
হঠাৎ করেই যেন ঢাকা থমকে দাড়াল। চারদিকে শুন শান নিস্তব্ধতা। অশুভ শক্তির ধ্বংসযজ্ঞের নীচে সারা দেশ কাঁপছিল। মাটি রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল এবং হাসনাহেনা ফুলের গন্ধ মিইয়ে গিয়েছিল তাজা রক্তের গন্ধে।আজ ২৫ শে মার্চ ভয়াল কালো রাতের হৃদয়ে রক্ত ক্ষরনের ইতিহাসের দিন। ওরা এদিন বাংলাদেশের হৃৎপিন্ডখ্যাত ঢাকার বুকে আঘাত করে।ওরা এদিন নারী-শিশু হত্যা করে বুঝিয়ে ছিল ওদের চোখে রক্ত নেই; হৃদয় বলে কোন অনুভূতি নেই, বিবেক বলে কোন শব্দ নেই, ছিল না মানবতাবোধ, ছিল শুধু বর্বর নিষ্ঠুরতা।তারা এদিন আগুন জ্বালিয়েছিল দাবানলের মতো বাঙালীর অস্তিত্ব ধ্বংসের নিমিত্তে।অন্তহীন দহনে আজো দগ্ধ হচ্ছে বাঙালী, না পাওয়ার বেদনায় ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাচ্ছে অতৃপ্ত হৃদয়; আজো বহমান নদীর মতো অশ্রু ঝরে প্রিয় নেতা মুজিবের শূন্যতায়।বুক ভরা কান্না, কষ্ট আর বেদনা নিয়ে আজো বাঙালী অপেক্ষার প্রহর গুনে, এ দেশীয় দুসর রাজাকার আলবদর আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ভাবনায়।এখনও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিখ্যাত বর্তমান সরকার, দেশের মানুষের জন্য আস্থার কোন অবস্থান করতে পারেনি।মানুষের প্রত্যাশার মতো হতাশার পরিমানও বাড়ছে, এক সাগর রক্তের বিনিমযে অর্জিত স্বাধীনতার স্বপ্ন ছিল বিশাল;প্রত্যাশা ছিল দিগন্ত প্রসারী, তা পূরন হয়নি আজও।সন্ত্রাস, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যরহারে অতিষ্ট মানুষ, স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ আজও পূরন হয়নি।
স্বাধীনতা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ একটি ইতিহাস। এই ইতিহাস পাঠ করে যুব সমাজ দেশপ্রেমে আরও উজ্জীবিত হয়ে উঠবে এটাই হোক আজকের প্রত্যাশা।



হে আমার বঙ্গমাতা
আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী
আমরা তোমার রক্ত চোষা কুলাঙ্গার সন্তান
আমাদের ক্ষমা করো
স্বাধীনতার ৪০ বছরেও আমরা তোমায় কিছুই করতে পারিনি
আমরা লজ্জিত
আমরা লজ্জিত!!
অভিনন্দন আপনাকে
আমার আন্তরিক সালাম ও প্রীতি জানিবেন
স্বাধীনতা আমাদের অহংকার।
এই রাতটি কথা যতোবার পড়ি ততো বার গায়ে কাটা দেয়। যুদ্ধ দেখিনি তার পরেও অনুভব করতে পারি কি সময় ছিল সেই সময়টা।
সকল মুক্তিযোদ্ধা সহ যোদ্ধা বীরঙ্গনাদের প্রতি রইল আমার সালাম।