যে নাটক মঞ্চায়ন হয়নি
যে নাটকের মঞ্চায়ন থেমে আছে,
তমসার নিগুড়েঁ বন্ধি এতকাল
ক্ষমতায়নের প্রহেলিকার ধুপে।
কুজ্ঝটিকা সরায়ে প্রতিমুর্হুতে থমকে দাঁড়ায়।
তার সফল মঞ্চায়ন হবে কি? হবে না,
কবির জানা নেই।
তা এখনো দ্বিধ্নান্তি,প্রশ্নবোধক এক বিস্ময়।
কবি,একা সেই মঞ্চ থেকে সদোর্পে ঘোষনা করছে,
সফল মঞ্চায়ন।
আসুন তবে আজ নাটকের মুক্তাঙ্গনে,
যেখানে মন্তস্থ হবে এক নব কিংবদন্তী অধ্যায়।
অত্যান্ত মনোযোগের সঙ্গে এতকাল ধরে ,
রচিত যার সকল অলংন্মকরন।
যারা জীবনের দীর্ঘতম সময় ধরে,
অপেক্ষায়,প্রতিক্ষায় আর আড়ষ্টাতার অন্তর্ধ্যানে ছিলেন নিমগন,
তাহারা- জেগে উঠুন,
নড়ে -চরে বসুন,
এবার বাংলার মাটিতে ফলেছে সুকান্তের সচেতনার ধান।
তবে আর দ্বিধা কেন?
জিরাফের মত নির্ভয়ে মাথা উচু করে ।
চলে আসু,এই নাটকেরউল্লাস মঞ্চে
বহুযুগের কাংঙ্খিত স্বপ্নের মঞ্চে,
রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের যবনিকার,
বাস্তব মঞ্চায়ন।
এই মঞ্চে নাটকের যবনিকায় কবি কোন ফাসিঁ চায় না।
যারা একসাথে কখনো এত গুলি ইতিহাস বিখ্যাত বেজন্মা রাজাকার দেখেনি,
কেবল তাদের জন্,তাদেরই জন্যএই মহার্ঘ্য আয়োজন ।
পর্দা সরে যেতে থাকবে, আপনার দেখতে থাকবেন,
নগ্ন পায়ে কয়েকজন রাজাকারকে,ভাঙ্গা কাচের সজ্জিত পথে,
টেনে হিছড়ে নিয়ে যাবে একাত্ত্বরের সেই বিরঙ্ঘনা,আর
ক্ষনে ক্ষনে মুখে ঠেসে দিতে থাকবে জ্বলন্ত কাঠ কয়লা,
রাস্তার দু ধারে থাকবে উল্লাসিত, উদ্ভাসিত উজ্জ্বল মুগ্ধ চোখের মানুষের ভীর।
তারপর দেখবেন, এক প্রকান্ড মরা গাছ,
গাছের গুড়িতেঁ বাধাঁ ক্ষত-বিক্ষত রক্তাত রাজাকার।
প্লিজ, আপনারা ভয়ে আতকে উঠবেন না।
ত্রিশ লক্ষ শহিদ,আড়াই লক্ষ মাও বোন এবং আরো অগিনত নির্যাতিত মানুষের
সন্মানে।
ত্রিশলক্ষ বার,
দ্রা দ্রা দ্রিরিম দ্রিরিম- তোপধ্বনির শব্দ,
চুর্তুরদিকে ছড়িয়ে পরবে।
দর্শকগন আপনারা ধৈর্য্য ধারন করুন , আর নয় অপেক্ষা,
এক্ষুনিই সরাসরি চলে যাব মুল পর্বে,
আমরা জানি উত্তেজনায় কাপছে আপনাদের প্রতিটি মূহুর্ত,
এবার, এক হ্যাচকা টানে খুলে নেয়া হবে ওদের সকল পরিধেয়,
যেমনটি ওনারা করেছিলেন আর কি।
বন্ধুগন, শান্ত হন,
কেউ লজ্জা পাবেন না ,অধৈর্য্য হবেন না ,
মনে মনে সাহস সঞ্চয় করুন,
কেন না, এ পর্বটি দৃশ্যত ভয়ঙ্কর।
আল্লাহু আকবর এবং জয় বাংলা ধ্বনিতে,
ঘ্যাচাং করে কেটে ফেলা হবে,
একাত্ত্বরের উদ্ধত পুরুষাঙ্গ ।
কিন্তু ‘ বন্ধুগন আপনারা সাবধান!
যাতে এক ফোটা রক্তো ও মাটিতে পরতে না পারে।
হয়তো জন্ম নিতে পারে,
আরেক বেজন্মা রাজাকারের মহিরুহ।
উল্লাস মঞ্চের এপর্বে দেখতে পাবেন,
ঘন্টা পেটার হাতুরি দিয়ে থেতলে দেয়া হবে,
ওদের সবকটি আঙ্গুল,
যা দিয়ে একদিন টিগ্যার চেপে বিদৃর্ণ করেছিল,
অসহায় শিশু ও অগনিত নিরহী মানুষের পাজর ।
এর পর পরই জনগনের হাতে তুলে দেওয়া হবে ,
একাত্ত্বরের সেই পুরানো বেয়নেট,
যা দিয়ে যাচাই করা হত মৃর্ত্যুর সত্ত্ব্যতা।
কিন্তু, বন্ধুগন, আপনারা সাবধান!
যাতে একফোটা রক্তোও আপনাদের গায়েঁ না লাগে,
এ রক্ত ভিষণ ভয়ঙ্কর।
দর্শকগন চেয়ে দেখুন, দেখুন চেয়ে,
ওদের চোখের দিকে ,
এখনও শয়তানের ছায়া ভাসে।
দর্শকবৃন্দ, মঞ্চায়নের এ পর্বে,
আপনাদের হতে হবে আরো অনেক বেশী সর্তক।
কারন, আকাশ কালো করে উড়ে আসবে,
হাজার হাজার কাক, শুকুন,
খুটে খুটে খাবে ওদের চোখ,
ঠুকরে ঠুকরে ছিড়েঁ নেবে চামড়া,
যেমনটি ওরা করেছিলেন , আর কি।
এ হত্যাযজ্ঞের উপর নির্ভর করছে অনেক কিছু,
গন মানুষের স্বাধীনতার ভবিষত।
হবে অবসান যন্ত্রণার চল্লিশ বছর,
ঘামের মত মুছে নেবে বিষন্ন দুঃশ্চিন্তার দুঃস্বপ্নের রাত।
বন্ধুগন, মঞ্চায়ানের এ পর্বে আপনাদের হতে হবে,
গোয়েন্দা চোখের মত সর্তক।
লেলিয়ে দেয়া হবে শৃগাল ও হায়েনা,
খুবলে খুবলে খাবে বেজন্মা রাজাকার শব।
যেমনটি ওরা করেছিলেন আর কি।
কিন্তু সাবধান!
যাতে শবের রক্তের একটি ফোটাও,
মাংসের কোন টুকরো,
হাড়ের কোন একটি অংশ,
ভুলেও কোথাও পরে না থাকে।
সমস্ত জড়ো করে জ্বালানো হবে আগুন,
ভস্ম হবে, ছাই হবে ওদের সকল অস্তিত্ব।
যেমনটি ওরা করেছিলেন, আর কি।
কিন্ত বন্ধুগন অতি সাবধান!
যাতে,
ছাইয়ের একটি কণাও,
মিলিয়ে যেতে না পারে হাওয়ায়,
ছাপান্ন হাজার বর্গ মাইল এর,
জসিমের, বাউলের,
নকশিঁ কাথার গোধুলীর উদাস সুরের মাঠে।
মিশে যেতে না পারে মাটিতে,
মুক্তিযুদ্ধার রক্তে ভেজা পবিত্র ভুমিতে।
ভেসে যেতে না পারে জলে,
ধলেশ্বরী, শীতলক্ষ্যা,কর্ণফুলির বুকে।
অতঃপর, বন্ধুগন অতি সাবধানে,
ছাই, ভস্ম পাঠিয়ে দিন,
বেজন্মা রাজাকারদের জন্ম স্থানে ।




” অতঃপর, বন্ধুগন অতি সাবধানে,
ছাই, ভস্ম পাঠিয়ে দিন,
বেজন্মা রাজাকারদের জন্ম স্থানে । ”
দুর্দান্ত !!
শুভকামনা রইলো ।
ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
মানুষের চোখে হাসে পাথরের চোখ
মানুষ আজকাল বড় বেশী সন্দেহ করে মানুষকে।
অবিশ্বাসের ফেনা ফুলতে ফুলতে ভরে যায় বুকের দিঘী
পুরোনো বাড়ির মতো ধ্বসে পড়ে বিশ্বাসের কড়িকাঠ …
অর্ধ শত বছর পরেও সে নাটকের মঞ্চায়ন হবে। মানুষ দেখবে। বলে উঠবে .. কত দেখলাম !!
ধ্বসে যাক, পুড়ে যাক, তবুও একটা কিছু হউক। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
গায়ে কাটা দিয়ে উঠল ,

অসাধারণ লিখেছেন।
আমরা ভাই নরম মনের মানুষ, সামান্যতেই বড় বেশী ভয় পাই। যাদের কাটা দেওয়ার কথা, তাদের কিছুতেই কিছু হয় না।ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন।
এই পঞ্চাঙ্ক নাটক কবে যে শ্যাষ অইবো আল্লাই জানে—————-তবু ভালো লাগা শুভেচ্ছা।
আপনাদের ভালো লাগলো আর আমিও একটু মনকে হালকা করলাম, এই আর কি।ভালো লাগলো জেনে
খুশী হলাম। ভালো থাকবেন।