Yeti Lobster /Yeti Crab বা ইয়েতি কাঁকড়া। প্রাণীবিদ Robert Vrijenhoek এর নেতৃত্বে Monterey( California) ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Monterey Bay Aquarium Research Institute দক্ষিণ-প্রশান্ত মহাসাগরে এই অদ্ভুত কাঁকড়া আবিস্কার করে । ইস্টার দ্বীপের ১৫০০ কিলোমিটার দক্ষিণে Pacific–Antarctic Ridge(Pacific ওAntarctic টেকটনিক প্লেটের মধ্যবর্তী অঞ্চল) অঞ্চলে সাগরের ২২০০ মিটার গভীরে অনুসন্ধানে যাওয়া Submarine DSV Alvin ২০০৫ সালে এই কাঁকড়ার সন্ধান পায়। এর ল্যাটিন নাম Kiwa hirsuta। তাঁরা ৭ই মার্চ ২০০৬ সালে এই আবিস্কারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। ইয়েতি কাঁকড়ার দৈর্ঘ্য ১৫ সে.মি.(৫.৯ ইঞ্চি) । এর জীবন ধারণে এর লম্বা রোমশ দাড়া দুটোর ভুমিকা অপরিসীম। এই দাড়া দুটোতে রয়েছে Filamentous Bacteria যার মাধ্যমে এরা আত্নরক্ষার্থে ছুড়ে দেয় এক ধরনের বিষাক্ত তরল।

।। Mirny Diamond Mine ।।
এই হীরার খনিটি রাশিয়ার Sakha প্রদেশের রাজধানী Yakutsk থেকে ৮২০ কি.মি দূরে Mirny শহরে অবস্থিত।এই খনিটির অপর নাম Mir Mine। Mir শব্দের অর্থ “শান্তি”। অবশ্য ইউরোপে এই খনিটি kimberlite diamond pipe নামে পরিচিত। বর্তমানে নিস্ক্রিয় এই খনিটির গভীরতা ৫২৫ মিটার( ১৭২২ ফুট) এবং এর মুখের ব্যাস ১২৫০ মিতার(৩৯০০ ফুট) । পূর্ব সাইবেরিয়ায় অবস্থিত এই খনি থেকে ১৩ই জুন ১৯৫৫ সাল থেকে সোভিয়েত ভূতত্ত্ববিদ Yuri Khabardin, Ekaterina Elagina এবং Viktor Avdeenko-এর নেতৃত্বে হীরা উত্তোলন শুরু হয়।৬০এর দশকে এই খনি থেকে সর্বমোট হীরা উত্তোলন করা হয় ১ কোটি ক্যারাট যার ওজন প্রায় ২০০০ কে.জি। ২৩ শে ডিসেম্বর ১৯৮০ সালে এই খনির সর্ববৃহৎ হীরাটি যার ওজন ৩৪২.৫ ক্যারেট(৬৮ গ্রাম) , যার নাম পরে দেয়া হয়েছিল 26th Congress CPSU। ১৯৮১ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত Communist Party of the Soviet Union-এর ২৬ তম Congress উপলক্ষে এই নাম দেয়া হয়েছিল। এই খনির উপর থেকে নিচে গাড়িতে করে নামতে আড়াই ঘণ্টা।২০১১ সালে এসে এই খনি থেকে হীরা উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

Sinkhole, Guatemala
৩০০ ফুট গভীরতার এই গর্ত( কুয়াও বলতে পারেন) দক্ষিণ আমেরিকার
দেশ Guatemala-র রাজধানী Guatemala City-তে অবস্থিত। ২০০৭ সালে হঠাৎ করে কয়েকটি বিল্ডিং নিয়ে এই জায়গাটি ধ্বসে পড়ে। গর্তটির গভীরতা ১০০ মিটার ( ৩৩০ ফুট)। ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে Guatemala City-র নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া গলিত আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় এই জায়গার মাটি ধ্বসে পড়ে।এই শহরের অতি নিকটেই অবস্থান করছে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি Pacaya।
২৯ শে মে, ২০১০ সালে হারিকেন Agatha-র আঘাতে Guatemala City-তে সৃষ্টি হয় আরেকটি গর্তের। এই গর্তটির ব্যাস ১৮ মিটার(৬০ ফুট) এবং গভীরতা ৬০ মিটার (২০০ ফুট)। এই গর্তটি আগের গর্ত থেকে ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ঘড়ি…এতে ১২৮২ টা ডাইমণ্ড আছে…দাম মাত্র ৫ মিলিওন ডলার… ১৭ জন কারিগর ৪ মাসে এইটা বানাইছে।।

রেইন ফরেস্টে প্রজাপতির অভাব নেই কোনও। বিচিত্র রঙের প্রজাপতির ছড়াছড়ি এই রেইন ফরেস্ট গুলোতে। তবে এগুলোর মধ্যে রঙ ও রূপের ছটায় সবচেয়ে বিখ্যাত হলো Morpho Butterfly। যে প্রজাপতিগুলোর দেখা মেলে মেক্সিকো, কোস্টারিকা, ব্রাজিল ও ভেনিজুয়েলার রেইন ফরেস্টে। বলা হয় Morpho Butterfly-এর মতো অপরূপ নীল রঙের পাখা পৃথিবীর আর কোনো প্রজাপতির নেই। সাধারন অবস্থায় এই প্রজাপতিগুলোর ডানার দৈর্ঘ্য ৭.৫ সে.মি (৩ ইঞ্চি)। উড়ন্ত অবস্থায় এই প্রজাপতির পাখার দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি ( ৮ ইঞ্চি)। অনিন্দ্য সুন্দর নীল রঙের এই প্রজাপতিটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডানা বিশিষ্ট প্রজাপতি।
** তথ্য ও ছবি নেট থেকে নেয়া
পূর্বতন বিস্ময়
বিস্ময়কর পর্ব ১ থেকে ১০
বিস্ময়কর ১১



ভাল লাগল। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ পলাশ ভাই
ভালো থাকবেন
হীরার গুহায় নামতে ইচ্ছে করছে।
কাকড়া আমার খুব প্রিয় খাবার এই ইয়েতি কাকড়া দেখি বিষাক্ত।
এতো দামী ঘড়ি পড়তে ইচ্ছে করছে না। (আঙ্গুর ফল টক আর কি)
নীল প্রজাপতিটি আসলেই মুগ্ধকরার মতো। বিধাতার সৃষ্টি এতো মুগ্ধকর যা ভাষায় প্রকাশ করে শেষ করা যায় না।
তাহলে একদিন কাঁকড়া ভাজির আয়োজন করা যেতে পারে
ঐ ঘড়ি পড়ে তো আর বাংলাদেশের রাস্তায় হাটা যাবে না, যখন হেলিকাপ্টার কিনতে পারবো তখন পড়বো
হ্যাঁ, আমার নিজের ই ঐ প্রজাপতিটা ধরতে ইচ্ছা করছে
“তাহলে একদিন কাঁকড়া ভাজির আয়োজন করা যেতে পারে” হে হে হে
বড়’দি মনে হয় বুঝতে পারেন নি। কাকড়া ভাজি হলো শিবলী ভাইয়ের বহুত পেয়ারের খাবার।
আসসালামু আলাইকুম বন্ধু ।
সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ
ওয়ালাইকুম আসসালাম
আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো আছি
আমার ৩০০ টাকার ঘড়িতেও সময় দেখা যায়…
তারপরেও অনেক বিস্মিত হয়েছি। বিস্ময়ের ঘোর কাটছেনা…!!!
চলুক…।
ভাল থাকুন। কাছে থাকুন।
ভাইয়া, আমি ব্লগ ফোরাম কমিটির সাথে কথা বলেছি। আপনার সাথে কথা বলতে বলেছে। আমি ফোরাম এর সদস্য হতে চাই। তাই ফরম সেন্ড করলে উপকৃত হই। প্রয়োজনে-০১৭২৭৫০৭১১৩
ধন্যবাদ।
আমাদের নতুন কমিটি মাত্র ঘোষণা করা হল, খুব শিঘ্রই আমরা ফোরাম এর সদস্য সংগ্রহ শুরু করবো।
আশা করি তখন আপনাকে আমরা সদস্য হিসেবে নিবন্ধিত করতে পারবো। এছাড়া এখন তো আপনি আমাদের সাথে আছেনই
ধন্যবাদ প্রতিউত্তরের জন্য।
আরেকটি বিষয় জানতে চাচ্ছি তা হলো, এই ব্লগে কি ই-বুক প্রকাশ করা হয়? আর বই প্রকাশণীর ক্ষেত্রে কি ব্লগারদের বই প্রকাশে অগ্রাধিকার দেয়া হয়?
হ্যাঁ, আপনি এই ব্লগে ই-বুক প্রকাশ করতে পারবেন।
অবশ্যই বই প্রকাশনার ক্ষেত্রে ব্লগারদের অগ্রাধিকার আছে
বুঝিতে না পারি লীলা
করে বিধাতা,
প্রকৃতির কেন এত
নিষ্ঠুরতা।
কেউ পায় হীরের খনি
কেউ মরে ধসে,
সুন্দর ঐ প্রজাপতি
থাকুক সবার পাশে।
শিবলী ভাই আপনার পোস্টগুলো পড়তে পড়তে আমি একদিন সব জান্তা শমসের হয়ে যাবো। চলতে থাকুক।
দারুন পোস্ট। ভাল থাকুন সবসময়
গর্ত গুলো দেখে ভয় লাগে……
কাঁকড়া আর প্রজাপতি দেখে তো মনই ভালো হয়ে গেল! দুটই এত সুন্দর!!
হীরার খনি একটা পেলে বেশ হতো!!
কুয়া তো ভয়েরই ব্যাপার! ধ্বসে মানুষ মরে নি?
শ্রম সাধ্য পোষ্ট। ধন্যবাদ।