.

.
আমার বৃষ্টি-দিন
.
আমার রাজ্যে শুনশান নিরবতা…
বৃষ্টি মেয়ে যায় গেয়ে তার রাজ্যের কথকতা ।
আজ আকাশের মন ভালো নেই ;
দূর পাহাড়ের পেছনে দাঁড়িয়ে
মুখভার—সেই সকাল থেকেই ।
এদিকে আমার একলা ঘরে যে
মন হয়ে আসে ভার ;
যা কিছু কষ্ট আমার—
তাতে, যায় আসে কি বা কার !
আমি তো কারো পথ চেয়ে নেই,
তবু কার যেন পথ চেয়ে আজ
ভুলে গেছি আমি সকাল-দুপুর
বিকেল, আরও ভুলে গেছি কাজ !
বাদলের জল-গুড়িগুড়ি ফোঁটা,
এলোমেলো মৃদু বায়,
মনের ভেতর সব এলোমেলো—
পথ খুঁজে তো না পায়;
কেন মন আজ এমন বিবাগী
কারে ভেবে পথ চায় ………
আমার “আমি”-রে খুঁজে ফিরি মিছে
ঘোলাটে মেঘের আড়ে,
কতদিন হয়—–কতো মাস-যুগ !
হারায়ে ফেলেছি তার।
ছিলো মনে যত গান আর হাসি
আর যত ছিলো ভালোবাসাবাসি
কোন দূরদেশে চলে গেছে তারা এমন বাদল দিনে,
জোর করে আমি সুখে থাকি, আমি ভালো থাকি তুমি বিনে ।
বৃষ্টির জল — খুব দরদী,
ঝুম বরষার উতলা প্রহরে
তোমারেই ভেবে একলা নিভৃতে
দু’নয়নে জল ঝরে গো যদি —-
বৃষ্টি-ফোঁটারা অস্ফুট বোলে,আমারে যে বলে “আয়” ।
নিজেরে না বলে, বৃষ্টির ডাকে — নেমে যাই ধীর পায় ।
তারপর হয় ঘোর বরষণ,
বৃষ্টি,আমি — দু’জনে তখন
সখির মতন জড়াজড়ি করে, ইচ্ছে মতন কাঁদি,
দোঁহের প্রাণেতে বাজে ব্যথা কত — অনন্ত অনাদি ।
আমার অশ্রুধারা ———
বৃষ্টিধারায় মিশে একাকার,
এমনি করেই বুঝি সবাকার
চোখ ফাঁকি দেয় তারা ।
আবার, আকাশে রোদ ঝলমলে, প্রকৃতি বৃষ্টিহীন;
কার পথ চেয়ে বারমাস থাকে আমার বৃষ্টি-দিন ।।
…………………….*…………………..
২৮ জুলাই ২০০৯ ইং
আফরোজা হক
জিউজিয়াং, জিয়াংসি, চায়না।
উৎসর্গঃ হিমু-কে(অনন্তকাল যার পরাণে বেঁধেছি মোর প্রাণ )



হিমু-কে ??????????? কে????
হিমু হইতাছে “ভূতের নাতির নানা”

যে
হয় আর যে স্বপ্নবাজীর মতন ”
” থুঁতনি ডলে …

মঙ্গল দিয়া জ্বলুক মননে…… শুভেচ্ছা।
শুভকামনা পাগল ভাই।

হুম রোমান্টিক কবিতা।

নতুন লেখা কৈ আপু?
হিমুটা কে জানবার মন চায়!
আজকাল আলসেমী বড় বেশি পেয়ে বসেছে, তাই উৎপাদন বন্ধ

হিমুর পরিচয় দিছি তো , উপরে
ভালো লাগা রেখে গেলাম।
ভাল থাকবেন, শুভকামনা সতত।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনাকে বর্ষার ভেজা কদম ফুলের শুভেচ্ছা।
এদিকে আমার একলা ঘরে যে
মন হয়ে আসে ভার ;
যা কিছু কষ্ট আমার—
তাতে, যায় আসে কি বা কার !
এ অভিমান কার প্রতি, এ বেদনার রং এত প্রগাঢ় কেন?
ছবি টা অসাধারন, মনে হয় বৃষ্টির জগতে যাবার একটা পুল ওটা।
ভাল থাকুন, সুন্দর কবিতা ও ছবির জন্য ধন্যবাদ।
তাইতো ! এ অভিমান কার প্রতি !!
হতে পারে আকাশের মেঘের প্রতি, হতে পারে তা বৃষ্টির প্রতি………কিংবা হতে পারে তা খোদ জীবনের প্রতি।
মাঝে মাঝে নমে হয়, আমার নিজের অনুভূতির প্রতিই আমার ভীষণ অভিমান !
“বৃষ্টি-জগতে যাবার পুল” বাহ! সুন্দর ভাবনা তো ! যখন তখন বেড়িয়ে আসা যাবে পুলের ওপারের বৃষ্টি-জগত থেকে।
আপনাকে রিমঝিম বৃষ্টির শুভেচ্ছা।

এই তো পরিপুর্ন একটা কবিতা পেলাম।
এখন পড়ছি।
আমার লেখা, এই কবিতা টা শেয়ার করলাম । বৃষ্টি ও বিরহ যেন একাকার হয়ে গেছে কবিতা তে।
খুব ছুয়ে গেছে প্রান।
এই অংশটুকু বেশি করে ভাল লেগেছে, উদাস করে দিয়েছে আমারে।মনে হল যেন, আমিই বসে আছি বিবাগী হয়ে বসে আছি, কারো পথ চেয়ে।
শুভ কামনা রইল।
উল্লেখ্য, এই হিমু কে ???
হুমায়ন আহমেদ এর হিমু চরিত্র কিন্তু আমাকে মারাত্মক টানে। রহস্যময় ও মাদকতাপুর্ন চরিত্র হিমু, যেখানে হুমায়ন আহমেদ তার মননশীলতার চুড়ান্ত বিকাশ ঘটিয়েছেন।
মহাকাল থেকে ফিরে কাল স্রোতে, দেখি শুধু একা একা।
কতকাল আর কতকাল বল, মহাকাল দিবে ধোঁকা?
একদিন জানি, ফিরে কাল স্রোতে, খুঁজবি রে তুই মোরে
হয়তো ফিরে, দেখবি পাষানী, শুয়ে আছি শেষ নীড়ে ।
খুব সুন্দর বলেছেন।
জীবনটা ঠিক যেন এমনই ।
যখন কবিতাটা লিখছিলাম, মনটা প্রকৃত পক্ষেই খুব খারাপ ছিলো আমার, বিমনা ছিলাম। দুঃসহ অথচ সইতে হবে, এমন একটা যন্ত্রণা তার মায়াজালে ঢেকে দিচ্ছিলো নিচ্ছিদ্রভাবে …
এই হিমু সে, যার বিরহে বারমাসি বরিষণে ভিজে চুপচুপে হয় আমার জীবন-জুড়ে ফুটে থাকা কদম-কেয়া।
ভালো থাকুন ভাইয়া, থাকুন সজীব-সুন্দর ও প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরা।

সকলকে নিমন্ত্রণ বর্ষার বর্ষণে ভেজার।
কদম-কেয়ার শুভেচ্ছা দস্যুভাই।

হিমু টা আবার কে? খায় না মাথায় দেয়

স্যাররা এতো কম বুঝলে ক্যামনে চলে ! তাইলে তারা স্টুডেন্টগো পড়াইবো কী !! ছায়েদা আলী আপু তো ঠিকই বুঝে ফেল্লেন ……
হিমু খায়ও না, মাথায়ও দেয় না; পরাণে দেয়।

হিমু কি কবিতাটি পড়েছে ?

হিমুর মানবীর জন্য অজস্র শুভকামনা রইলো
হুম আপু, পড়েছে
আমার আপুর জন্যও বৃষ্টি-ভেজা কদমের শুভেচ্ছা।

বৃষ্টির ছবি দেখেই ভিজতে ইচ্ছে করছে


কবিতা দারুন হয়ছে আপু ।
হিমু কে বৃষ্টির মত ভালোবাসা দিও
দুইজনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা ।
দুইজনের জন্য
বৃষ্টির জল — খুব দরদী,
ঝুম বরষার উতলা প্রহরে
তোমারেই ভেবে একলা নিভৃতে
দু’নয়নে জল ঝরে গো যদি —-
বৃষ্টি-ফোঁটারা অস্ফুট বোলে,আমারে যে বলে “আয়” ।
নিজেরে না বলে, বৃষ্টির ডাকে — নেমে যাই ধীর পায় ।
তারপর হয় ঘোর বরষণ,
বৃষ্টি,আমি — দু’জনে তখন
সখির মতন জড়াজড়ি করে, ইচ্ছে মতন কাঁদি,
দোঁহের প্রাণেতে বাজে ব্যথা কত — অনন্ত অনাদি ।
আমার অশ্রুধারা ———
বৃষ্টিধারায় মিশে একাকার,
এমনি করেই বুঝি সবাকার
চোখ ফাঁকি দেয় তারা ।…………….এটুকু বেশি ভাল লেগেছে। দারুণ।
চমৎকার হয়েছে।

আপনি গায়েব কেনো।
“ছিলো মনে যত গান আর হাসি
আর যত ছিলো ভালোবাসাবাসি
কোন দূরদেশে চলে গেছে তারা এমন বাদল দিনে,
জোর করে আমি সুখে থাকি, আমি ভালো থাকি তুমি বিনে ।”
আফরোজা হক, আচ্ছালামুআলায়কুম। আপনার লিখা বরাবরই হূদয়ছোঁয়া। বহুদিন পর আবার ব্লগে আসলাম। আপনার আব্বা-আম্মা কেমন আছেন? আশা করি মর্র্জ্জি খোদা ভালোই আছেন। সালাম নিবেন এবং তাঁদেরকে দিবেন। আল্লাহ যেনো সবাইকে ভালো ও সুস্থ রাখেন এই দোয়াই করি।
আপনার ছোট বেলার গল্প পড়ে খুবই ভাল লাগল আর তা জানাবার জন্য এখানে একটু চিহ্ন রেখে গেলাম। যদিও ভাবছি এ লেখা কবে আপনার চোখে পরবে!!
দাদাভাই,
আজ চোখে পড়লো।
mona hossa kobitay vaschi