মন নিয়ে খেলা - Mind Mapping

রিসার্চ ক্লাশে আমাদের অনেক হাবিজাবি জিনিস শেখানো হতো যার বেশির ভাগই আসলে জানা কিংবা আধা জানা। তবু ভালো গবেষক হবার তাগিদে সেগুলো গিলতে হতো। একদিন ক্লাশে টিচার এসে বললেন আজকে আমি তোমাদের mind mapping শেখাবো। আমরা ক্লাশে সবাই প্রায় এ ওর মুখ চাওয়া চাওয়ি করতে থাকলাম। আমার তো মনে মানে একটু ভয়ও হলো, না জানি এই mapping না কি – এটা দিয়ে মনের কথা বের করে আনা হবে। সবাইকে খানিকক্ষন চিন্তা করার সুযোগে দিয়ে টিচার আমাদের যা পড়ালেন সেটা আমার কাছে স্মরনীয়। আমি নিজে বহু জটিল সমস্যায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছি। তার আগে আসলে জানতে হবে mind mapping কি।

Mind map হলো কোন আইডিয়া অথবা ধারনাকে প্রকাশ করার সচিত্র পদ্ধতি। এটা ভাবনার এমন এক দৃশ্যমান প্রকাশ যেখানে তথ্য সন্নিবেশনের পাশাপাশি তাকে ধারন, বিশ্লেষন, বিভাজন, স্মরন এমন কি নতুন ধারনার জন্মও দেয়া যায়। অন্য ভাবে বলতে গেলে Mind map হলো শব্দ বিন্যাস করে রঙ এবং চিহ্ন ব্যবহার করে লেখকের মানসিক অবস্থার সাথে দৃশ্যমান স্মৃতির সম্মিলন।

এটি একটি সহজ পদ্ধতি। নিত্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে এর শক্তি হলো এর সহজবোধ্যতা। প্রথাগত নোট কিংবা লেখার সাথে এর তফাত হলো এখানে তথ্যগুলো এমনভাবে বিন্যস্থ থাকে যা মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পদ্ধতিটি একদিকে বিশ্লেষনধর্মী অন্যদিকে শিল্পিতও। এই পদ্ধতিতে মানুষের মস্তিষ্ক অনেক বেশি সক্রিয় থাকে। আর ব্যপারটা বেশ মজারও, অনেকটা খেলার মত।

Mind map এর মুল বৈশিষ্টগুলো হলো এখানে মূল চিন্তাকে কেন্দ্রীয় ছবি হিসেবে চিত্রিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট ধারনাগুলো এই কেন্দ্রীয় চিত্র থেকে শাখাপ্রশাখার আকারে নির্গত হয়। শাখাগুলোকে আবার একটা বিশেষ শব্দ (key word) দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ ভাবনাগুলো প্রশাখা হিসেবে চিত্রিত হয়। শাখাগুলো একটি কেন্দ্রমূখী অবয়ব সৃষ্টি করে।

Mind mapping এর সাথে modelling graph এর মূল পার্থক্য হলো প্রথমোক্তটিতে কোন বিশেষ ভুল-শুদ্ধের অবকাশ থাকে না।

Mind map এর কাজ হলো মনে রাখা আর তথ্যকে সাজিয়ে রাখা। অন্তত তিনটি ভিন্ন রঙ ব্যবহার করে mind mapping করা যেতে পারে। শব্দগুলো ছোট হাতের অক্ষরে লিখলে ভালো। প্রতিটি সংযোগকারী রেখার উপর একটা করে key word লিখে রাখা যেতে পারে। প্রতিটি লাইনের অবশ্যই আন্তঃসংযোগ থাকবে। মাঝের লাইনটি মোটা এবং বাকিগুলো ক্রমশঃ সরু হয়ে আসবে। নিজস্ব স্টাইলে mapping করার চেষ্টা করা উচিত। স্পষ্টতার জন্য mind map কেন্দ্র থেকে বর্হিগামী হলে ভালো হয়।

একটা Mind map তৈরী করতে হলে কাগজকে আড়াআড়ি ভাবে ধরে মূল ভাবনাটাকে মাঝখানে লিখতে হবে। এরপর প্রসঙ্গিক ভাবনাগুলোকে চারপাশে লিখে তাদের লাইনদিয়ে মাঝের সাথে সংযোগ করে দিতে হবে। একই ভাবে সূক্ষ থেকে সূক্ষ্মতর ভাবনাগুলো প্রকাশ করে সংযুক্ত করতে হবে। mind mapping এর জন্য যত বেশি সম্ভব রঙ এর ব্যবহার করা ভালো। এতে করে মস্তিষ্ক বেশি সক্রিয় হবার সুযোগ থাকে। আর এই কাজ করার জন্য চিত্রশিল্পী হবারও কোন প্রয়োজন নেই। বিষয়বস্তু এবং শাখাপ্রশাখার নামগুলো যথাসম্ভব ছোট হলেই ভালো হয়। লেখার আকার, রঙ এবং লেখার স্টাইলে ভিন্নতা রাখা দরকার। এমনকি সংযোগকারী লাইনগুলোর রঙ এবং গাঢ়ত্ব হওয়া উচিত গুরুত্ব অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন। এতে করে দেখা মাত্রই সেটা মস্তিষ্কের উপর প্রভাব বিস্তারে সমর্থ হয়। গুরুত্ব অনুসারে মস্তিষ্ক তখন নিজেকে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়।

Mind Map বোঝার সহজ আর একটি উপায় হলো, সমগ্র mind map যদি একটি শহর হয় তবে মূল চিন্তাটিকে মনে করা যেতে পারে শহরের প্রানকেন্দ্র হিসেবে যেখান থেকে প্রধান প্রধান সড়কগুলো বেরিয়ে গিয়ে আরো শাখা প্রশাখার জন্ম দিয়েছে, যেভাবে মূল চিন্তা থেকে উৎপন্ন হয়েছে পার্শ্বচিন্তা সমূহ। Map এর বিশেষ চিহ্ন সমূহ হলো শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বা মনুমেন্টের মত।

একটি উদাহরন দেখলে হয়তো বিষয়টা সহজ হয়ে উঠবে। ধরা যাক নিরূপমা ছাব্বিশ বছরের একজন তরুনী। গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে বছর দেড়েক সে একটা মোবাইল কোম্পানীর সেলসে কাজ করছে। গত ছয় মাস যাবত খন্ডকালীন হিসেবে সে মাস্টার্স শুরু করেছে। অফিস শেষে দৌড়ে যেতে হয় ক্লাশ ধরতে। একটু আগে বের হবার তার কোন সুযোগ নেই। চাকরীটা তার এখনো স্থায়ী নয়। তার উপর কিছুদিন ধরে বসের উৎপাত শুরু হয়েছে। লোকটা ইশারা ইঙ্গিতে যা বলতে চায় সেটা নিরূপমার জন্য মেনে নেয়া অসম্ভব। আবার চাকরীটাও তার দরকার। এটা বাদ দিলে আর একটা চাকুরী সে পেয়ে যাবে এতটা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারছে না সে। প্রচন্ড পরিশ্রম আর মানসিক চাপে দুমড়ে যাওয়া নিরূপমা কি করবে? কিছুটা বিশ্রাম আর চাপ কমানোর জন্য সে কিছু না ভেবে এক সপ্তাহের ছুটি নিয়ে সোজা কক্সবাজার চলে আসে।

নিরূপমা কিভাবে কাজটা করলো সেটা না হয় বিরক্তিকর গৎ এর বদলে আমরা mind mapping এর সাহায্যে ছবি থেকে দেখে নেই।

সব Mind Map এর কিছু সাধারন বৈশিষ্ট আছে। যেমন এগুলোর সবই কেন্দ্রে শুরু হয়ে বাইরের দিকে বিস্তার লাভ করে (Radiant Thinking) । বিরক্তিকর এবং একঘেয়ে অনেক তথ্যের সম্ভারকে রঙিন এবং হৃদয়গ্রাহী করে চিত্রিত করে Mind Map. এটি মানব মস্তিষ্কের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে এতে দ্রুত মনে রাখা যায়। Mind Map হলো মানুষের স্বাভাবিক চিন্তাশীলতার এমন এক প্রকাশ যাকে মনের আয়নার সাথে তুলনা করা যায় যা মস্তিষ্কের কর্মময়তার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয় অনায়াসে।

জ্ঞানকে ধরে রাখা এবং চিত্রিত করার পদ্ধতি বহু শতাব্দী থেকেই চলে আসছে। বিশেষত শিক্ষা, প্রকৌশল এবং মনোবিদদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বেশি কার্যকর বলে প্রমানিত হয়েছে। এমন কিছু উদাহরন তৃতীয় শতকের চিন্তাবিদ টাইরসের কাছ থেকে পাওয়া যায়। তবে পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত ধারনা সমূহের উপস্থাপন রীতি (Semantic metwork) থেকে mind mapping পদ্ধতি আবিষ্কারের কৃতিত্বের দাবীদার ব্রিটিশ মনোবৈজ্ঞানিক লেখক টনি বুযান।

যখন থেকে Mind Map এর ব্যবহার শুরু হয়েছে তখন থেকেই বৈজ্ঞানিক গবেষনায় এটি প্রমানিত হয়েছে মানব মস্তিষ্কের চিন্তা পদ্ধতির সাথে তুলনীয় এক ধারা রূপে। ক্যালির্ফোনি্যার বিজ্ঞানী ডঃ রজার স্প্রে এই গবেষনার জন্য নোবেল পুরষ্কারে ভুষিত হয়েছিলেন। তার গবেষনায় দেখা যায় মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সের যে ভাগ চিন্তায় অংশ নেয় তা দুটি অংশে বিভক্ত। এই দুই অংশ বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে অংশগ্রহন করে যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা নির্দেশক। এই সব কাজের মধ্যে আছে যুক্তি, তাল, লাইন, রঙ, লিস্ট, বাস্তব/অবাস্তব কল্পনা করা, সংখ্যা, শব্দ, সামগ্রিক ছবি তৈরী এবং অনুধাবন করা। এই বিষয়গুলো যত বেশি সমন্বিত হবে মস্তিষ্কের বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা তত বৃদ্ধি পাবে। যখন mind mapping করা হয় তখন আসলে প্রকারান্তরে মস্তিষ্কের ক্ষমতার এবং দক্ষতার পরীক্ষা করা হয়। Mind Map হলো তাই চিন্তা চেতনার পরিস্কুটনের সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।

শিক্ষার্থিদের জন্য mind map একটি যুগান্তকারী পদ্ধতি। কোন রচনা বা রিপোর্ট লিখতে ক্লাশে শিক্ষকের কাছ থেকে অথবা বই কিংবা কম্পিউটার থেকে নোট নেবার সময় এটা কাজে লাগে। সব বিষয়ের বইকে mind map এর আওতায় আনা যায়। নোট নেয়া ছাড়াও Mind Mapping কাজে লাগে মাথা খাটিয়ে কিছু বের করতে, সমস্যা সমাধানে, লেখাপড়া এবং স্মরন রাখার কাজে এবং পরিকল্পনার ক্ষেত্রে। এছাড়া তথ্য সন্নিবেশন এবং পরিবেশনের কাজেও ব্যবহৃত হয় এই পদ্ধতি। আজকাল Mind mapping এর নানা ধরনের সফটওয়্যার বাজারে পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করে একে আরো যথাযথ ভাবে কাজে লাগানো যায়। যেকোন ছোট সমস্যা এমনকি লেখালেখির পরিকল্পনাতে কাজে লাগানো যায় mind mapping.

Mind mapping একটি অসাধারন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ বিষয়। এর বিশদ ব্যবহার মানুষের চিন্তা এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মনকে আরো সচল এবং সক্রিয় রাখে। তাই আসুন আমরা mind mapping পদ্ধতি ব্যবহার করি, মনকে বুঝি আর মনের ছবি আঁকি।
তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 4.2/5 (13 votes cast)
VN:F [1.9.7_1111]
Rating: 0 (from 0 votes)
মন নিয়ে খেলা - Mind Mapping , 4.2 out of 5 based on 13 ratings

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

৬৭ টি মন্তব্য (লেখকের ৩১টি) | ২৬ জন মন্তব্যকারী

  1. শামান সাত্ত্বিক : ২৮-০৪-২০১১ | ৩:৪৯ |

    বাহ্‌ চমৎকার একটা লেখা পড়লাম। আপনার ফ্রী জ্ঞান বিতরন দেখে প্রথম ভাবলাম, এটা পড়তে সময় নেবে। কিন্তু একবারেই পুরোটা পড়ে ফেললাম, কোন রকমের ব্রেক না নিয়ে।

    অন্য ভাবে বলতে গেলে Mind map হলো শব্দ বিন্যাস করে রঙ এবং চিহ্ন ব্যবহার করে লেখকের মানসিক অবস্থার সাথে দৃশ্যমান স্মৃতির সম্মিলন।
    - আর তাই এই বিষয়টা ভেবে দেখতে হবে যেহেতু আবারো বলেছেন,
    যেকোন ছোট সমস্যা এমনকি লেখালেখির পরিকল্পনাতে কাজে লাগানো যায় mind mapping.

    Mind map-এর একটা বাংলা প্রতিশব্দ পেলে ভাল হতো। যাক্‌ – কষ্ট করে লেখাটা তৈরি করলেন বলে ধন্যবাদ দিয়ে গেলাম। ভাল থাকুন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১২:২৬ |

      বিষয়টা অনেক দিন থেকে মাথায় ঘুরছিল। লিখেই ফেললাম। তবে অনেক ভয় ছিল কেউ পড়বে কি না। কারন আমি যা বুঝেছি তা সবাইকে বোঝানো সহজ নয়।

      মাইন্ড ম্যাপের একটা প্রতিশব্দ খুঁজে দিন। যোগ করে দেবো। তবে টেকনিক্যাল টার্ম বাংলা করলে ভালো লাগে না।

      ভালো থাকুন।

  2. ডা. দাউদ : ২৮-০৪-২০১১ | ৫:৪৭ |

    প্রিয়
    আনন্দময়ী আনন্দের সাথেই অনেক তথ্য পাইলাম
    থ্যাঙ্কু

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৩:০৬ |

      আপনাকেও অনেক থ্যাংকু ।

  3. মুরুব্বী : ২৮-০৪-২০১১ | ৮:৫৬ |

    মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্সের যে ভাগ চিন্তায় অংশ নেয় তা দুটি অংশে বিভক্ত। এই দুই অংশ বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে অংশগ্রহন করে যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার নির্দেশক।

    শুভ সকাল আনন্দ। Coffee Coffee

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৩:৩২ |

      ঘটনা কি? কমেন্টটা পাল্টে গেলো কি করে ? আমার মনে হয় আমি অন্য কিছু পড়েছিলাম।

      যাই হোক দুই কাপ চা খাওয়ার পর মাথা আরো চাঙ্গা হবে আশা করি।

    • মুরুব্বী : ২৮-০৪-২০১১ | ২০:৫৪ |

      Shock Shock Shock তাইতো !! Shy

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২১:৪২ |

      বড় ভাইয়া, আমার চশমা একটা আছে বটে কিন্তু চোখ ঠিক কাজ করে।
      হা হা হা । যাকগে। এটা একটা নির্দোষ মজা।

  4. সাইক্লোন : ২৮-০৪-২০১১ | ৯:০২ |

    চমৎকার কিছু পড়লাম, জানলাম
    ভালো লাগলো এই ব্যতিক্রমী লেখা

    ভালো আছেন তো আপু? Smile

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৩:৫০ |

      অনেক ধন্যবাদ সাইক্লোন কষ্ট করে পড়ার জন্য। আমি তো ভালো আছি। আপনি ভালো তো ?

  5. রাজিন : ২৮-০৪-২০১১ | ৯:৩৪ |

    জানতে পারলাম Smile

  6. জেড এইচ সৈকত : ২৮-০৪-২০১১ | ৯:৪৫ |

    চমৎকার কিছু তথ্য জানা হল। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৪:২৩ |

      আপনার পোস্টগুলোও দারুন হয়। বিশেষ করে ছবি। এর পর আপনার ওখানে কোন বড় ইভেন্ট থাকলে আগেই জানাবেন।

      ভালো থাকুন।

    • জেড এইচ সৈকত : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৪১ |

      আপনার ভার সইবার মত অনুষ্ঠান করার যোগ্যতা এখনো হয়নি। তবে জানাব অবশ্যই।

    • জেড এইচ সৈকত : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৪৪ |

      ভুল বলেছি কিংবা বলতে পারিনি। আপনার মত এমন একজনকে নিমন্ত্রণ করতে বেশ বড় আয়োজন করা লাগবে। আমার হয়তোবা আগ্রহ আছে কিনতু পারিপার্শ্বিকতার বড়ই অভাব এখানে। তারপরও চেষ্টা করে যাচ্ছি…… ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৪৯ |

      আরে হাওড়ে ফসল কাটার উতসবে আসতে পারলে খুশি হতাম। কিংবা একটা মেলা। আপনার পোস্টগুলো খুব আগ্রহ জাগানিয়া।

    • জেড এইচ সৈকত : ২৮-০৪-২০১১ | ১৭:৪৬ |

      সময় করে একবার ঘুরে যান সিলেট থেকে। আমার খুব কাছেই শ্রী চৈতন্য দেবের আখড়া, মাধব কুন্ড ও যাওয়া যায় ঘন্টা দুয়েক সময়ের মধ্যে, জাফলংয়ের দূরত্ব দেড় ঘন্টার রাস্তা। নিমন্ত্রণ দিয়ে রাখলাম, যে কোন সময় বেড়িয়ে যাবেন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২১:৪৬ |

      সিলেট আমি গিয়েছি অনেকবার। নামকরা দর্শনীয় স্থানগুলোও দেখা আছে। কিন্তু আমি চাই অন্য রকম কোন আয়োজন দেখতে।

  7. মেঘ : ২৮-০৪-২০১১ | ৯:৪৮ |

    ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন শামান ভাই। পড়ে ভালো লাগল খুব। Smile

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:০৫ |

      শামানদা কে কৃতজ্ঞতা।
      আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

  8. ফকির আবদুল মালেক : ২৮-০৪-২০১১ | ১০:১৮ |

    দারুন কাজ করেছেন আর তার উপস্থাপনাটিও এত ঝক ঝকে হয়েছে একটানে পড়ে ফেললাম।
    ধন্যবাদ আপনাকে।
    পোষ্টটি প্রিয়তে রাখলাম।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:০৬ |

      রাত তিনটায় যখন পোস্টটা দিলাম তখন ভাবিনি আমার আগ্রহটা অন্যদের মাঝেও সঞ্চারিত হবে। পরিশ্রমটা কাজে লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো।

  9. চারুমান্নান : ২৮-০৪-২০১১ | ১০:২১ |

    দারুন,জানলাম!!!Mind Mapping
    Yes Yes Yes
    Heart Rose Clover Clover Clover

  10. দোয়েল : ২৮-০৪-২০১১ | ১০:৩১ |

    Mind Map হলো মানুষের স্বাভাবিক চিন্তাশীলতার এমন এক প্রকাশ, যাকে মনের আয়নার সাথে তুলনা করা যায়, যা মস্তিষ্কের কর্মময়তার দ্বারকে উন্মুক্ত করে দেয় অনায়াসে।

    আইডিয়াটা সুন্দর। লেখার সূত্রটাও সুন্দর। এমন লেখার প্রত্যাশায় ছিলাম।
    অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিন্ন্দন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:০৯ |

      আপনার প্রত্যাশা পূরোন আমার আনন্দ ।
      অনেক ভালো থাকবেন।

  11. মেঘলা : ২৮-০৪-২০১১ | ১০:৩৫ |

    কঠিন বিষয়। পড়তে ইচ্ছে করে না তবু পড়েছি। আগে বিষয়টি জানতাম না। আপনার পোষ্ট পড়ে আর একটু জানবার আগ্রহ হলো এবং জানলাম
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা মনোবজ্ঞান বিভাগে এ বিষয়টি পড়ানো হয় আর ঢাকার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শিক্ষার্থীদের স্টাডি স্কিল, ফিল্ড ভিজিট, মাইন্ড ম্যাপিং ও থিংকিং স্কিলের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন।
    পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:১৭ |

      আপনাকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ দিচ্ছি। কারন ইচ্ছে না করা সত্ত্বেও লেখাটা পড়েছেন। তবে এটা আমার ব্যর্থতা ধরে নিচ্ছি, কারন বিষয় যাই হোক না কেন পাঠকের প্রত্যাশা পূরন করতে পারাটাই লেখার কৃতিত্ব।

      mind mapping একটি বড় বিষয়। চিকিৎসা বা মনোবজ্ঞান এর সাথে এর আবিষ্কার সম্পর্কিত হলেও এটি আসলে কেবল মাত্র একটি tool যা আমাদের চিন্তাশীল কাজকে সহজতর করে। বিশেষ করে যখন অনেক তথ্যের সাগরে আপনি হাবুডুবু খাবেন তখন mind mapping এর সাহায্যে সেই সব জিনিসগুলোকে identify করতে পারবেন যেগুলো আপনার দরকার। যে তথ্যগুলো মূল চিন্তার সাথে সংযোগ পাবে না সেগুলো ঝরে যাবে।

      পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানীক এবং গুছানো। ছোটবেলা থেকে অভ্যাস করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়। আমাদের বাচ্চাদের আমরা নিজেরাও এটা শেখাতে পারি। কিন্তু আমাদের সমস্যা হলো কোন নতুন চিন্তাকে আমরা সহজে গ্রহন করি না আর করলেও সেটা ব্যবহার একদমই করি না। বাংলাদেশে বাচ্চাদের কোথাও কোথাও এটা শেখানো হচ্ছে জেনে খুব ভালো লাগলো।

  12. পিটুইটারি : ২৮-০৪-২০১১ | ১০:৪৮ |

    চমৎকার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন Yes

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:১৮ |

      ধন্যবাদ পিটুইটারি।
      অফ টপিকঃ আপনার নামটাও কিন্তু খুব উদ্দীপক একটা টপিক। Wink

  13. রাতের পাখি : ২৮-০৪-২০১১ | ১২:০৫ |

    একদমই নতুন একটি বিষয়।
    জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৪৩ |

      অনেক ধন্যবাদ রাতের পাখি, আজ দিনে দেখা মিললো।

  14. সোহেল : ২৮-০৪-২০১১ | ১২:৩৪ |

    ধন্যবাদ, ভালো লেগেছে তবে আরো ২/১ বার পড়তে হবে। প্রিয়তে নিলাম।
    শুভ কামনা -

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৫১ |

      এই পোস্ট আরো ২/১ বার পড়বেন! জেনে ভালো লাগলো।

  15. জুয়ারি : ২৮-০৪-২০১১ | ১৩:৫৪ |

    জটিল লিখা দিদি।প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম।ভাল থাকবেন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২১:৪৭ |

      জটিল লেখা আরো জটিলতা সৃষ্টি করুক, এই প্রত্যাশা।
      আপনিও ভালো থাকবেন সবসময় Smile

  16. বিলিভার : ২৮-০৪-২০১১ | ১৫:১২ |

    প্রিয়তে নিলাম।
    সম্পুর্ন নতুন কনসেপ্ট পেলাম। তবে মেডিটেশন এর সাথে দীর্ঘদিনের গভীর সম্পর্ক আছে। বিষয় টা নিয়ে পরে আরো ভাববো, স্টাডিও করবো।
    …………………
    Clover Clover Clover
    (সত্য কথা বলতে, প্রতি পেজ এ এমন দু-একঅটা নতুন কন্সেপ্ট থাকলে ব্লগিং এর আনন্দ বহুগুন বেড়ে যায়)
    ব্লগিং হোক আনন্দের, ব্লগিং হোক শিক্ষার।
    ভাল থাকবেন সতত।
    শুভ কামনা রইল।
    Rose

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২১:৪৯ |

      ব্যবহার করি বা না করি একটা নতুন কনসেপ্ট জানাতে লাভ বৈ কিছু নেই। সে অর্থে আমি আপনার সাথে একমত।
      ভালো থাকবেন।

  17. কুহক : ২৮-০৪-২০১১ | ১৬:৫৮ |

    মনে হইলো মনো বিজ্ঞানের ক্লাশ চলতাসে তাই একটু চুপি দিয়া….কিছু তথ্য চুরি করিয়া লইয়া গেলাম……………. Smile Smile

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২২:১২ |

      মজা তো !! পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়েছেন বুঝি ? Smile

  18. একলা তেপান্তর : ২৮-০৪-২০১১ | ১৭:০৫ |

    আমরা অনেকেই না জেনে এই ফরম্যাট ব্যবহার করি মনে হয়,,,,,ভাবনাকে কেন্দ্রে রেখে ডালাপালা বিস্তারের মতো কিছু একটা,,,,,তবে ম্যাপিংটা অনেক বেশি বশি ডিটেল নিয়ে কাজ করছে দেখা যায়!!

    বিষয়টা জেনে উপকার হইসে,,,প্রয়োগ করা যাবে,,,,

    গুরু বলেছেন, ফ্রীতে জ্ঞান নিলে সেটার স্থায়ীত্ব হয় খুব অল্প, তাই একটা হাদিয়া,,,,,

    ভালো থাকুন।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২২:১৬ |

      আপনি ঠিক ধরেছেন, আমরা না জেনেই অনেক কাজের কাজ করে থাকি। তবে ক্লাশে এটা অনুশীলন করলে পোলাপানের মুখস্থ করার প্রবনতা কমবে, logical thinking টা develop করবে।

      হাদিয়া আবার কেন রে বাবা ! কি দরকার ছিল ? আচ্ছা কষ্ট করে যখন এনেছ বৎস রাখলাম।
      দীর্ঘজীবি হও।

      ভালো থাকবেন।

  19. স্বপ্নবাজী : ২৮-০৪-২০১১ | ২০:১২ |

    পড়লাম এবং জানতে চেষ্টা করোম। এখন বুঝতে পারছি না কিছু বুঝলাম কিনা Hairpull
    ‌রে মাইন্ড ম্যাপিং কিভাবে করি? Thinking

    শুভকামনা অবিরাম।

    Rose Clover Rose

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২২:১৮ |

      mind mapping এর mind mapping করেন। সব কিছু কিলিয়ার হয়ে যাবে।
      আর একটা কথা, এই আকালের দিনে চুলগুলা আর টাইনা শেষ কইরেন না।
      ভালো থাকেন।

    • স্বপ্নবাজী : ২৮-০৪-২০১১ | ২৩:০৬ |

      Think

  20. প্রতীপ : ২৮-০৪-২০১১ | ২২:০৮ |

    অফলাইনে পড়েছিলাম।
    একটু জটিল বৈকি।
    তবে ধৈর্য ধরে ম্যাপিং করলে হয়তো ভালো ফলাফল আসবে।
    ধন্যবাদ।

    • আনন্দময়ী : ২৮-০৪-২০১১ | ২২:৪৮ |

      ঠিক তাই।
      আমার প্রথম mind map টা ছিল অনেকটা শূড়ওয়ালা অক্টোপাসের মত।

  21. বিলিভার : ২৯-০৪-২০১১ | ১০:৪৫ |

    মাইন্ড ম্যাপিং এর উপর কোন ভাল বইয়ের রেফারেন্স দিতে পারবেন, যা বাংলাদেশে পাওয়া যাবে?
    বাংলা অথবা ইংলিশ ভারসন এ ? আমি যথেস্ট আগ্রহ অনুভব করছি।

    • আনন্দময়ী : ২৯-০৪-২০১১ | ১১:১৪ |

      Tony Buzan এর বেশ কটি বই আছে mind mapping এর উপর। amazon.com থেকে readers review দেখে একটা সিলেক্ট করতে পারেন। যতদূর মনে পড়ে আমাদেরও Buzan এর বই পড়ানো হয়েছিল। তবে আমরা কেবল একটা research tool হিসাবে এটা করেছিলাম। তাই খুব বেশি বই এর কথা মনে আসছে না।
      বাংলায় কোন বই আছে কিনা জানা নেই। বাংলা বই না পড়াই ভালো, কষ্ট হলেও ইংরেজী বই কালেক্ট করুন। তবে বাংলা বই বিষয়ে মেঘলাপি কিছু জানতে পারেন। ওনার কমেন্ট থেকে মনে হয় বাংলাদেশে কোথায় academic mind mapping করানো হয় সেটা সম্পর্কে ওনার ধারনা আছে। আপনি আপুর দৃষ্টি আকর্ষন করতে পারেন।
      আপনার আগ্রহের জয় হোক। ভালো থাকুন সব সময়।

    • বিলিভার : ৩০-০৪-২০১১ | ১:২৩ |

      আচ্ছা। ধন্যবাদ।
      যে কোন ভারসানই চলবে।
      Rose

  22. সুমিন শাওন : ২৯-০৪-২০১১ | ১৩:০৮ |

    খুব ভালো পোষ্ট.পাঠক হিসেবে আমাকে বিষয়টির প্রতি আগ্রহী করে তুলেছে

  23. রুপালি গিটার : ২৯-০৪-২০১১ | ১৯:৪৬ |

    দারুন!!!! বাকীটা পরে বলবো। আগে এই সম্পর্কে খানিক পড়াশোনা হোক। ভালো থাকুন।

    • আনন্দময়ী : ০৩-০৫-২০১১ | ২১:১৮ |

      আচ্ছা আগে পড়ুন। অপেক্ষা থাকলো।

  24. বিলিভার : ৩০-০৪-২০১১ | ১৩:৫৮ |

    ইতিমধ্যে, মাইন্ড ম্যাপিং এর উপর বেশ স্টাডি করে ফেলেছি(নেট থেকে, উইকি পিডিয়া থেকে) । পরে , কিছু পত্রিকা এবং অন্য বাংলা ব্লগের সাহায্যও নিয়েছি। প্রথমে আগ্রহ জেগেছিল, এখন ভাল লাগা সৃষ্টি হয়েছে। একটা লক্ষনীয় বিষয় হল, আমরা অনেক সময় মাইন্ড ম্যাপিং করি, তবে বুঝি না যে, মাইন্ড ম্যাপিং করছি
    মনে হয় সামান্য-সামান্য বুঝতে শুরু করেছি। এটা হল, যে কোন প্রব্লেম কে ভেংগে ভেঙ্গে উপ-প্রবলেম, তারপর উপ-উপ প্রব্লেম ………… এবং শেষ পযন্ত সমাধানে উপনিত হওয়া। আর একটা বিষয়, আননেসেসারি ডাটা গুলো বাদ দিয়ে দেয়া।
    ধন্যবাদ, আনন্দময়ী।
    অবিরাম শুভ কামনা ।
    (কোনো পরমর্শ থাকলে , দিতে দ্বিধা করবেন না, প্লিজ)

    • বিলিভার : ৩০-০৪-২০১১ | ১৪:০০ |

      একটা সফটওয়ার ডাউনলোড করলাম, মাইন্ড ম্যাপিং এর উপর(ফ্রি মাইন্ড সফটওয়ার) Smile

    • আনন্দময়ী : ০৩-০৫-২০১১ | ২১:১৭ |

      আসলে এই লেখাটা আপনার আগ্রহের কারনে স্বার্থক হলো যেন। অন্তত একজন ব্যপারটার খুব গভীরে যেতে পেরেছেন বা চেয়েছেন। আমার তেমন কোন পরামর্শ নেই, শুধু একটু কথা যোগ করি। আমি নিজেও আসলে পদ্ধতিগত ভাবে ম্যাপিং করি না। আমার সুবিধার্থে কোন এ্যাসাইনমেন্ট বা লেখা লিখার সময় তথ্যগুলোর মূল শব্দ আশে পাশে থাকা যে কোন কাগজে নোট করি। পরে সেই শব্দগুলোকে কেন্দ্র করে লেখাটা লিখি। অনেক সময় কোন কোন শব্দ আবার কাজেও লাগাতে পারি না, সেটা বাদ পড়ে। এই হলো আমার দেশীয় পদ্ধতির মাইন্ড ম্যাপিং।
      তবে , তবে, তবে…… খুব জরুরী কথাটা হলো যাই লিখিনা কেন প্রতিটা সেগমেন্টের একটার সাথে যাতে আর একটার একটা অদৃশ্য সংযোগ সূত্র থাকে। তা না হলে সব কাজ মাটি আর পাঠক হবে মহা বিরক্ত।

  25. বাবুল হোসেইন : ৩০-০৪-২০১১ | ১৮:০৯ |

    বাহ !!!
    আপনার লেখা পড়ে মুগ্ধ আপু। প্রথমে পড়েই নিজের লেখার ব্যাপারটার সাথে সিনকিং করছিলাম…ভাবছিলাম এরকম হয় কিনা? এখন দেখি সত্যি সত্যি এরকম।

    অসাধারণ লেখা..স্যালুট আপু
    এই লেখা এতদিন দেন নি কেনো? Rose Rose

    • আনন্দময়ী : ০৩-০৫-২০১১ | ২১:১১ |

      আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে আমার সত্যই ভালো লাগছে। অথচ আমি খুবই কনফিউজড ছিলাম আদৌ এ লেখা কেউ পড়বে কি না।
      আমি অনেক অলস, তাই লিখতে অনেক সময় লাগে। আর যেটুকু পাই তার বেশির ভাগ সময় আমার মাথা ব্যথা থাকে। এজন্য আমি লিখতে পারি না।
      আপনার সব লেখাই পড়া হয় এবং ভালো লাগে ।

  26. শামিম রহমান : ০২-০৫-২০১১ | ২১:০১ |

    এ আনন্দময়ী কোন আনন্দময়ী??

    ম্যাপ নিয়ে ছাত্রকালে আমার অভজ্ঞতা ভয়াবহ। দুনিয়ার ম্যাপ আঁকতেই একটার পেটের মধ্যে আরেকটা চলে যেত। আর এতো মনের ম্যাপ।

    পড়েছি। কিচ্ছু বুঝি নাই। হা হা হা। শুধু বুঝেছি ব্লগে ফিরে আসার সময় হয়েছে আবার।

    • আনন্দময়ী : ০৩-০৫-২০১১ | ২১:০৮ |

      আইকনটা দেখে ভাবছিলাম চেনা চেনা লাগে। সময় তো অনেক স্মৃতির উপর প্রলেপ দেয়। ইতং বিতং দেখে বুঝলাম এটা অণু-পরমাণু শামিম ছাড়া আর কেউ নয়। কেমন আছো তুমি ? তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।

    • শামিম রহমান : ০৩-০৫-২০১১ | ২১:৫১ |

      ভালই বলেছেন। অণু-পরমানু শামিম। খুব মিস করি আপনাকে আমার অণু-পরমানু লেখাগুলোতে। আপনি কি জানেন, প্রথম যখন অণু-পরমানু হাবিজাবি লিখতাম প্রথম আলো ব্লগে তখন আপনি, নাজলাপা, আমি নোমান, শামান দা, দেবদাস প্রমুখের মন্তব্যের জন্য অপেক্ষায় থাকতাম। বিশেষ করে আপনার আর নাজলাপার মন্তব্য পেলে মন হতো লেখাটা কিছু একটা হয়েছে।

      আপনিই প্রথম আমাকে শিখিয়েছেন ‘সত্যের যেখানে শেষ, গল্পের সেখানেই শুরু।’ আমি গল্প লিখতে শুরু করলে আপনার সে শিক্ষাটা এখনো মনে হয়। এটা বিনয় না, সহজ সরল স্বীকারোক্তি। ব্লগের কিছু মানুষের জন্য এখন গল্প লেখার অণুপ্রেরনা পাই। আপনি তাদের মধ্যে অন্যতম।

  27. হেমায়েত সুজন : ০৩-০৫-২০১১ | ২৩:৩২ |

    ভালো লাগলো।
    নতুন কিছু জানলাম।

    শুভকামনা আপনার জন্য। Clover Clover Clover

    • আনন্দময়ী : ০৩-০৫-২০১১ | ২৩:৪২ |

      শুভেচ্ছা আপনার জন্যও। Watermelon Watermelon

  28. মোঃ মাজারুল ইসলাম : ০৩-০৫-২০১১ | ২৩:৫৯ |

    সমৃদ্ধ হলাম। ভাল থাকুন অবিরাম।

    • আনন্দময়ী : ০৪-০৫-২০১১ | ০:০৪ |

      আপনার ভালো থাকা জরুরী। তাহলে ভালো ভালো লেখা পাবো। Smile