মুক্ত হস্তে দান করুন

পদ্মা সেতুর জন্য দুটি ব্যাংক হিসাব

পদ্মা সেতুতে স্বেচ্ছায় দেওয়া অর্থ সংগ্রহে সরকার দুটি ব্যাংক হিসাব খুলবে। এর মধ্যে একটি হিসাবে দেশীয় মুদ্রা ও অন্যটিতে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ নেওয়া হবে।
আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সচিব বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য অর্থ দেওয়ার বিষয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ায় প্রধানমন্ত্রী আনন্দিত। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তাঁদের এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি জানান। দুটি ব্যাংক হিসাবে জমা পড়া অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, এ ব্যাপারে অর্থ বিভাগ একটি নীতিমালা তৈরি করবে।

সুত্র ঃ http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-16/news/274122

উপরের টুকু হল খবর, পড়ার পর হাসবো না কি করব বুঝে উঠতে পারছি না, এটা কি ধরনের সিদ্ধান্ত? এটা কি স্কুলের বন্ধুদের চাঁদা তুলে বনভোজন???

সরকার এর মন্ত্রী মহোদয়গণ কিভাবে এই রকম একটা হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিলেন এবং ভাবলেন যে, দেশের মানুষ এখনো সেই বোকাই আছে?? নাকি তাদের এই কয় বছরে লুটপাট করেও মন ভরেনি, এখন সরাসরি পাবলিকের পকেটে হাত দিতে চাইছেন???

হয়ত অচিরেই পত্রিকা, টিভি এবং অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে এই দান সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন দিবে সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে।

আচ্ছা ভাবুন তো, কেমন হতে পারে সেই বিজ্ঞাপন?

দেশের জন্য, পদ্মা সেতুর জন্য আপনারা সবাই মুক্ত হস্তে দান করুন

VN:R_U [1.9.7_1111]
রেটিং করুন:
Rating: 0.0/5 (0 votes cast)
VN:R_U [1.9.7_1111]
Rating: 0 (from 0 votes)

এই পোস্টের বিষয়বস্তু ও বক্তব্য একান্তই পোস্ট লেখকের নিজের, লেখার যে কোন নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব লেখকের। অনুরূপভাবে যে কোন মন্তব্যের নৈতিক ও আইনগত দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মন্তব্যকারীর। শব্দনীড় ব্লগ কোন লেখা ও মন্তব্যের অনুমোদন বা অননুমোদন করে না।
▽ এই পোস্টের ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি আছে?

১৬ টি মন্তব্য (লেখকের ৫টি) | ৮ জন মন্তব্যকারী

  1. ফকির আবদুল মালেক : ১৭-০৭-২০১২ | ১৬:৫৩ |

    রাবির সংঘর্ষের নেপথ্যে পদ্মা সেতুর চাঁদা
    Mon, Jul 16th, 2012 8:35 pm BdST

    রাবি/রাজশাহী/রংপুর, জুলাই ১৬ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পর থেকে দ্বন্দ্ব চললেও পদ্মা সেতুর জন্য টাকা তোলাকে কেন্দ্র করেই তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে বলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতার কথায় তথ্য পাওয়া গেছে।

    সরকার সমর্থক সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের মধ্যে রোববার রাতের ওই সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন…
    http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=199569&hb=top

    • বিষণ্ণময়ী : ১৭-০৭-২০১২ | ১৬:৫৫ |

      এই সূত্র ধরেই কি মারামারি হয়েছে পরশু রাবিতে?? শুনলাম একজন মারা গেছে??

    • সাইক্লোন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:০০ |

      হাহাহাহাহ ……… এখনো বসতি গড়ল না, ভিখারি এসে হাজির। অনেকটা এই রকমই হল, এখনো ব্যাংক একাউন্ট হল না, চাঁদা তোলা নিয়ে মারামারি, এখানে ই বোঝা যায় এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ কি।

    • ফকির আবদুল মালেক : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:০৯ |

      ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণের কথা? স্নায়ুযুদ্ধের সেই উত্তপ্ত যুগে মিশরের পরিস্থিতি অনেকটা এখনকার বাংলাদেশের মতই ছিল। আসওয়ান বাঁধ নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তা প্রদানের কথা ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জামাল আবদুন নাসের সোভিয়েতের সঙ্গে অস্ত্র কেনার চুক্তি করায় মার্কিনপন্থী বিশ্বব্যাংক নাখোশ হয়ে মিশরের সঙ্গে ঋণচুক্তি বাতিল করে। এতে আরব জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট নাসেরের আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। তিনি পালটা প্রতিক্রিয়া হিসেবে সুয়েজ খাল জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে বলেন যে, সুয়েজ খাল থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে, তা দিয়েই বাঁধ নির্মাণ করা হবে। তাঁর এই সিদ্ধান্তে পশ্চিমা শক্তিগুলো (বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য) বেজায় চটেছিল এবং আরেকটা আরব-ইসরাইল যুদ্ধও বেঁধে গিয়েছিল বটে, কিন্তু তাতে আখেরে প্রেসিডেন্ট নাসেরের লাভই হয়েছিল। সুয়েজ খাল তো জাতীয়করণ হয়ই, পাশাপাশি নাসের রাতারাতি একাধারে আরব দেশসমূহ, তৃতীয় বিশ্ব ও জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের নায়ক বনে যান। এরপর আর পুঁজিবাদী শিবির কখনো তাঁকে খুব একটা ঘাঁটায়নি।পরে বাঁধ নির্মাণে বিশ্বব্যাংক নিজেই এগিয়ে আসে।(নেট থেকে-http://blog.bdnews24.com/aminur/107219)

      (এই পোষ্টের মন্তব্য দুইটি আমার নয় । প্রসংঙ্গিক মনে হওয়াতে কপি করে পেষ্ট করলাম)

    • সাইক্লোন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:১৫ |

      ধন্যবাদ মালেক ভাই, অবশ্যই প্রসঙ্গিক মন্তব্য। আফসোস আমাদের দেশে “নাসির” কেউ হতে পারল না।

  2. বিষণ্ণময়ী : ১৭-০৭-২০১২ | ১৬:৫৪ |

    আমরা এখন একটি টিম বানাবো যারা এই টাকাটা উঠাবে তবে শর্ত একটা যা টাকা উঠবে তার ২৫% আমাদের বাকীটা সরকারের। কেমন হয় এমনটা করলে।

    এই ভাবে কি সত্যি এতো বড় খরচ উঠবে কখনো, জানিনা আমাদের সরকারের কি হয়েছে বুদ্ধিগুলো কি সব বৃষ্টিতে ধুয়ে যাচ্চে।

    • সাইক্লোন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:০১ |

      জী, আগে আগে নাম দিয়ে দিন… নইলে পড়ে চাঁদা তোলার লিস্ট থেকে বাদ পড়তে পারেন Razz

    • বিষণ্ণময়ী : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:০৮ |

      আমি তো চাদা তোলার কমিটির সভানেত্রি, আমি আবার চাদা কেনো দেবো। আমি তো ভাগ নিবো। Grin Grin

  3. সেতুবন্ধন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:১৮ |

    পদ্মা সেতুর চাঁদা এখন লাশের সেতুর সূত্রপাত ঘটাতে শুরু করেছে।

    হাতে ভাঙ্গা প্লেইট ধরিয়ে দিয়ে সাকুর এজেন্টধারী মন্ত্রীকে গুলিস্তানের মোড়ে বসিয়ে দিন।

  4. মাহমুদ : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:২৪ |

    আমি চাদা দেবোনা। চাদা দিলে ব্রিজ হবে, ফেরি চলবে না। ফেরিতে চড়ার আনন্দ পাবো কি করে?

    • সাইক্লোন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:৫১ |

      গ্রেট কমেন্ট, আমার কাছেও ফেরীর ভ্রমণটুকু আনন্দদায়ক Smile

  5. আ,শ,ম,এরশাদ : ১৭-০৭-২০১২ | ১৭:৫৪ |

    পজেটিভলি যদি সব হতো তাহলে বেশ ভালো লাগতো। “আমরাই বানাবো পদ্মাসেতু” কথাটির মধ্যে যে চ্যালেন্জ আছে সেটাকে যদি আমরা শেষ পর্যন্ত নিতে পারতাম তাহলে বেশ সুখী হতাম।
    যতই সীমাবদ্ধতা থাকুক।

    • সাইক্লোন : ১৭-০৭-২০১২ | ১৮:০৫ |

      “আমরাই বানাবো পদ্মাসেতু” কথাটির মধ্যে যে চ্যালেন্জ আছে সেটাকে যদি আমরা শেষ পর্যন্ত নিতে পারতাম তাহলে বেশ সুখী হতাম।

      ***** একমত আপনার সাথে, কিন্তু দেখেন অবস্থা, এর মদ্ধেই চাঁদা উঠানো নিয়ে মারামারি ……… হায়

    • কবিরনি : ১৭-০৭-২০১২ | ১৮:৪৬ |

      তারা আমাদের গিনিপিগ করে রাখতে চায়। দুর্বল করে রাখতে চায়। তারা চায় আমরা যেন সারাক্ষণ হাত পেতে থাকি। আমরা তাদের কাছ থেকে ঋণ নেই, সেই ঋণ সুদে-আসলে ফেরত দিয়ে থাকি, ভিক্ষা নেই না। তাদের প্রেসক্রিপশনে আদমজী পাটকল বন্ধ করে পাট শিল্পকে ধ্বংস করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে চলতে গিয়ে আমাদের রেল প্রায় মৃত। বিআরটিসি বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছিল, টিসিবি বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলেছিল। এই সবই এসেছিলো এক জায়গা থেকে। তাদের পরামর্শে শিল্প প্রতিষ্ঠান ঢালাও বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল, তাদের প্রেসক্রিপশন ধ্বংসাত্মক। তাদের লক্ষ্যই হল- আমাদের গরিব করে রাখা।” – না কথাগুলো রাহুল কাষ্ট্রো বলেন নি, হুগো শেভেজ বা হোসে মারিস নয়। এমন কি উত্তর কোরিয়ার কিম ইয়ং নামও নয়। বলেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

      বিশ্ব ব্যাঙ্কের কাছে আত্মসর্মপন মানে বিশ্বব্যাঙ্কের লক্ষ্য ও নীতির কাছে আত্মসর্মপন। বিশ্বব্যাঙ্কের লক্ষ্য বা নীতিও সবার জানা। পূজিঁবাদি অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখা এবং তার জন্য মহাজনের মত ঋণের জালে ফাসিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের প্রতি নির্ভরশীল করে রাখা। তার শিক্ষা হল দরিদ্র রাষ্ট্রকে নানা রূপ শর্তের বেড়াজালে ঋণ দিয়ে মুনাফার আর্দশ শেখানো, সামাজীক বিনিয়োগের আর্দশ না শিখিয়ে। এই বাস্তবতা এদেশের আমরা সবাই জানি। কিন্তু রাষ্ট্রে সর্বচ্চো পর্য়ায় থেকে স্বীকৃতি ছিল না। যে আদমজী বন্ধ হলে যমুনা সেতুর মত 3টি সেতু হবে বলা হয়েছিল প্রতিবছর তা হয় নি। একটা পদ্ম সেতুর জন্য আমাদের এখনও দৌড়াদৌড়ি করা লাগছে। বিশ্বব্যাঙ্ক চাই নি যমুনা সেতুর সাথে রেললাইন যুক্ত হোক। রেল অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এটিই ছিল যুক্তি। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান সন্দেহ নেই কিন্তু একে ঘিরে যে ব্যাপক মানুষ উপকৃত সেই সামাজীক মুনাফার কথা বিশ্বব্যাঙ্ককে কে বোঝাবে? রাষ্ট্রিয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ঢালাও বিরাষ্ট্রীয়করনের ফলে দেশে শ্রেনীবৈষম্যর যে বিশাল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে তার দায়ভার কে নেবে? বিশ্বব্যাঙ্কের মুনাফা তত্ব প্রয়োগ করে ব্যক্তিগত মুনাফার পাহাড় হয়েছে সমষ্টিক ক্ষতি সাধন করে। বিশ্বব্যাঙ্কের এই নীতি, শিক্ষা, লক্ষ্যে বাস্তবায়নে আমাদর হাতকচালোনো রাজনীতিবীদদের ব্যাপক ভুমিকা রয়েছে। কিন্তু তাহলে হঠ্যাৎ কেন এই মেরুদন্ড সোজা করে দাড়ানো আমাদের প্রধানমন্ত্রীর। কি এর পিছনের কারন?

      মোটাদাগে পদ্মাসেতুতে বিশ্বব্যাঙ্কের দূর্ণিতির অভিযোগের বিপরীতে নিজেদের লুটেরা ইমেজ রক্ষা করতে এই অবস্থান এ কথা পাগলেও বোঝে। তবে একটা ব্যাপার আবারও প্রমানীত হল , যারা বলেন বিদেশী শক্তি গুলো আমাদের রাজনৈতিক দল গুলোর প্রভূ তারা গত ছয় মাসের ঘটনা একটু বিশ্লেষন করলেই বুঝতে পারবেন তারা আসলে প্রভূ নয় এদেশের রাজনৈতিক দল গুলোর বন্ধু বা সহযোগী। এক মাত্র সহযোগীদের সাথে মতের মিল না হলেই এরকম ধৃষ্টতা দেখানো সম্ভব। যখন মত পথের মিল থাকে তখন কি বর্ণনাতীত শোষন উভয়ে মিলে করে সে কথা একবার ভেবে দেখুন প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় বক্তৃতা উপলদ্ধি করে। কিছু দিন আগেও বিশ্বব্যাঙ্ক, আই এম এফ, এডিবির নীতি বিরোধী, তেল গ্যাস লুন্ঠনের প্রতিবাদকারী জাহাঙ্গীর নগরের অধ্যাপক আনু মোহম্মদকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করতে যে সরকারের দ্বিধা হয়নি, আনু, মানু বলে সংসদে হেয় করতে গলা কাপেঁনি তারা হঠ্যাৎ করে ওহী পেয়ে রাজনৈতিক দর্শন পরিবর্বতন করে ফেলেছে একথা আসলেই অবিশ্বাস্য। তবে ওহী নাযিল হোক না হোক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে সত্য পদ্মাসেতু নিয়ে প্রকাশ করেছেন তার জন্য অভিনন্দন জানাতেই হয়। এরশাদ ভাইয়ের মত আমিও বিষয়টি পজিটেভলি দেখার চেষ্টা করছি ( সম্ভবত এই প্রথম গত চারবছরে আমি আ.শ.ম এরশাদ ভাই এর সাথে কোন ব্যাপারে সহমত পোষন করলাম) এবং তার এই চাদাঁবাজি প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করলাম। তবে কিছুক্ষন আগে দেখা একজনের ফেসবুক স্ট্যাটাস পড়ে শঙ্কায় আছি এই চাদাঁবাজি নিয়ে-

      “কহিলাম, ‘গতকল্য অফিশিয়ালি দেশের জনসংখ্যা প্রকাশ হইয়াছে। উহা সোয়া পনের কোটি মাত্র।’
      প্রভু হাসিয়া কহিলেন, ‘চিন্তার কিছু নাই। কয়েকদিনের মধ্যেই অনেক কমিয়া যাইবে।’
      জিজ্ঞাসিলাম, ‘কী রূপে?’
      প্রভু কহিলেন, ‘পদ্মাসেতুর জন্য তোলা ১৮ হাজার টাকার চাঁদার ভাগাভাগিতে ছাত্রলীগের একজনের মৃত্যু হইয়াছে। এখন ঐকিক নিয়মে আঁক কষিয়া বলো, ২৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে কতগুলো ১৮ হাজার রহিয়াছে?’”

    • সারাদিন : ১৮-০৭-২০১২ | ২৩:৪৩ |

      চরম শঙ্কিত আমিও। এমনিতেই সব জিনিসের দাম বাড়ে, এরপর যদি দামের উপর সেতুর ঘা পড়ে, তাহলে আর ছা পোষা মধ্যবিত্তের বাচ্চা পোষা লাগবে না। উজার হয়ে যাবে।

      আমি পলিটিক্যাল দের বিশ্বাস করা ছেড়ে দিয়েছি অনেকদিন হল। তবে তাদের গালি গালাজ করা ছাড়তে পারি নাই এখনো।

      দেশটাকে ক্রমাগত বলাৎকার হতে দেখে আর কি করতে পারি?

  6. চারুমান্নান : ১৮-০৭-২০১২ | ১৩:২৩ |

    চোখ কান খোলা রাখুন ভাইজান,,,,দেশ প্রেমের নতুন মন্ত্র!!!!!!!!!!! বাঙালিক জাতীয়তা বোধ শিখায়