
ফকির লালন সাঁই যার ডাক নাম লালন ফকির । কালজয়ী এই দার্শনিক বাউল কবি ১৭৭৪ সালে বাংলাদেশে জন্মগ্রহন করেছিলেন। কুষ্টিয়া জেলার নদীয়ার ছেউরিয়া গ্রামে এই বাউলের শৈশব জীবন কেটে যায়। তবে লালনের জন্ম সাল নিয়ে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন লালনের জন্ম হয়েছিল ১৭৭২ সালের ১৭ অক্টোবর ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার হারিসপুর গ্রামে। লালনের শৈশব নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকলেও কালের গর্ভে লালন হারিয়ে যায়নি বরং লালনের জীবন বৃত্তান্ত ধীরে ধীরে পরিস্কার হতে শুরু করেছে সাধারন মানুষের কাছে। লালন হিন্দু ছিলেন না মুসলমান ছিলেন এই নিয়েও রয়েছে মতভেদ। লালন ছিলেন একজন মানবপ্রেমী বাউল কবি। মানবতার ধর্মে লালন ছিলেন অতি উৎসাহী। এই বাউল কবি আজ বাঙালী জাতির সেরা দার্শনিকের মর্যাদা পেয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে লালন হচ্ছে আজ গবেষণার বিষয়। লালন গবেষকদের মতে লালন তাঁর জীবনে প্রায় ১০,০০০ গানের সুর করেছেন। লালনের গান আজ আমাদের মনের খোরাক। প্রানের খোরাক লালনের গানে আমরা খুঁজে ফিরি জীবনেরে। এখন পর্যন্ত লালনের প্রায় ২০০০-৩০০০ গানের সুর, কথা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। লালনের হাজার হাজার গান কোটি কোটি মানুষের মনের খোরাক হয়ে আছে। লালনকে নিয়ে এপার বাংলা কিংবা ওপার বাংলায় রচিত হয়েছে অসংখ রচনা। কিন্তু লালনকে চলচ্চিত্রের পর্দায় আনতে চেষ্টা করেছেন এমন সাহসী চলচ্চিত্রকার হাতে গননা করা যায়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল লালনকে নিয়ে এ বাংলায় প্রথম চলচ্চিত্র নির্মান করেছেন। কিছুদিন পূর্বপযন্ত সেটাই ছিল আমাদের সম্ভল। লালনের গানে কী নেই!! ভাব, ভালবাসা, জীবন, প্রেম, খোদা, ঈশ্বর, ভগবান, ভাতৃত্ব, মানবতা সবই আছে লালনের গানে। যুগে যুগে লালনকে নিয়ে গবেষনা করে লিখেছেন এমন লেখকের সংখ্যাও খুব কম। আধুনিক শহরের ইট পাথরের দালান পেরিয়ে লালন আজ বর্হিবিশ্বেও সমাদৃত। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে লালনের কর্ম ও গান নিয়ে পাঠ্য পুস্তক রয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা আফ্রিকা পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে লালন ভক্তরা। কুষ্টিয়ার ছেউরিয়ার ধুলো মাটিতে বড় হয়ে ওঠা আমাদের লালন আজ সারা বিশ্বের মানুষের মনের মানুষ। প্রতি বছর কুষ্টিয়ার লালন মেলায় মনের মানুষকে খুজঁতে তাই ছুটে আসে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন জনপদ থেকে লাখ লাখ ভক্ত।

গ্রাম বাঙলার বাউলদের প্রতিনিধি লালন সাঁই আজ আমাদের অহংকার। ঠিক কবে আমি লালনের গানের প্রেমে পড়ি তা এ মূহুর্ত্বে মনে নেই। তবে লালন সম্পর্কে আগ্রহ প্রথম তৈরী হয় যখন তানভীর মোকাম্মেল এর লালন ছবিটা দেখি। লালন কে নিয়ে নির্মিত বেশ কয়েকটি তথ্যচিত্র মনের গভীরে লালনকে স্বায়ী আসন করে দেয়।
প্রিয় পাঠক চলুন চলে যাই, মনের মানুষে। গৌতম ঘোষ লালন নিয়ে ছবি নির্মান করছেন এই সম্পর্কীত একটি নিউজ টিভিতে দেখার পর থেকেই আমি এই ছবিটি দেখার জন্য দিন গননা শুরু করলাম। টলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা লালনের নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন এ তথ্যটি শোনার পর মনে খটকা লেগেছিল। কারন লালনের মতো একজন বাউলের চরিত্রে প্রসেনজিৎ কি অভিনয় করবেন সেটাই ছিল প্রশ্ন ? গতকাল শুক্রবার ৩ ডিসেম্বর লালন ছবি দেখার মাধ্যমে সব প্রশ্নের সমাধান পেয়ে বলতে বাধ্য হলাম – বাংলা চলচ্চিত্রে এতো শক্তিশালী অভিনয়, শিল্পরুপ, চিত্রায়ন, সংগীত, খুব কমই দেখেছি। দীর্ঘ ৩ ঘন্টা দাড়িয়ে থেকে এই সুন্দর ছবিটি দেখার কষ্ট ম্লান হয়ে গেল। এতো সাবলিল অভিনয় আহা প্রান জুড়ায়। চিৎকার দিয়ে বলতে ইচ্ছে করছে মনের মানুষকে খুঁজে পেতে এই ছবিটি দেখুন। তাহলে এই ছবিটি কী প্রেমের ছবি ? গানের ছবি ? বাউলিয়ানা ছবি ? সামাজিক ছবি ? রোমান্টিক ছবি ? নাকি প্রানের ছবি ? প্রিয় পাঠক, এই ছবিতে আপনি সবকিছুই খুঁজে পাবেন।
কিশোর লালু (লালন) যখন তার কিশোরী বউ এর পাশে বসে গান শোনায় তখন দর্শক মনের প্রেম সত্যিই জেগে উঠবে। মনে মনে ভাবি, ইস্ – এমন একটা বউ যদি থাকতো ?

কাহিনী সংক্ষেপ -
সুবিশাল গঙ্গার পানিতে ভেসে আসতে দেখা যায় একটি বেলা। বিশাল জলরাসিতে ক্যামরার কারুকাজ দর্শক আপনার মন একটু হলেও দুলে উঠবে। কিন্তু সেই বেলাটি যতোই কাছে আসছে দেখা যাচ্ছে সেখানে সাদা কাপড়ে ঢাকা একজন মানুষের মৃত দেহ। বিশাল জলরাশি থেকে ক্যামরা এবার কোন এক জমিদারের বাড়ির অন্দর মহলে প্রবেশ করে। সেখানে বসে আছেন এক বৃদ্ধ , হাতে বাঁশের একটি লাঠি, কাধে একতারা, সাদা লুঙ্গি ও পানজাবি। পাশে দাড়িয়ে একজন লোক জোতিন্দ্রনাথ সেই বৃদ্ধ লোকটির ছবি আঁকছেন এবং টুকটাক প্রশ্ন করে জেনে নিচ্ছেন সেই বয়স্ক বৃদ্ধ লোকটি সম্পর্কে। দর্শক নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন ইনি হচ্ছেন সেই লোক আমাদের লালন। লালন ফকিরের ছবি আঁকা হচ্ছে, প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য লালন ছুটে যাচ্ছেন তাঁর কৈশরে যখন একদিন মধ্যাহ্নে লালনের গুরু সিরাজ সাঁইয়ের সাথে লালনের দেখা হয়। লালন বলে যায় তার শৈশবের কথা।
কিশোর বয়সের উড়নচন্ডি স্বভাবের লালু। মাঠে ঘাটে ঘুরে বেড়ায় আর গলা ছেড়ে গান গেয়ে বেড়ায় লালু। গ্রামের কবিরাজ কৃষ্ন প্রসন্নের বাড়িতে নির্দেশমুলক কাজও করে লালু। একদিন গ্রামের কবিরাজ লালুকে সাথে নিয়ে চলে যায় গঙ্গাস্নানে। লালুর মা লালুকে যেতে বাধা দিলেও লালু চলে যায় কারন কবিরাজের নির্দেশ। মাঝে মাঝেই লালুর গলায় সুর উঠে যেনো মনের ভেতরের প্রাণ থেকে উঠে আসা সেই সুর। কবিরাজ তন্ময় হয়ে শুনে লালুর সেই গান।
সেই গানের আসরেই লালনের জ্বর ধরা পড়ে। অতপর লালন জলবসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়। কবিরাজ লালনকে দেখে বললেন, এ রোগের কোন চিকিৎসা নেই। ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, কবিরাজের পরামর্শে লালনকে ভাসিয়ে দেয়া হয় গঙ্গায়। রাবেয়া নামে এক মুসলিম মহিলা লালুর জীবন বাচাঁয়। ঠিক সেখানেই লালনের জীবনের প্রথম জাত নিয়ে প্রশ্ন উঠে। রাবেয়ার মাতৃস্নেহে লালু যখন কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠে তখন আবার লালুর গুরু সিরাজ সাঁইয়ের সাথে দেখা হয়। সিরাজ সাঁই এবার চিনতে পারে লালনকে। ধীরে ধীরে লালন সিরাজ সাঁইয়ের ছবক নিয়ে বাউলিয়ানায় মনোযোগী হয়। কিন্তু লালুর মন যেনো কাকে খোঁজে। লালু আবার ফিরে যায় তাঁর আপন ভুমিতে কিন্তু কেউ লালুকে গ্রহন করতে চায় না কারন সবার একটাই কথা জাত গেল জাত গেল ——-দর্শক লালনের জীবনে জাত গেল গানটির সৃষ্টি হয়তো সেখান থেকেই। লালন আবার ফিরে আসে জঙ্গলে। সেখানে লালনের সাথে দেখা হয় কালুয়ার সাথে। কালুয়া ও লালনের সম্পর্ক দোস্ত হিসেবে রুপ নেয়। পরিনত হতে থাকে লালন। প্রেম, ভালবাসা, কাম সব কিছুই জেগে উঠে লালনের ভেতর। অসহায় মানুষকে সাহার্য করার জন্য লালন যেমন ব্যাকুল হয়ে ওঠে তেমনী প্রতিহিংসা দেখেও লালন তা মোকাবেলার কৌশল রপ্ত করতে থাকে। উগ্র হিন্দুবাদ ও মোল্লারা লালনের পিছু নেয়।

মনের মানুষ ছবিতে পরিচালক গৌতম ঘোষ লালনের গানগুলো যথেষ্ট সৃজনশীলতার সাথে ব্যবহার করেছেন। প্রতিটি গান শুনে দর্শকের শুধু মনই জুড়ায়নি মনের মানুষের জায়গাটা মনে ভিতর শক্তভাবে জায়গা নিয়েছে। প্রিয় দর্শক এই গানটির কথা না বলে পারছি না
সময় গেলে সাধন হবে না
দিন থাকতে দিনের সাধন কেনো জানলে না
তুমি কেনো জানলে না
সময় গেলে সাধন হবে না
জানো না মন খালে বিলে
থাকে না মিল জল শুকালে
কি হবে আর বাধন দিলে
মোহনা শুকনা থাকে, মোহনা শুকনা থাকে, মোহনা শুকনা
সময় গেলে সাধন হবে না
সময় গেলে সাধন হবে না
অসময়ে কৃষি করে মিছি মিছি খেটে মরে
গাছ যদি হয় বীজের জোরে ফল ধরে না
সময় গেলে সাধন হবে না
তারপরেও লালন পিছু হটে না। চলে নিরন্তর সাধনা। এই সাধনার মধ্য দিয়েই লালন মানব প্রেমের কথা গানে গানে বলে গেছেন।
আন্তর্জাতিক পুরুস্কার – ৪১তম আন্তর্জাতিক ইন্ডিয়ান চলচ্চিত্র উৎসব ২০১০ এ মনের মানুষ ছবিটি সেরা ছবির পুরুস্কার হিসেবে গোল্ডেন পিকক এওয়ার্ড জিতে নেয়।

এক নজরে মনের মানুষ (২০১০)
পরিচালক, চিত্রনাট্য, সঙ্গীত, সিনেমাটোগ্রাফিঃ গৌতম ঘোষ
প্রযোজকঃ
ফরিদুর রেজা সাগর (বাংলাদেশ)
হাবিবুর রহমান খান (বাংলাদেশ)
গৌতম কুন্ডু (ভারত)
অভিনয়েঃ
লালন ফকির – প্রসেনজিৎ
কিশোর লালন : জিসান
সিরাজ সাঁই : রাইসুল ইসলাম আসাদ
কবিরাজ : হাসান ইমাম
পদ্মাবতি : গুলসান আরা চম্পা
গোলাপি :তাথৈ
জোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর : প্রিয়াংসু চ্যাটার্জি
কালুয়া : চনচল চৌধুরী
কমলি – পাওলি দাম
ভানুমতি : শুভ্রা কুন্ডু
মৌলবি :আমির সিরাজী
আরও অনেকে এ ছবিতে অভিনয় করেছেন।
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মনের মানুষ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত।
মুক্তি কাল :ডিসেম্বর ৩, ২০১০
(এই লেখাটি উৎসর্গ করলাম ————– একজন মনের মানুষকে ———————–যাকে আমি এ জীবনে দেখিনি, হয়তো দেখা হবে না, হয়তো হবে) তবে মানুষের মাঝে তাকে আমি খুজে ফিরি …………আশা করছি মানুষের মাঝে তাকে একদিন খুজে পাবো। সে প্রতিক্ষায় …….



আমি গত বৃহস্পতিবার মনের মানুষকে নিয়েই “মনের মানুষ” দেখে এসেছি
অসাধারণ একটি ছবি। এই ছবির ভিডিও টা হাতে পেলে আমি পুরো ছবিটাকে অডিও কনভার্ট করে কালেকশনে রাখব। প্রতিটা লাইনই অসাধারণ।
“……..মনের মানুষের খোঁজ বড় জটিল বাবু মশাই। এই দেখা দেয় আবার পরক্ষণেই হারিয়ে যায়। আমার গুরু আমারে এমন এক চাবি মারে ছাড়ে দেছে,যে জনম ভর ঘোরতেছে…….”-লালন
এই মুভি না দেখলে জীবন বৃথা!!!
খুশি হলাম আপনার পাশে একজন মনের মানুষ ছিল
মনের মানুষ সিনেমাটি দেখতে যাবার কথা ছিল কাল।
যাওয়া হয়নি অন্য কারণে।
বিকেলে শুনলাম কাহিনীও দর্শকের তৃপ্তির ব্যাপারটা।
তারপর থেকে সিনেমাটির প্রতি আগ্রহ বেড়ে গেছে।
আর আপনার এ রিভিউ আমাকে আরো বেশি উদ্ধুদ্ধ করছে তা দেখার জন্যে।
আলোচনায় পাঠকের সিনেমাক্ষুধা বাড়িয়ে দেবে সন্দেহ নেই।
দারুণ প্রাণবন্ত এ আলোচনার মাধ্যমে দিব্যচোখে লালনকে দেখতে পেলাম।
দূর্দান্ত।
শুভকামনা আপনার জন্যে
কবির ভাই ছবিটি ভাল তবে পাশে একজন মনের মানুষ থাকলে খুবই চমৎকার হবে।
আমি এখনো ছবিটি দেখিনি।
না দেখার দঃখটা অনেকাংশেই লাঘব হলো প্রিয় মাছুম এর রিভিউ পড়ে।
চমৎকার বণর্না শৈলী। অভিনন্দন।
ধন্যবাদ প্রিয় মুরুব্বী, আপনার টানে আমি এখন নতুন পরিবারের সাথে ব্লগিং চর্চা করছি। ছবিটি আমার খুব ভাল লেগেছে তাই দেখেই রিভিউ লিখলাম আরেকটি পর্বে ছবির শিল্প দিক নিয়ে লেখার ইচ্ছে আছে।
আমি দেখবো, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস পড়ার পর আমি ছেউড়িয়া চলে গেছিলাম, এতটাই ভালো লেগেছিল।
কাহীনি না দিলেই তো ভাল হতো। যদিও পড়ি নাই। ছবিটা দেখার ইচ্ছে আছে সে জন্য পড়ি নাই কাহিনিসংক্ষেপ।
ভাল কিছুই হবে অবশ্যই। গৌতম ঘোষ এর ছবিতো।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য আলোচিত ছবিটি নিয়ে
ছবিটি ভাল প্রিন্টে পেলে দেখার ইচ্ছা রাখি। ধন্যবাদ আপনাকে।
লালনগীতি আমার সব সময়ের প্রিয় । লালনের জীবনী(একটু-আধটু) পড়ে তার রহস্যময় জীবন সম্পর্কে জানার আরো আগ্রহ ছিল অনেকদিনের ।
আপনার রিভিউ টা পড়ে “মনের মানুষ” এখনি দেখতে ইচ্ছে করতেছে । কিন্তু প্রবাসী রা নেটে মনেহয় তাড়াতাড়ি পাব না । অতএব অপেক্ষা করতে হবে…..
ধন্যবাদ। চলচ্চিত্রটি দেখার ইচ্ছে রইল।
এর আগে নির্মিত লালন ছবি টা দেখেছি, এটা দেখার ইচ্ছা রইলো, আর আপনার লিখাটা ভালো হয়েছে, এমনিতে আমি লালন সম্পর্কে কিছু লিখা পেলে সংগ্রহ করি, তাই এই লিখাটা প্রিয় তে রাখলাম
নাজমুন নাহার মুনিরা কে………………
তুমি স্বপ্নে, মগ্নে ব্যস্ত রাখো আবেগ
শ্বাসে, বাসে আশ তোমার, বাড়ে ভাললাগার জমার স্থীতি
তুমি দ্যুতি, আধারে জ্যোতি….নয়নের গতি…….
তুমি কল্পনার আপন, বাস্তবের সন্ধান
তুমি অম্লান হৃদয়ে, প্রানে জয়গান তোমারি….তুমি রবি
যদিও আছে মেঘের ছায়া, তবুও জানি কাটিয়ে সকল মায়া
জাল, জঞ্জাল, তুমি হাসবে আমার চোখে, আকাশে করেব আলো আমার
কিছুদিন আগে এ নিয়ে পেপারে পড়লাম। শুভেচ্ছা আপনাকে ।
দেখার তৃষ্ণা বেড়ে গেল ।
ধন্যবাদ ,মাছুম ভাই