.

.
নির্বাক যন্ত্রণা (অনুগল্প)
.
“বাদাম দেইখা চাইয়া থাকি ই ই ই ই
আমার নি কেউ আসে রে ……..”
সূর্য্য ঢলে পড়েছে পশ্চিম দিগন্তে। কমলা রঙের তির্যক রোদ এসে পড়ছে শিবলীর মুখে। বেড়াবিহীন বারান্দায় বসে কাঠ চেঁচে পুতুল বানাতে বানাতে বারী সিদ্দিকীর “আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি রে” গানটা গাইছিলো শিবলী। “বাদাম দেইখা চাইয়া থাকি ই ই ই ,আমার নি কেউ আসে রে ……..” কানে যেতেই তিন বছরের অপ্সরী দৌড়ে এলো,
: মামা ! এই নাও দুই টাকা।
ততক্ষণে শিবলীর চোখ মুখ গোল। অবাক হয়ে সে জিজ্ঞাসা করলো,
: টাকা দিয়ে আমি কি করবো!
: বাদাম কিনে খাবে।
: কেন?
: তুমি অন্যের বাদাম দেখে চেয়ে থাকো, এটা ভালো কাজ নয় মামা। লোকে খারাপ বলবে।
এইবার ব্যাপারটা পরিস্কার হয় শিবলীর কাছে। সে আনমনে যে গান গাইতেছিলো, ছোট্ট অপ্সরী সেই শুনেই ধরে নিয়েছে ওর মামা বাদম খাবার জন্য বাদাম দেখে চেয়ে থাকে। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে শিবলীর হাসিতে ফেটে পরাটাই স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু সে হাসলো না। অপ্সরীকে বুকের মধ্যে টেনে নিলো। অপ্সরীর মাথার তালুটা ঠেকে আছে শিবলীর থুঁতনিতে। ওর নরম রেশমের মতো চুলের ভেতর চুমু খেলো শিবলী।
: আচ্ছা মা, এই দুই টাকা তুমি কোথায় পেলে?
: মনে নেই তোমার, কাল বিকেলে আমায় দিয়েছিলে!…. মামা, এই পুতুলটা কার জন্য বানাচ্ছো?
: তাতো জানি না! হতে পারে আমার মায়ের জন্য।
: তোমার মা কই থাকে?
: আমার বুকের মধ্যে থাকে।
: ও ও ও ও
দুজনেই একটু চুপ করে থাকার পর অপ্সরী বলে,
: মামা, আমাকেও একটা পুতুল বানিয়ে দেবে?
: দেবো মা।
আবারও চুপ হয়ে যায় অপ্সরী। মেয়েটার এই এক বৈশিষ্ট্য— একটু কথা বলেই বড় মানুষদের মতো গম্ভীর হয়ে থাকবে কিছুক্ষণ।
: মামা, তোমার মা কে ?
: তুমি ই আমার মা।
: তাই ! তাহলে আমার মা কে? মাকে দেখি না কেন? সে কোথায় থাকে ?
অপ্সরীর মায়াভরা চোখ দু’টোতে একরাশ জিজ্ঞাসা। ওর এসব প্রশ্নের সম্মুখীন হবার জন্য প্রস্তুত ছিলো না শিবলী। কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না, তাই আনমনে বলতে থাকে সে……
: দেখো তো, মা ! প্রায় রাতেই তো তুমি তোমার মাকে দেখো। তোমার মা ঐ আকাশে থাকে। তুমি রাতে যে তারা দেখো না—তাদের মধ্যে যে তারাটা সবচেয়ে বড় আর বেশি ঝিলমিল করে, সে হচ্ছে তোমার মা।
: মা আমার কাছে থাকে না কেন মামা ? আমার যে মার কাছে থাকতে খুব ইচ্ছে করে…
এরপর আর কথা সরে না শিবলীর মুখে । বাকরহিত-র মতো বসে থাকে শিবলী। আর তার স্মৃতিপটে ভেসে উঠতে থাকে অনেক ছবি…অনেক কিছু।
খুব পুতুলের শখ ছিলো শিউলীর। প্রতি বছর বৈশাখী মেলায় আর কিছু না হোক একটা পুতুল সে কিনতোই কিনতো। আর সারা বছরে কতবার যে আবদার করেছে “দাদাভাই, একটা পুতুল বানিয়ে দাও না ! তোমার বানানো পুতুল সবচাইতে সুন্দর হয়।”
শিউলীর শখ আর আবদার পূরণ করতে গিয়েই পুতুল বানাবার কৌশলটা রপ্ত হয়ে গেছে শিবলীর। এখন সে আর কারো আবদারের অপেক্ষায় থাকে না, ইচ্ছে হলেই পুতুল বানায়। বাতাসে শুকনো পাতার মর্মরে যেন সে শুনতে পায় শিউলীর কন্ঠস্বর। বাগানে একটা অচেনা পাখি হঠাৎ ডেকে ওঠে, শিবলীর মনে হয় শিউলী যেন পাখি হয়ে তাকে বলছে, “দাদাভাই! একটা পুতুল বানিয়ে দাও না”। চৈতালি সাঁঝে মাঠ থেকে যখন ভেসে আসে রাখালিয়া বাঁশির সুর, শিবলীর মনে হতে থাকে, শিউলী না জানি কতো আবদার করে যাচ্ছে তার কানে। তাই এখন সে যখন-তখনই পুতুল বানায়, তার বড় আদরের বোনটাকে মনে করে সে কাঠের বুক খুদে বের করে আনে নানা রকম অভিব্যক্তি ভরা পুতুল-মুখ।
অপ্সরীর জন্মের সময় শিউলী ছেড়ে গেছে প্রিয় দাদাভাই শিবলীকে। অপ্সরীর বাবা শিউলীকে ছেড়ে গেছে তারও ছ’মাস আগে। বুঝি অপ্সরীকে পৃথিবীতে পৌঁছে দেবার জন্যই শিউলীর এ ছয়টা মাস এখানে থাকা। স্বামীঅন্তপ্রাণ ছিলো সে, আর অপ্সরীর বাবাও শিউলীকে প্রাণের চাইতে বেশি ভালোবাসতো। সেই ভালোবাসা থেকে শিউলী তাই নিজেকে বেশি দিন দূরে রাখতে পারেনি।
“অপ্সরী” নামটা শিবলীর রাখা। বোনের মৃত্যুর পর আর বিয়ে থা-র কথা মাথায়ই আনেনি শিবলী, অপ্সরীকে বুকে নিয়েই কাটিয়ে দিচ্ছে দিন। অপ্সরীটা দেখতে হয়েছে ঠিক ওর মায়ের মতো…গোলগাল মুখ আর বড় বড় দুইটা চোখ কিন্তু নাকটা বোঁচা। তাই ওকে দেখতে পুতুল পুতুল লাগে। মা পুতুল ভালোবাসতো বলেই পৃতিবীতে একটা পুতুল রেখে গেছে হয় তো। অপ্সরী স্বভাবটাও পেয়েছে মায়ের। বোধ খুব তীক্ষ্ণ ওর, এতটুকুন মেয়ে ! যে কথাটা ওর বুঝবার কথা নয়, তাও সে বুঝে যায় কিভাবে যেন! আর পুতুল বলতেই পাগল। ঘরে কয়েক কুড়ি পুতুল রয়েছে তার, নিজের আর মায়েরগুলো এখন তার সম্পদ। তারপরও আজ বললো, “মামা, আমাকেও একটা পুতুল বানিয়ে দেবে?” এ তার কোনো দিন শেষ না হওয়া আবদার, যেন মায়ের শখের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়ে সে এসেছে পৃথিবীতে; আর এসে সে হয়ে গেছে মামার পৃথিবী।
অনেক কথা, অনেক স্মৃতি ঘুরপাক খাচ্ছে শিবলীর মনে, খুব ওলট-পালট চলছে মনের ভেতর। জল গড়াচ্ছে চোখে। আজ আর পুতুল বানাবার ইচ্ছে নেই শিবলীর। অপ্সরীও যেন বুঝতে পারছে তার মনের অবস্থা। চুপচাপ বসে আছে মামার বুকের সাথে লেগে। সূর্য্যটা ডুবে গেছে আধা, এরই মধ্যে উঠানের কোণের ডালিম গাছের ওদিকে কোথাও বসে ডাকতে শুরু করেছে কয়েকটা ঝিঁঝি পোকা। শিবলীর প্রাণের ভেতর হু হু করে ওঠে একটা ব্যথা। অপ্সরীকে আরও শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরে যেন সেই ব্যথাটা চাপা দিতে চাচ্ছে সে।
আফরোজা হক
গুয়াংজু, চায়না।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ ইং।
[নামকরণঃ মিঃ দক্ষিণ কোরিয়া]



এ কোন কঠিন প্রশ্নের সামনে দাড় করালি বোন ?
সাইক্লোনের প্রাণের ভেতর হু হু করে ওঠে একটা ব্যথা। অপ্সরীকে আরও শক্ত করে বুকে জড়িয়ে ধরে যেন সেই ব্যথাটা চাপা দিতে চাচ্ছে সে।
আসলেই অনুভব করছি সেই ব্যথা
১ম হবার জন্য অভিনন্দন
আর সাইক্লোনের ব্যথা এবার শিবলীর বুকে দিয়ে দিছি
মায়ের শখের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়ে অপ্সরী পৃথিবীতে এসে থাকলে ।
শিউলি আর অপ্সরী পুতুল বানাতেই সাইক্লোনের আসা তাই বুঝা যাচ্ছে। সাইক্লোন সবকিছু এলোমেলো করে দেয় এর মধ্যে মমত্ববোধ দায়িত্ববোধ আছে ।
গল্প দারুন লেগেছে আপু। অপ্সরীর বাবার কি হয়েছিল?
অপ্সরীর বাবা বুঝি আবার বিয়া করেছে; কিন্তু সাইক্লোন ভাইয়ার জীবন কি পুতুল বানিয়েই শেষ হবে?
আমার তো শিউলি আর অপ্সরীর চেয়ে সাইক্লোন ভাইয়ার জন্যই বেশী কষ্ট হচ্ছে
বিঃদ্রঃ
সাইক্লোন এর বদলে শিবলী পড়িতে হইবে কারণ গল্পকার জীবিত হইয়া গল্প সম্পাদনা করিয়াছে
@বেদুইন ভাইয়াঃ
গল্পকার জীবিত হইয়া মানে ! গল্পকার মরে গেছিলো নাকি !!

হাসেন কেন বন্ধু ?
আপনার জন্য আমি চিন্তা করি, কষ্ট পাই আর আপনি হাসেন?
শিউলি বোকী মরে হিয়েও জ্বালিয়ে যাচ্ছে।
গল্পকার জীবিত হইয়া গল্প সম্পাদনা করিয়াছে
বন্ধু হাসলাম এই কারনে, গল্পের কোথাও তো লিখা দেখলাম না গল্পকার মারা গেছে,
আর বোন টা যে আদরের, তার সব জ্বালা তো সইতে হবেই, সে যে তার সবচাইতে প্রিয় ধন আমার কাছে আমানত রেখেছে, তাকে দেখে রাখার , তাকে মানুষ করার। এই আমানত নিয়ে কি নিজের কথা চিন্তা করা যায় ?
গল্পের বাকি চরিত্র গুলো জীবিত । শিউলি যদি গল্প লেখকের নাম হয় নিশ্চয় মারা গিয়েছিলেন।
একটা বিয়ে সাদী করে ও দায়িত্ব আরো ভাল ভাবে পালন করা যাবে। সহযোগিতা পাওয়া যাব । আমানত রক্ষা করা ও সহজ হবে তাই বলছিলাম
@ বেদুইন ভাইয়াঃ

যে মারা গেছে, সে কি করে গল্প লেখে ?
বন্ধু, শিউলি এখানে গল্পকার নয়, শিউলি এবং তার স্বামী মারা যাবার পর তাদের সন্তান কে মানুষ করার সময়কার গল্প এটা, এখানে গল্পকার হিসাবে শিউলি কিভাবে আসে বুঝলাম না ।
গল্পের চরিত্র ৪ টি শিউলি এবং তার স্বামী, আপ্সরা এবং তার মামা , এই ৪ জনকে নিয়ে গল্পকার তার গল্প লিখেছেন ।
একটা বিয়ে সাদী করে ও দায়িত্ব আরো ভাল ভাবে পালন করা যাবে। সহযোগিতা পাওয়া যাব ।
এই কথা টা আরও একটু ভাবুন বন্ধু, বর্তমান সমাজে নিজের সন্তানকে পর মনে হয় যদি প্রথম স্ত্রী মারা গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করে কেউ। সেই ক্ষেত্রে ভাগিনী কততুকু নিরাপদ থাকবে ?
বর্তমান সমাজে নিজের সন্তানকে পর মনে হয় যদি প্রথম স্ত্রী মারা গেলে দ্বিতীয় বিয়ে করে কেউ। সেই ক্ষেত্রে ভাগিনী কততুকু নিরাপদ থাকবে ?
ভালো লেগেছে আফরোজা আপা
শুকরিয়া দেয়াল ভাই।
ভালো থকবেন সবসময়।
এই কি অপ্সরী , মায়ের জন্য মন খারাপ করে বসে আছে ?
তাই তো ! চলেন চলেন ওকেই জিজ্ঞাসা করি ।
মনটা কেন খারাপ তোমার
সোনা মানিক মা
ঐ যে দেখো তারার মাঝে
তাকিয়ে তোমার মা
জিজ্ঞেস করলাম
এবার একটু হাসো মামণি
গল্পের লেখক তোমার মা!
মিছামিছি গল্প পড়ে
কাঁদছে তোমার বোকা মামা
আমার নি..কেউ আসে………
আমার জন্য কেউ নাকি? আসলেই তো কেউ আসে না…বুকের ভেতর ব্যাথা, বুকের উপর মানস পুতুল হাতে কাঠের পুতুল। সাথে সাথে জীবনটাও একটা পুতুলের মত অবিরত সময়ের সুঁতোয় নেচে চলছে……….
সুন্দর বলেছেন তুষার ভাইয়া। বুকের ভেতর ব্যাথা, বুকের উপর মানস পুতুল হাতে কাঠের পুতুল। সাথে সাথে জীবনটাও একটা পুতুলের মত অবিরত সময়ের সুঁতোয় নেচে চলছে……….
ভালো থাকুন অবিরাম।
আমি তুষার ভাইয়া না, আমি ফিরোজ খান………
হাহাহাহা…..ফিরোজ খান তুষার আর একজন।
ব্যাপার না, ধন্যবাদ।
আমি ভাবছিলাম আপনিই ফি………
নির্বাক যন্ত্রণা (ছোটগল্প)
এককথায় সার্থক একটি লিখা।
“মামা, আমাকেও একটা পুতুল বানিয়ে দেবে?”
এ তার কোনো দিন শেষ না হওয়া আবদার, যেন মায়ের শখের ধারাবাহিকতা
রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়ে সে এসেছে পৃথিবীতে; আর এসে সে হয়ে গেছে মামার পৃথিবী।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ মুরুব্বী ভাইয়া।
শুভ কামনা সবসময়।
ফুল দিয়া কি কইলেন ?
আমিও কিছু কমু না, খালি ফুল দিমু

আজিব !
গুল্লি খাইয়াও নি মানুষ এমুন হাসে !!
এইরকম তুলা দিয়া গুলি করলে তো সুরসুরি লাগে
আপনিও দেখি কথা কন নাই
গল্পটা পড়তে পড়তে মনে হোল এটা যেন এক সত্যি ঘটনা, তোর মেয়ে আমার কাছেই আছে। কিন্তু মনে প্রানে চাই শেষ ৪ টা প্যরা যেন কখনই আমার জীবনে সত্যি হয়ে না আসে ।
আমিও তাই চাই ভাইয়া।
ভালো লাগল। সাথে মন খারাপ ও হল।
পড়বার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
মন-খারাপ সেরে যাক—-এই কামনা।
আপু কেমন আছেন?
ভালো আছি আপু।
আপনি কেমন আছেন?
ভাল আছি।
আপনাদের পাইনা তাই চলে আসলাম।
আমি সব ব্লগেই অনিয়মিত ভাই।
আজ কি মনে করে একটা গল্প নিয়ে হাজির হলাম।
মা পুতুল ভালোবাসতো বলেই পৃতিবীতে একটা পুতুল রেখে গেছে হয় তো।
অপুর্ব!!!

ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা সাইদ ভাই।
শুভ কামনা অফুরান।
গল্পটা প্রথমে পড়ে খুব অস্বস্তি হয়েছিল।
নাম বদলে দেয়াতে ভালো লাগছে।
ধন্যবাদ।
বদলে দিলেও কিন্তু মূলে ঠিকই আছে
শুভ কামনা।
বিয়েটা আর করাই হল না অপ্সরীর মামার।

আহারে …….

চেয়ারম্যান আফার গল্প খুব সুন্দর হইছে
আমার মনে লয় গল্পকার নিজেও পুতুল খুব পছন্দ করেন
তুমি রাতে যে তারা দেখো না—তাদের মধ্যে যে তারাটা সবচেয়ে বড় আর বেশি ঝিলমিল করে, সে হচ্ছে তোমার মা

কি হলো ?

ভাল লাগল, ভাল থাকুন।
শুভ কামনা রইলো।
তুমি রাতে যে তারা দেখো না—তাদের মধ্যে যে তারাটা সবচেয়ে বড় আর বেশি ঝিলমিল করে, সে হচ্ছে তোমার মা
আমিও আমার মাকে তারাদের মাঝেই খুজি।
আপনার মায়ের জন্য দোয়া।
শুভ কামনা পাশা ভাই।
আমিও আমার মাকে তারাদের মাঝেই খুজি।
ধন্যবাদ পাশা ভাই
হুম
বহুদিন পর ….
আমি ভালো আছি, তুমি কেমন আছো?
তোমাকে দেখে ভালো লাগছে।
ভালো থেকো।
কিসে
ভাই ?


বুঝিনাইক্কা
কত্তদিন সখির কোন খবর পাইনা। কেমন থাকেন আজকাল?
হুম, আসলেই অনেকদিন।
ভালো আছি আমি। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়া গেছিলাম সখি। গতকাল ফিরলাম চায়নাতে।
আপনি কেমনাছেন? দিনকাল কেমন যায় আপনার?
শুভ কামনা জানবেন।
আমিও ভাল আছি। খুব ভাল লাগল খরবটা জেনে। বেশ কেটেছে নিশ্চয় সময় গুলো? আগামীর জন্য শুভকামনা।
লেখাটা মন খারাপ করা হলেও। গল্পটা বেশ ভাল লাগল।
গল্পটা লেখার পরে বুঝি দ: কোরিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছিল? মানে লেখাগুলো কি দ: কোরিয়া থেকে এডিট-ছাড়পত্র এসব হয়ে আসে?
এতোদিন পরে হলেও লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ সখি।
আমার লেখাগুলো দঃ কোরিয়া থেকে এডিট-ছাড়পত্র হয়ে আসে না
, আমার সকল লেখার ছাড়পত্র অগ্রিম দিয়ে দিয়েছে মিঃ দঃ কোরিয়া, যেগুলো লিখেছি সেগুলোরও, যেগুলো আগামীতে লিখবো সেগুলোরও 
হাহাহা
তা জানি। এমনতেই মজা করলাম।
কেননা নামটা মি. কোরিয়ার দেয়া তাই এমনটি বলা আরকি।
আশা করছি এবার নিয়মিত হবেন। আমি ভেবেছিলাম আপনার পড়লেখার চাপ বেশি তাই দেখা যায়না।
অনেক দেরীতে হলেও লেখাটা পড়ে ফেললাম। এই ধরনের গল্প ছোট বেলাতে শুনলে খুব কস্ট পেতাম(আজো পাই)। একবার একটা গল্প শুনেছিলাম(সত্য ঘটনা), দুটি বাচ্চা রেখে মা মারা গেছে। বাচ্চা দুটি মায়ের কবরের উপর যেয়ে শুয়ে থাকে।শুনে কেদে ফেলেছিলাম। আজো লিখতে যেয়ে যেন, সেই ছোত বেলার মত ইমশনাল হয়ে যাচ্ছি।
শুভ কামনা রইল।
গল্পটা আগে পড়েছিলাম, মন্তব্য করা হয়নি। ভাল লাগলো। শুভেচ্ছা।