আবুল মাল আব্দুল মুহিত আমাদের দুষ্টু অর্থমন্ত্রী তার অফিসের লিফটে কখনো উঠতে পারেনা । সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠে! কেন বলুনতো?
কারন তার লিফটের সামনে লিখা একটি সাইনবোর্ড রয়েছে’ “ এই লিফটে মাল পরিবহন নিষেধ ” হা-হা-হা-হা, হো- হো- হো -হো
এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।



ধন্যবাদ
আপনার মতামত আমাকে আরও লিখতে উৎসাহিত করবে।
“এই লিফটে মাল পরিবহন নিষেধ।”

ধন্যবাদ
ভাল থাকবেন ।
সংস্কৃত “মল” ধাতুর সাথে ‘অ’ প্রত্যয় যোগে “মাল” শব্দটির আবির্ভাব যার একাধিক আভিধানিক অর্থ রয়েছে । যেমন: পণ্যদ্রব্য, ধনসম্পদ, কুস্তিগির, সাপের ওঝা, মদ-সুরা, খাজনা, মালা ইত্যাদি [১,২] । সঙ্গীতে “মালকোষ” নামে একটি রাগ-ও পাওয়া যাবে। তবে অধুনা কথ্য বাংলা ভাষায় “মাল” একটি চমকপ্রদ শব্দ যার অর্থ ও প্রয়োগ ততোধিক ব্যাপক। স্থান, কাল, পাত্র ভেদে “মাল” হতে পারে অর্থ-সম্পদ, জিনিস-পত্র, মদ-মাদক, বিতর্কিত/অদ্ভুত ব্যক্তিত্ব (আজব চিজ বা আজীব), আবেদনীয় নারী/পুরুষ এবং আপত্তিকর কিছু অর্থ! (সুত্র-মুক্তমান কিশোর)
আরবী ‘‘বায়ত’’ শব্দের অর্থ ‘ঘর’ বা ‘আগার’ এবং ‘মাল’ শব্দের অর্থ সম্পদ। সুতরাং বায়তুলমালের শাব্দিক অর্থ হলো সম্পদাগার। সাধারণত রাষ্ট্রীয় কোষাগারকেই বায়তুলমাল বলা হয়।
সর্বক্ষণ মুখে হাসি ধরে রাখা এক বিরল অভ্যাসের ব্যাপার এবং এই বিরল অভ্যাসটিই বিগত সাত দশক ধরে মুখে ধরে রেখেছেন আমাদের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নামের সঙ্গে তার মন্ত্রিত্বের কার্যভার বা Portfolio সুন্দরভাবে মিলে গেছে। আমরা যদি আবুল মাল অর্থাৎ আরবী আবুন-আল-মাল এভাবে ধরে নিয়ে ‘মাল’ শব্দের অর্থ ধন-সম্পদ বা অর্থবিত্ত ধরে নেই এবং ‘আবুন’ শব্দের অর্থ বাবা ধরে নেই তাহলে তিনি হলেন ‘মাল’-এর ফাদার। অর্থাৎ অর্থমন্ত্রী।(সুত্র জনকন্ঠ- শফিকুর রহমান)
মাননীয় অর্থমন্ত্রী আমাদের এই শব্দ নীড় ব্লগের উদ্ভোধন করেছেন সুতরাং–
এরশাদ ভাই চমৎকার বিশ্লেষন করেছেন, এই অর্থমন্ত্রির হাসিটাই আমাদের সবার পছন্দের। আর উনার এই মূল্যবান সময় থেকে আমাদের সেদিন অনেক খানি সময় দিয়েছিলেন তাই কৃতজ্ঞ আমরা তার কাছে।
কারো নাম নিয়ে মশকরা করা গুনাহের কাজ। এটা থেকে সবাই বিরত থাকা উচিৎ।
চমৎকার বিশ্লেষন । ধন্যবাদ
রাজু মাইন্ড করবেন না।প্লিজ
হাসি মজাক করার মতো বিষয় না থাকলে
হাসির জন্য বিশেষ প্রকারের গ্যাস আছে তা ব্যবহার করতে পারেন
কিন্তু দেশ পরিচালনার দায়ীত্ব রত কোন ব্যক্তিকে নিয়ে অন্তত ব্লগে হাসা হাসি না করাই উত্তম।
জনাব মুহিত শব্দনীড়েরই এক জন।
জনাব মুহিত শব্দনীড়েরই এক জন
ডা. স্যার,কেউ শব্দনীড়ের হলেই এবং সে সমালোচনার জন্য যোগ্য হলেও সে কি সমালোচনার বাইরে থাকবে??
ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলেন…।
জনাব তারিক সাহেব,
এখানেই সমস্যা আপনার কোন কিছু ভালো করে না পড়েই উল্টা তর্ক করেন।
যেমন ডাঃ দাউদ বলেছেন হাসাহাসি না করার জন্য আর আপনি বলেছেন সমালোচনা না করার জন্য। এই ব্লগে হাজারো পোস্ট আছে যেখানে অনেক সমালোচনা আছে। কাউকে নিয়ে তামাশা করা, তার নাম নিয়ে কৌতুক করা নিশ্চয় ভালো কোন দিক নয়।
আপনি কি এতই অবুঝ যে আপনাকে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে হবে?
আমার জানা ছিলনা । এটা শুধুই একটি জোকস্ । কাউকে হীন করার উদ্দেশ্যে আমার এই লেখা নয়।
“মীরাক্কেলে” জাজদের নিয়েও অনেক জোকস্ বলা হয়। মতামতের জন্য ধন্যবাদ
দেশ পরিচালনায় আরো তরুণদের এগিয়ে আসা উচিত, বুড়োদের নিজ থেকেই সরে গেলে ভাল।
পুরান চাল ভাতে বাড়ে । নতুন ও পুরাতন সকলে মিলে দেশের জন্য কাজ করা উচিত ।
মতামতের জন্য ধন্যবাদ