এ যে বন্দর।
বিপুল প্রাণের সঞ্চার,
প্রভাত কিরণে উদ্বেলিত আলো,
আছারি বিছারি করে খেলা।
নাতিদীর্ঘ জীবনে অনিতদূর চলা,
থামে। থামে না বেসাতির মেলা।
সপ্তডিংগা মধুকর ময়ূরাক্ষী নাও,
চলছে, অনন্ত তার চলা অবিনশ্বর।
অবাধ,অগাত মায়াবীমোহের ডাক,
কেউ প্রতিবাদি, কেউ প্রতিরোধী,
কেউ প্রগতির,কেউ শান্তির,
কেউ ধাবমান ,কেউ নির্বাক,
কেউ স্ববিরোধী কন্ঠস্বরে,
নির্লজ্য, স্বাভাবিক।
তুচ্ছ মোহে অমূল্য প্রাণ বিনাশে,
কত না স্বপ্ন মিশে ধূলির মিছিলে,
কে করে ভ্রক্ষেপ তার,
যদি না,আসে অমানিশা আধাঁর।
আতরে গন্ধ ভরা সাদা থান,
অবুঝ শিশুদের মনে আনে উল্লাস,
তাহারা কি জানে কি তার মানে।
মূর্খ্য।এ পূরাণ লাগে না কারো কাজে।
ধুয়ে মুছে যায় সব সন্ধ্যার মেঘমালায়,
গন্ধরাজ কেশে ছলকে উঠে কামরস।
ঘোষিত হয় প্রাণের জয়বার্তা,
রোদেলা সবুজ পাতায় পাতায়।
এ বন্দর,
যদি ভাঁঙে তার কোলাহল নিরব বেদনে,
যদি প্রাণের ঢেউ আর না লাগে প্রাণে,
যদি নিমেষে হারায় নিরুদ্দেশের অতলে,
কি আশ্বাসে তবে তুমি বাধোঁ,
মাধুকরী নাও,ক্ষনিক বন্দরে।
বন্দর
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



কবি ! কেমন আছেন ?
অনেক দিন পর আপনার লিখা পরছি
খুব ভালো লাগলো …শুভকামনা …
আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা, ভাল থাকবেন।
ভ্রাতা
তব সুন্দরম কাব্য
ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
দারুন লিখেছেন। মাধুকরীর মোহে বোধ হয় অন্ধ অনেকে হয়।
শুভ কামনা রইল।
আপনার জন্যও রইল অনেক শুভকামনা। ভাল থাকবেন।
সুন্দর বিষয়..ভাল লেখা।
শুভেচ্ছা রইল।
ধন্যবাদ। অনেক করে ভাল থাকবেন।