স্বীকার করছে সেদিন রাতেই এই পোস্টটি দেয়া দরকার ছিল। অনিবার্য এই দেরীর জন্য ফোরাম তার আস্থাভাজনদের মর্মপীড়ার কারণ হয়েছে বলে ফোরাম দুঃখ প্রকাশ করছে। কিন্তু এটা কখনোই ফোরামের তার নিজের কাজের ব্যপারে অলসতা নয়, বিষয়টি পরিষ্কার জানা থাকা ভালো বলে ফোরাম মনে করে।
আর আমার মন্তব্যে কি আমি বলেছি কি কি আলাপ হলো তাতো লিখলেন না??আমার তো একটাই কথা ছবি কম কেনো, সবার নাম নাই কেনো?? আর পোষ্ট দেরীতে দেয়া। এর বেশী কিছু তো আমি জানতে চাইনি। আর এর আগে শব্দতরীর কোন মোড়ক উন্মোচন এই রকম বিশেষ মানুষকে দিয়ে হয়নি তাই এবার আকাঙাটা বেশী । উনার বিদেশ থেকে আসার পরেও অনুষ্ঠানটা করা যেকো এটা আমার নিজস্ব মতামত। আর স্বাধীণ মতামত দেয়ার অধীকার শব্দনীড় আর ফোরাম আমাকে অবশ্য দিয়েছে।

পাঠকের মন্তব্যের প্রতি উত্তরে ফোরাম এর উত্তর এখন ঠিক আছে। আগে মনে হয়েছিলো ফোরাম নয় কোন ব্লগারের উত্তর পড়ছি। ফোরাম একটি সংগঠন এবং তার উত্তর সাংগঠনিক হলেই সুন্দর। ফোরাম এর জন্য শুভ কামনা।
নিরবতা হলো সবচেয়ে ভাল উপায়।
ভাল থাকুন জিয়া ভাই।
সংশ্লিষ্ট সবার জন্য রইলো অফুরন্ত ভালোবাসা
জেনে সুখি হলাম। শুভ কামনা ফোরামের জন্য।
আনন্দিত। এখন পড়ার অপেক্ষায়…
কিন্তু কিভাবে পেতে পারি?
আপনার কাছে আমাদের কারো না কারো মোবাইল নাম্বার আছে, যার নাম্বার আছে তাকে ফোন করুন বই হাতে পেয়ে যাবেন।
শব্দতরী জয় যাত্রা ্অব্যহত থাক, শুভ কামনা।
শব্দতরীর জন্য শুভকামনা সতত।
শব্দতরীর জন্য অনেক অনেক শুভ্র শুভেচ্ছা এবং রঙিন টকটকে গোলাপের অভিনন্দন
অনুষ্ঠানে এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ব্লগারস ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত ছয়টি বইও মহাপরিচালক মহোদয়কে উপহার দেয়া হয়। তিনি শব্দতরীর এবং ফোরাম প্রকাশিত বই এর প্রচ্ছদ, ছাপা এবং গুনগত মান সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেই সাথে ফোরামের এ ধরনের সব প্রচেষ্টাকে সাধ্যানুযায়ী পৃষ্ঠপোষকতা করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক মহোদয় এবং শব্দতরীর সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
শব্দতরীর পথ চলা হোক নিষ্কন্টক এই প্রত্যাশা অহর্নিশ।